

দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ হঠাৎ রূপ নিল সহিংস সংঘর্ষে। থাইল্যান্ডের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কাম্বোডিয়ায় লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে। এ পর্যন্ত থাইল্যান্ডে নয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে নয় বছরের এক শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ১৪ জন।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
বৃহস্পতিবার ভোরে সীমান্তের কাছে তা মোয়ান থম মন্দিরের এলাকায় গোলাগুলি ও গোলাবর্ষণ শুরু হয়। থাই সেনাবাহিনী জানায়, কাম্বোডিয়া ড্রোন দিয়ে নজরদারি করে এবং ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা শুরু করে, এতে থাই সেনারা পাল্টা জবাব দেয়।
সুরিন প্রদেশের কাবচিয়াং জেলার প্রধান জানান, কাম্বোডিয়ার গোলাবর্ষণে দুইজন নিহত হয়েছে। সীমান্তের কাছাকাছি ৮৬টি গ্রামের প্রায় ৪০,০০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
থাই সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তে সংঘাতের মধ্যে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কাম্বোডিয়ায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা করেছে। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাম্বোডিয়া থাইল্যান্ডের হাসপাতালে হামলা করেছে এবং বেসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণ করেছে। কাম্বোডিয়া হামলা অব্যাহত রাখলে থাইল্যান্ড আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা জোরদার করবে বলে সতর্ক করেছে।
অন্যদিকে, কাম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, থাই বিমান দুটি বোমা ফেলে এবং থাইল্যান্ডের এই কর্মকাণ্ডকে ‘উন্মত্ত ও বর্বর আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, থাইল্যান্ড আগে হামলা চালিয়েছে এবং তারা আত্মরক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
কাম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেন জানান, থাই সেনাবাহিনী ওদ্দার মেনচে ও প্রিয়াহ ভিয়েহার প্রদেশে কাম্বোডিয়ায় গোলাবর্ষণ করেছে। তিনি জনগণকে শান্ত থাকার এবং আতঙ্কিত হয়ে খাবার মজুত না করার আহ্বান জানান।
থাইল্যান্ডের কোহ লান্টা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, সীমান্তে উত্তেজনা দীর্ঘদিন ধরে চললেও বৃহস্পতিবার তা বিস্ফোরিত হয়েছে। থাইরা বলছে, কাম্বোডিয়ার সেনারা প্রথমে গুলি চালায়, অন্যদিকে কাম্বোডিয়া বলছে থাই সেনারা সীমান্ত পেরিয়ে কাঁটাতারের বেড়া তুলতে গিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত করে।
থাই দূতাবাস জানিয়েছে, সংঘর্ষ ক্রমশ বেড়ে চলেছে এবং পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত ও বিস্তৃত হতে পারে। এজন্য জরুরি প্রয়োজন ছাড়া থাই নাগরিকদের কাম্বোডিয়া ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে।
এরই মধ্যে উভয় দেশ পারস্পরিকভাবে দূতাবাসের সম্পর্ক অবনমিত করেছে এবং দূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কাম্বোডিয়া থাইল্যান্ড থেকে তেল, গ্যাস, ফলমূল ও সবজি আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৮১৭ কিলোমিটার সীমান্তের বিভিন্ন অচিহ্নিত পয়েন্টে উভয় দেশের মধ্যে প্রায় এক শতাব্দী ধরে মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে, যা এভাবে নতুন করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরব গত তিন দিনে ১৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। গতকাল সোমবার দুই সৌদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে ‘সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত অপরাধের’ দায়ে। এর আগে শনিবার ও রবিবার ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। যাদের বেশিরভাগই ছিলেন বিদেশি এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। গত তিন দিনে মোট ১৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এই ঘটনা ২০২২ সালের মার্চের পর সবচেয়ে দ্রুত গতির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ঘটনা। ওই সময় এক দিনে ৮১ জনকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র নিন্দার মুখে পড়ে।
শনিবার ও রবিবার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনকে হাশিশ পাচারের দায়ে এবং একজনকে কোকেন পাচারের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগকারী দেশ। ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে ২৩৯টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। যা গত বছরের মোট ৩৩৮টি মৃত্যুদণ্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং এটি ১৯৯০-এর দশকে মৃত্যুদণ্ডের তথ্য প্রথম প্রকাশের পর সর্বোচ্চ রেকর্ড।
এএফপির বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে, এ বছরের মৃত্যুদণ্ডগুলোর মধ্যে ১৬১টি ছিল মাদকসংক্রান্ত অপরাধে এবং ১৩৬ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।
মানবাধিকার সংস্থা রিপ্রিভ-এর প্রতিনিধি জিদ বাসিউনি সম্প্রতি সতর্ক করে বলেন, ‘হাশিশ-সম্পর্কিত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে এবং এসবের মধ্যে বিদেশিদের সংখ্যাই বেশি।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে হাশিশ ব্যবহারের অপরাধীকরণ ধীরে ধীরে বাতিলের পথে, সেখানে সৌদি আরবের এই প্রবণতা গভীর উদ্বেগের।’
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালে সৌদি আরব যে ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে, বর্তমান মৃত্যুদণ্ডের উল্লম্ফন তারই ফল। কারণ তখন আটক হওয়া অনেক ব্যক্তির এখন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে।
২০১৯ সালে সৌদি সরকার মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করলেও ২০২২ সালের শেষ দিকে তা পুনরায় চালু করা হয়।
সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, মৃত্যুদণ্ড শুধুমাত্র সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেই কার্যকর করা হয় এবং এটি সমাজে নিরাপত্তা ও মাদক প্রতিরোধে সহায়ক। তবে মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৌদি আরবকে একটি ‘উন্মুক্ত ও সহনশীল সমাজ’ হিসেবে তুলে ধরার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতে এই মৃত্যুদণ্ডের অব্যাহত ব্যবহার বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সূত্র : এএফপি
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা এখন প্রায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর ওপর থেকে শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত রেখেছে, তবে গত বুধবার তারা চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বাড়িয়ে দেয়। এরপরই বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজ ঘোষণা করে যে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত প্রায় সব চীনা পণ্যের ওপর ১৪৫% শুল্ক কার্যকর করতে যাচ্ছে।
চীনও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে জানানো হয়, চীন মার্কিন পণ্যের ওপর ১২৫% হারে শুল্ক আরোপ করেছে। এর আগে, গত বুধবার চীন মার্কিন পণ্যে ৮৪% শুল্ক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এছাড়া, চীনের ব্যবসায়ীরা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজনে তাদের পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে, চীনের এই সর্বশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ট্রাম্প প্রশাসন।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর এই দুই অর্থনৈতিক শক্তির মধ্যে মোট ৫৮৫ বিলিয়ন ডলার (৫৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার) মূল্যের পণ্য বাণিজ্য হয়েছে। তবে এই বাণিজ্যে ভারসাম্য যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৪৪০ বিলিয়ন ডলার (৪৪ হাজার কোটি ডলার) মূল্যের পণ্য আমদানি করলেও চীন মার্কিন পণ্য আমদানি করেছে মাত্র ১৪৫ বিলিয়ন ডলার (১৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার)।
ফলে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৯৫ বিলিয়ন ডলার (২৯ হাজার ৫০০ কোটি ডলার), যা মার্কিন অর্থনীতির প্রায় ১% এর সমান। এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতিই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য সংঘাতের মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেই পশ্চিমবঙ্গে শান্তি ফিরবে। তার মতে, বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণেই পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের শান্তি তখনই সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী হবে, যখন এই অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
রবিবার পেট্রাপোল স্থলবন্দরে ভারতের সবচেয়ে বড় যাত্রী টার্মিনাল ভবন এবং 'মৈত্রী দ্বার' নামে একটি কার্গো গেট উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, 'ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া' (এলপিএআই) এই অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়ন স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈধ যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকলে মানুষ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে আসে এবং এটি পশ্চিমবঙ্গসহ গোটা ভারতের শান্তি বিঘ্নিত করে।
