

দেশের
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চুয়াডাঙ্গা ও সিরাজগঞ্জে। এই ২ জেলায় আজ তাপমাত্রা
৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।
মঙ্গলবার
(২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে।
আজ
মঙ্গলবার শৈত্যপ্রবাহের কারণে চুয়াডাঙ্গা জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও
উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণি কার্যক্রম, ক্লাস, পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তবিবুর রহমান জানান, তীব্র শীতের কারণে সারা দেশে প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের ক্লাসের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে সারা দেশে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০টায়। যেসব জেলায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামবে,
সেসব জেলার বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনাও বহাল রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার
আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অর্থাৎ ১০ ডিগ্রির কম। সে অনুযায়ী
প্রাথমিকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এখন থেকে যেদিন এ জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কম থাকবে সেদিনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে
বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দ্বিতীয় দিনে মাঝারি শৈত্য প্রবাহে রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার
(২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে
সিরাজগঞ্জের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামায় সোমবার দুপুরের দিকে জেলার
মোট ৩৮৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৯২টি মাদরাসা ও ১৬৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
করা হয়েছে।
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আব্দুর রহমান বলেন, এ জেলার ১৬৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়
বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে যুদ্ধের জেরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রটি এবার বাতিল করা হয়েছে।
ওই কেন্দ্রে যাদের এসএসসি পরীক্ষায় বসার কথা ছিল তাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে ১ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফাইল ইসলাম ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত পরির্দশন শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এ এম এম মুজিবুর রহমান সোমবার এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিয়ে বলেন, আমাদের একটি দল ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা পরীক্ষার ভেন্যু পরিবর্তন করেছি। নতুন দুটি ভেন্যু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। সেই অনুমোদন পাওয়ার পর বিকল্প ভেন্যু ঘোষণা করা হল।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মিয়নামারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকায় বিকল্প ভেন্যু করা হল।স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয় দুটিতে আসন বিন্যাস করবেন বলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান জানান।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। দেশের ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭০০টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নেবে।
ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৬১ জন। নতুন পরীক্ষা কেন্দ্র ১ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ধারণ ক্ষমতা ৪২৫ জন এবং ২ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ধারণ ক্ষমতা ২০০ জন।
গত দুই সপ্তাহ ধরে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে দেশটির সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের লড়াই চলছে । এই যুদ্ধের মধ্যে গুলি ও মর্টার শেল এপাড়ে এসে পড়ছে। এরকম ঘটনায় অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন কয়েকজন। এদিকে বিদ্রোহীরা সীমান্ত চৌকি দখল করে নেওয়ায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের সোয়া তিনশ সদস্য গত সপ্তাহে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে ঢোকে। তাদের একটি অংশকে নিরস্ত্র করে বিজিবি হেফাজতে ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের একটি ভবনে রাখা হয়।
এসব কারণে ওই বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় আর এ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিদল কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে বিকল্প কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ করেন।
মন্তব্য করুন


২০২৩ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে হতে পারে। শিক্ষা বোর্ডগুলো এই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ২৮, ২৯ এবং ৩১ জুলাই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ধরে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি চাওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন ২০২৩ইং) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার সংবাদ মাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি জানান, পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়ন প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন রেজাল্ট তৈরি করার অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা করছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডগুলো। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে ফল প্রকাশ করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব চাওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি পেলে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহের যেকোনো দিন ফল প্রকাশ করতে আমরা প্রস্তুত।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানায়, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী জুলাই মাসের ৩০ তারিখ সেই ৬০ দিন পূর্ণ হবে। শুক্রবার যেহেতু সরকারি ছুটি তাই এর আগে ২৮, ২৯ বা ৩১ জুলাই ফলাফল প্রকাশের অনুমতি চাওয়া হবে।
রীতি অনুসারে, ফল প্রকাশের দিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় অনুমতি চাওয়া হয়। তাই প্রধানমন্ত্রী সময় দেওয়ার ওপর নির্ভর করছে কোন দিন ফল প্রকাশ হবে।
গত (৩০ এপ্রিল ২০২৩ইং) থেকে শুরু হয় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। শেষ হয় (২৮ মে ২০২৩ইং)। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা কারিগরি বোর্ডের অধীনে ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
মন্তব্য করুন