অমিত শাহ বলেন, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন ঘটাতে হবে এবং অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তার মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হবে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারের সঙ্গে সংস্কৃতি, ভাষা ও আদান-প্রদান বাড়বে, যা এক নতুন অংশীদারিত্বের সূচনা করবে।
উত্তর চব্বিশ পরগনার পেট্রাপোল বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ আরও বলেন, এলপিএআই একটি ছোট প্রতিষ্ঠান হলেও এর গুরুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক উন্নয়নে ভাষা ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমে এলপিএআই গত দশ বছরে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।
অমিত শাহ আরও বলেন, এই ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি নরেন্দ্র মোদির চারটি ‘পি’ সূত্র অনুসরণ করে কাজ করে—প্রসপারিটি (সমৃদ্ধি), পিস (শান্তি), পার্টনারশিপ (অংশীদারত্ব) এবং প্রগ্রেস (উন্নতি)।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ ও বন্দর প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, এলপিএআই এর চেয়ারম্যান আদিত্য মিশ্র, বিএসএফ এর ডিজি দলজিৎ সিং চৌধুরী এবং কেন্দ্রের জয়েন্ট ডিরেক্টর পৌসুমী বসু।
মন্তব্য করুন


২০২৪ সালে তুরস্ক তিন হাজার ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেকি আকতুর্ক এই তথ্য দেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
জেকি আকতুর্ক বলেন, নিহত সন্ত্রাসীদের মধ্যে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে এক হাজার ৫৭৯ জন এবং ইরাকের উত্তরাঞ্চলে এক হাজার ৪৯১ জন ছিলেন।
তিনি আরও জানান, সিরিয়া ও ইরাকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আকতুর্ক বলেন, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি গত বছর তুরস্কের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের কাছে ১০৭ জন সন্ত্রাসী আত্মসমর্পণ করেছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরাক ও সিরিয়ার বিভিন্ন অভিযানে সন্ত্রাসীদের বহু আস্তানা, অস্ত্রের ভাণ্ডার, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
আকতুর্ক বলেন, “সন্ত্রাসীদের সম্পূর্ণ নির্মূল না করা পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এই লড়াই কোনোভাবেই থামবে না।”
মন্তব্য করুন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার আলাস্কায় এক গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৮ মিনিটে অ্যানকোরেজে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রায় ৩ ঘণ্টা কথা হয় তাদের মধ্যে।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তাদের বৈঠক ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ হয়েছে। তবে এখনো কিছু বিষয়ের মীমাংসা বাকি রয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে অগ্রগতি অর্জনের জন্য আমাদের খুব ভালো সুযোগ রয়েছে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে কথা বলবেন। চুক্তি ‘শেষ পর্যন্ত’ তাদের ওপর নির্ভর করবে এবং তাঁদের সম্মত হতে হবে।
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি নেই উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু আমরা শেষ পর্যায়ে পৌঁছাইনি।’
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়েও তিনিও ‘আন্তরিকভাবে আগ্রহী’। এই যুদ্ধকে ‘ট্রাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধের জন্য এই যুদ্ধের ‘মূল কারণগুলো’ নিরসন করতে হবে।
বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রে ইউক্রেন সংঘাত ছিল জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘একটি স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য আমাদের এই সংঘাতের মূল কারণগুলো নির্মূল করতে হবে।’ তবে মূল কারণগুলো বলতে কী বুঝিয়েছেন, তার বিস্তারিত তিনি উল্লেখ করেননি।
ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ইউক্রেনীয় ও ইউরোপীয়রা শান্তিপ্রক্রিয়ায় বাধা না দেওয়ার পথ বেছে নেবেন বলে আশা করছেন তিনি।
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘শুভ কামনার স্বর প্রকাশের জন্য আমি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, উভয়পক্ষকেই ফলাফলের দিকে নজর দিতে হবে।
পুতিন আরও বলেন, ‘ট্রাম্প স্পষ্টত তার দেশের সমৃদ্ধির বিষয়ে মনোযোগী। তবে তিনি এটাও বুঝেছেন, রাশিয়ারও নিজের স্বার্থ রয়েছে।’
পুতিন জানান, বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল ইউক্রেন সংঘাত। তিনি বলেন, ‘একটি স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য আমাদের এই সংঘাতের মূল কারণগুলো নিরসন করতে হবে।’ তবে মূল কারণগুলো কী বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করেননি তিনি।
রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তিনি আশা করছেন ইউক্রেনীয় ও ইউরোপীয়রা শান্তিপ্রক্রিয়ায় বাধা না দেওয়ার পথ বেছে নেবেন। তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান শুভ কামনার জন্য এবং উল্লেখ করেন, উভয়পক্ষকেই ফলাফলকেন্দ্রিক হওয়া উচিত।
সূত্র: বিবিসি
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের প্রায় ছয় কোটি মানুষ তুষারঝড়, তুষারসহ বৃষ্টি এবং তীব্র ঠাণ্ডার কবলে পড়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত সাতটি অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে উড়োজাহাজ চলাচলও।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি অঙ্গরাজ্যটির কয়েকটি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এর আগে কানসাস, মিজৌরি, কেন্টাকি, ভার্জিনিয়া, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া এবং আরকানসাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
তুষারঝড়টি এখন মধ্য আটলান্টিক অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার ওয়াশিংটনে ভারী তুষারপাত হতে পারে।
কানসাস ও মিজৌরির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সড়কগুলো তুষারের চাদরে ঢেকে গেছে। জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া দক্ষিণের ওহাইও থেকে ওয়াশিংটন পর্যন্ত এলাকায় ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার তুষারপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিনসিনাটি, ওয়াশিংটন এবং ফিলাডেলফিয়ায় তুষারঝড়ের কারণে আজ কয়েক'শ বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
উড়োজাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটএওয়ার জানিয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার ৫০০ উড়োজাহাজের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া এক দিনে আরও ৫ হাজারের বেশি উড়োজাহাজের যাত্রায় বিলম্ব হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে আসা জেজু এয়ারের একটি বিমান অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটিতে মোট ১৮১ জন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে ১৭৫ জন যাত্রী এবং ছয়জন ক্রু সদস্য। এখন পর্যন্ত দু'জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দক্ষিণ জিয়ুল্লা প্রদেশের ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তর জানিয়েছে, উদ্ধার কাজ চলছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, থাইল্যান্ড থেকে আসা বিমানটি মুয়ান বিমানবন্দরে অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। জেজু এয়ারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছেন।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মু উদ্ধার অভিযানের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
তিনদিনব্যাপী জি-৭ সম্মেলনে ইতালিতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী সাত দেশ। শুক্রবার জোটটির নেতারা ইরানকে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। সেইসঙ্গে জোটটি জানিয়েছে, তেহরান যদি রাশিয়ার কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হস্তান্তর করে তবে জি-৭ ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা তেহরানকে পরমাণু উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ ও প্রত্যাহার করার এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান তার ফোরদো সাইটে অতিরিক্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করেছে এবং অন্যান্য সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন শুরু করেছে। দেশটি এখন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে।
জি-৭ জানিয়েছে, ইরানকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। তবে ইরান অনেক আগে থেকেই বলছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে।
জোটটির দাবি, রাশিয়ায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করেছে ইরান। এ বিষয়ে সতর্ক করে জি-৭ বলছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তা করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণ কী- এখন এমন প্রশ্ন সবার মনে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে হঠাৎই তীব্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী। আফগান তালেবান যোদ্ধাদের হামলার পর পাকিস্তানি সেনারা পাল্টা গোলাবর্ষণ শুরু করলে সীমান্তজুড়ে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে।
এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে চলতি সপ্তাহে কাবুলে পাকিস্তানের কথিত বিমান হামলার পর। এটি নিয়ে দুই দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে।
তালেবান কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তারা হেলমান্দ প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে পাকিস্তানের অন্তত দুটি সীমান্তচৌকি দখল করেছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফগান বাহিনীর হামলার জবাবে তারা ভারী অস্ত্রে পাল্টা গুলি চালিয়েছেন। ‘শনিবার রাতে তালেবান বাহিনী একাধিক সীমান্তপয়েন্টে গুলি চালায়। আমরা চারটি স্থানে আর্টিলারি দিয়ে জবাব দিয়েছি,’ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের ভূখণ্ডে আফগান তালেবানের আগ্রাসন বরদাশত করব না। পাকিস্তানি সেনারা ভারী গোলাবর্ষণের মাধ্যমে আফগান সীমান্ত পোস্টগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আর্টিলারি, ট্যাংক, হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সামরিক সূত্র।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার আফগান রাজধানী কাবুলে দুটি ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পাকিস্তানকে এই হামলার জন্য দায়ী করে বলে, ‘এটি আফগান সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।’
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
মন্তব্য করুন


ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ইসরায়েলের আদালতে বিচার চলছে। এসব অভিযোগ থেকে রেহাই পেতেই এই ক্ষমার আবেদন করলেন তিনি। খবর বিবিসির।
প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, হারজগ এই ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মতামত নেবেন। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হওয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পক্ষে প্রেসিডেন্ট। নেতানিয়াহু অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে বলেছেন, চাইলে বিচার প্রক্রিয়ার শেষ পর্যন্ত যেতে পারতেন, তবে ‘জাতীয় স্বার্থের’ বিবেচনায় ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি।
এই মাসের শুরুর দিকে নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করে দেয়ার জন্য ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট হারজগকে অনুরোধ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে সময় হারজগ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ক্ষমার জন্য তার কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিতে হবে।
রোববার প্রেসিডেন্টের দপ্তর নেতানিয়াহু স্বাক্ষরিত ক্ষমার আবেদনের চিঠি প্রকাশ করেছে। তবে হারজগ এ বিষয়ে কবে নাগাদ সিদ্ধান্ত জানাবেন সে সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় কাঠগড়ায় দাঁড়ানো প্রথম ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ২০২০ সালে তার বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ ওঠে। প্রথম মামলায় প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেন, তিনি প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের উপঢৌকনের বিনিময়ে সুবিধা প্রদান করেছেন।
দ্বিতীয় মামলায় অভিযোগ, একটি ইসরায়েলি পত্রিকার প্রচার বাড়াতে সহায়তা করেছেন তিনি। বিনিময়ে নিজের ইতিবাচক সংবাদ কাভারেজ পাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তৃতীয় মামলায় বলা হয়, একটি টেলিকম কোম্পানির মালিকের পক্ষে যায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখান তিনি। এর বিনিময়ে একটি সংবাদবিষয়ক ওয়েবসাইটে ইতিবাচক কাভারেজ পান।
নেতানিয়াহু সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘উইচ-হান্ট’ আখ্যা দিয়েছেন।
ইসরায়েলের বেসিক ল অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ‘দোষী ব্যক্তিকে ক্ষমা করা বা তার শাস্তি কমানো কিংবা পরিবর্তন করার ক্ষমতা’ রাখেন। তবে ইসরায়েলের হাইকোর্ট আগে রায় দিয়েছে, জনস্বার্থে বা ব্যক্তিগত পরিস্থিতি চরম হলে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেও কাউকে ক্ষমা করা যেতে পারে।
মন্তব্য করুন