আগামী শুক্রবার (২৮ জুলাই ২০২৩ইং) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
বুধবার (১৯ জুলাই ২০২৩ইং) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।
তিনি বলেন, আগামী ২৮ জুলাই এসএসসি ও সমমান ফল প্রকাশ করা হবে। এদিন ফল প্রকাশে সম্মতি মিলেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
মন্তব্য করুন


বর্তমান পরিস্থিতিতে চলমান এইচএসসি
ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে হবে, তা পরে
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান
তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, এসএসসির ফলাফলের সঙ্গে সমন্বয়
করে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দাবিতে সচিবলায়ে বিক্ষোভ করেন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা।
সকাল থেকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হন তারা। দুপুরের দিকে স্লোগান দিতে
দিতে সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
তারা জানান, বন্যা, কোটা সংস্কারসহ
নানা কারণে গত ৫ মাস ধরে পরীক্ষার মধ্যে আছেন। এ ছাড়া কোটা সমন্বয় ও সরকার পতনের এক
দফা আন্দোলনে অনেক পরীক্ষার্থী নিহত ও আহত হয়েছেন। অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি। এমন পরিস্থিতিতে
বারবার পরীক্ষার পেছানোর ফলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। তাই আহতদের রেখে
এ বছর আর পরীক্ষা দিতে চান না তারা।
এ ছাড়াও তাদের এসএসসি ফলাফলের সঙ্গে
সমন্বয় করে দ্রুত এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দাবিও জানান তারা।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ২০ হাজার ৪৫৭ জন, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উত্তীর্ণ নারী প্রার্থীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৬৬, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
যেভাবে জানা যাবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল :
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এই ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে আজকের ফলাফলবিষয়ক তথ্য পাওয়া যাবে ।
পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ক্ষুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেবে অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


আজ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে।
সকাল ৯টায় আবেদন কার্যক্রম শুরু হয় এবং আবেদন কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।
এনটিআরসিএর উপ-সচিব ওবায়দুর রহমান জানায় ,আবেদন করতে আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ৩৫ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। ৩৫ বছরের বেশি বয়সী কেউ আবেদন করতে পারবেন না।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, আগ্রহী প্রার্থীরা www.ntrca.gov.bd ও www.ntrca.teletalk.com এ ওয়েবসাইটে আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩ ধাপের বাছাইয়ের প্রথমেই দিতে হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের নির্ধারিত স্ব স্ব বিষয়ের ওপর পরীক্ষা দিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
প্রার্থীদের প্রথম ধাপে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ ধাপে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এতে পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন। ভুল উত্তর দিলে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত মোট নম্বর থেকে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ, স্থান ও সময়সূচি পরবর্তীতে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার সারাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছুটি আগামী শীতকালীন ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
১৯ জুলাই বুধবার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোরনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ ঘোষণা দেন।
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২০ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর সেটি এখন আর হচ্ছে না।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান এবং মূল্যায়ন শেষ করতে হবে। এছাড়া একই সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়গুলোর সব বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


সরকার এবার প্রথাগত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
আজ মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার মূল্যায়ন হবে ভিন্ন ধারায়। বিশেষ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে করোনা মহামারির কারণে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছিল। নতুন শিক্ষাক্রমেও বৃত্তি পরীক্ষা কথা বলা নেই। তবে গত বছরের শেষ দিকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।
এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদনের শুনানির জন্য ২ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত।
সোমবার (৩ মার্চ) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি সুপারিশপ্রাপ্ত এ শিক্ষকদের নিয়োগ বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
গত
বছরের ৩১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও
চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ
হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার পাস করেছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন শিক্ষার্থী। গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটি সব বোর্ডের ফলাফলের যে সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে তাতে দেখা যায়, গত বছর ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সেই হিসেবে পাসের হারও কিছুটা কমেছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯২ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় দেশের ১১ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ একসাথে অনলাইন, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে।
এবার ৯ হাজার ১৯৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন