

ট্রেনের পাওয়ার কার থেকে চুরি করে ডিজেল তেল বিক্রির সময় ২ জনকে আটক করেছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী রাজশাহীর গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা। এ সময় ৪৫ লিটার রেলওয়ের ডিজেল তেল জব্দ করা হয়।
৬ আগষ্ট রবিবার রাত আটটার দিকে রাজশাহী-ঈশ্বরদী রেলরুটের আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলার ছাকনী গ্রামের মৃত তাহের সরদারের ছেলে আন্তঃনগর কমিউটার এক্সপ্রেসের পাওয়ার কার ড্রাইভার (ইলেকট্রিক ফিটার) হেলাল উদ্দিন (৩৭) এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর পৌর এলাকার বিরোপাড়া গ্রামের মৃত আকিমুদ্দিনের ছেলে রোকনুজ্জামান রোকন (৪৫)।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) রাজশাহী গোয়েন্দা শাখার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) উজ্জল আলী জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী- ঈশ্বরদী রেলরুটের বিভিন্ন স্টেশনে অসাধু কিছু রেলওয়ে কর্মচারী ট্রেনের পাওয়ার কার থেকে চুরি করে গোপনে রেলওয়েতে ব্যবহৃত ডিজেল তেল বিক্রি করে আসছিল।
ঈশ্বরদী রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাজশাহী থেকে আসা ঈশ্বরদীগামী আন্তঃনগর কমিউটার এক্সপ্রেস ট্রেনের ৫৪১৮ নাম্বার পাওয়ার কার থেকে ৪৫ লিটার ডিজেল তেল চুরি করে বিক্রির সময় রেলওয়ে পাওয়ার কারের ড্রাইভারসহ ক্রেতাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তাদের নামে মামলা নথিভুক্ত করার পর রেলওয়ে জিআরপি থানায় সোপর্দ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
কুয়ালালামপুরের অদূরে কেলাং এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় ও ডিংকেল এবং সারওয়াক রাজ্যে
পৃথক দুর্ঘটনায় জমির শেখ, জাফর আলম ও ফজলুর রহমান নামে তিন প্রবাসী বাংলাদেশী নিহত
হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে জমির শেখের দেশের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরে এবং জাফর আলমের
বাড়ি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার হাজীরপাড়া ইউনিয়নের টাইংগাকাটা এলাকায়।
জানা
গেছে, জাফর আলম দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার কর্মরত
অবস্থায় ডিংকেল এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর
আহত হন তিনি। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে সহকর্মীরা জানান।
এদিকে,
শুক্রবার বিকেলে কেলাং মহাসড়কে একটি লরি যান্ত্রিক সমস্যার কারণে সড়কের মাঝখানে হঠাৎ
থেমে যায়। এরপর সেটিকে সহায়তা করতে আরও একটি লরি এবং একটি পিকআপ ভ্যান থেমে দাঁড়ায়।
ঠিক সেই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা আরেকটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা
দেয় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনগুলোকে। মুহূর্তেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ সংঘর্ষ।
এই
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক।
তিনি মালয়েশিয়ায় কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন বলে জানা গেছে। আরেকজন নিহত ব্যক্তি
ছিলেন স্থানীয় নাগরিক। এছাড়া আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ
ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতির কারণেই
এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে। নিহত প্রবাসী জমির শেখের দেশের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার
মহেশপুরে। এদিকে, সারাওয়াক প্রদেশের বিনতাংর এলাকার মেরাদং-এ লরির ধাক্কায় সেতু নির্মাণ
শ্রমিক মো. ফজলুর রহমান (৪০) নামে এক বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
মেরাডং
জেলা পুলিশ প্রধান, ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট তানস্লী মেরিং নিশ্চিত করেছেন যে, নিহত
মো. ফজলুর রহমান (৪০) মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই মারা যান। প্রাথমিক তদন্তে
জানা গেছে যে, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন লরিটি ঘটনাস্থলের
দিকে আসার সময় নিহত ব্যক্তি হঠাৎ রাস্তার বাম পাশ থেকে পার হচ্ছিলেন বলে ধারণা করা
হচ্ছে।
তিনি
বলেন, সেমপ থেকে সিবুর দিকে আসা লরির চালক দূরত্ব খুব কম থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য
যথেষ্ট সময় পাননি। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সারিকাই হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে এবং বাংলাদেশ দূতাবাসকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যশোর-খুলনা
মহাসড়কে তিনটি যানবাহনের সংঘর্ষে নারী, শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন গুরুতর
আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার
(২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার চাউলিয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে কাভার্ড ভ্যান,
ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন, যশোর সদর উপজেলার ঘুনি পূর্বপাড়ার মৃত হাসান আলী মোল্লার ছেলে ইজিবাইক চালক মোহাম্মদ
আইয়ুব আলী (৪৩), ঘোড়াগাছা সাহাপাড়া গ্রামের সুজন সাহার স্ত্রী বৃষ্টি সাহা (২৪), তার
চার বছরের সন্তান সৌভিক সাহা এবং চাউলিয়া গ্রামের মৃত কালু শেখের ছেলে আনোয়ার আলী
(৭০)।
পুলিশ
ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা থেকে যশোরমুখী একটি দ্রুতগামী কাভার্ডভ্যান চাউলিয়া
ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইক ও একটি ইঞ্জিনচালিত
ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কাভার্ড ভ্যানে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইক
চালক আইয়ুব আলী ও যাত্রী বৃষ্টি সাহা মারা যান।
দুর্ঘটনায়
গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় আনোয়ার আলী ও সৌভিক সাহার মৃত্যু হয়।
বর্তমানে
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তি হলেন, মণিরামপুর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের মশিয়ার
রহমানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৮)। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মৃত
আনোয়ারের ছেলে জামাল হোসেন জানান, তার বাবা ভ্যানে করে যাত্রী নিয়ে মহাসড়ক ধরে গন্তব্যে
যাচ্ছিলেন। পথে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়।
এতে তার বাবা মারা যান।
এদিকে,
দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা অবরোধ করে এবং কাভার্ডভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। কিছু সময়ের জন্য যশোর-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
হয়ে যায়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং
দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
যশোর
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার পর পরই কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে এবং এর চালককে
আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার ব্যাপারে
মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছে।
যশোর
জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. শাকিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের
জন্য লাশগুলো হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা
করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ
ব্যাপারে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি ফজলুল করিম জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ
করছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে উপনীত এবং ভোটার তালিকা তৈরি হলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনের ফাঁকে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচন, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশ করার জন্য তার অন্তর্বর্তী সরকার যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, সে সম্পর্কে কথা বলেন।
তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশ নিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য এবং ভোটার তালিকা শেষে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনভিত্তিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে ঢাকায় একটি দল পাঠিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভাকে বাংলাদেশের পূর্ববর্তী স্বৈরশাসন উৎখাত করা ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ব্রিফ করেন। তখন ক্রিস্টালিনা তাকে বলেন, এটি একটি ভিন্ন দেশ। এটি বাংলাদেশ ২.০।
আইএমএফের প্রধান নির্বাহী অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগে তার সমর্থন জানিয়ে বলেন, আইএমএফ বাংলাদেশ সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তা দ্রুততর করবে।
তিনি বলেন, তিনি বাংলাদেশে ‘দ্রুত’একটি আইএমএফ দল পাঠিয়েছেন এবং এ মুহূর্তে সেটি ঢাকায় অবস্থান করছে। দলটি আগামী মাসে আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জর্জিয়েভা বলেন, আইএমএফ বোর্ড টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ঋণদান কর্মসূচি শুরু করতে পারে, অথবা এটি গত বছরের শুরুর দিকে চালু হওয়া বিদ্যমান সহায়তা কর্মসূচির অধীনে আরও ঋণ দিতে পারে।
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পরিবহন উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা
ফাওজুল কবির খান আইএমএফপ্রধানকে বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র এক সপ্তাহ সময়ে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে
অপরাধের ‘দুর্গ’
গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
ড. দেবপ্রিয় দেশের অর্থ প্রদানের ভারসাম্য বাড়াতে আইএমএফের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বিনিময় হার স্থিতিশীল করতে আইএমএফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
চিঠিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করাসহ বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সমর্থন অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও জাতিসংঘের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
গত ৮ আগস্ট ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ১৬ আগস্ট ড. ইউনূসকে চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।
চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে আমার পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা। আমি বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। এই ক্রান্তিকালে সহিংসতার অবসান ঘটাতে, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে আপনার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমি আশা করি- আপনার সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পন্থা অবলম্বন করবে, যার মধ্যে তরুণ ও নারীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমি সব নাগরিক ও বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আস্থা রাখছি। আমি আপনাকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জোরালোভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, বিশেষ করে মিয়ানমারে অবনতিশীল পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে। বাংলাদেশ তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জাতিসংঘ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করে। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিতে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আজ (১৪ মার্চ) সকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
রাজধানীর তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস দুইজন কক্সবাজার সফরে যাবেন। সেখানে তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করার পাশাপাশি আরো কিছু কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)গত ৩১ মার্চ বেসরকারি
স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো
এ ধাপে এবার মোট ৯৬ হাজার ৭৩৬ পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে
স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩ হাজার ২৮৬ পদে এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৫৩ হাজার
৪৫০ পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আজ বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগের
আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন গ্রহণ চলবে ৯ মে পর্যন্ত। আর ১০ মে রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদনের
ফি দেওয়া যাবে।
অনলাইনে আবেদন ফি দেওয়া সংক্রান্ত নিয়ম টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড
এর http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে এবং এনটিআরসিএ এর www.ntrca.gov.bd ওয়েবসাইটে
স্বতন্ত্রভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারিকৃত
সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে। প্রার্থীকে কেবলমাত্র
তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে
পারবে।
কিন্তু আবেদনকারী মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে চূড়ান্ত সুপারিশ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে ৩৫ বছর বা
তার কম হতে হবে।
প্রত্যেক আবেদনকারী নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী একই পর্যায়ে (স্কুল/কলেজ) একটি মাত্র
আবেদন করতে পারবেন। একজন প্রার্থী শূন্য পদের তালিকা থেকে তার আবেদনে সর্বোচ্চ ৪০টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পছন্দ দিতে পারবেন। এই পছন্দ প্রদানের পর কোন প্রার্থী যদি তার
পছন্দ বহির্ভূত দেশের যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে ইচ্ছুক হন তবে তাকে
e-Application ফরমে প্রদর্শিত Other Option নামক বক্সে Yes Click করতে হবে। যদি ইচ্ছুক
না হন তবে No Click করতে হবে।
কোনো প্রার্থীর যদি স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়ের সনদ থাকে এবং তিনি যদি উভয়
পর্যায়ের পদে আবেদন করেন তবে প্রথমে তাকে কলেজ পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে। কলেজ পর্যায়ে
নির্বাচিত না হলে স্কুল পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে। কলেজ পর্যায়ে নির্বাচিত হলে স্কুল
পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে না।
সব আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে নির্ধারিত এক হাজার টাকা ফি প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত
ফি পরিশোধ না করলে আবেদনটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
তবে যারা একবার ইতিমধ্যে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তারা পরবর্তীতে আর দেশের কোন
স্কুলে (এমপিওভুক্ত/ইনডেক্সধারী) সমপদে আবেদন করার সুযোগ পাবেন না।
তবে স্কুল পর্যায়ে যদি কোনো নিবন্ধন সনদধারী (এমপিওভুক্ত/ইনডেক্সধারী) প্রাপ্ত
প্রার্থীর কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ থাকে এবং তিনি যদি কলেজ পর্যায়ে এমপিওভুক্ত
না হন তবে তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত কলেজ পর্যায়ের পদে ও প্রতিষ্ঠানে আবেদন
করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল
কোঅপারেশন অনকোলজির (এসএফও) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকায়
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন তিনি।
এ সময় তিনি সার্ক ফেডারেশন অব অনকোলজিস্টসের (এসএফও) প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. এবিএমএফ
করিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের অভিজ্ঞতার কথা
উল্লেখ করেন।
এ সময় নিজের ছোটভাই বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক,
সমালোচক ও খ্যাতনামা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে স্মরণ করেন অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভাইয়ের ক্যান্সার শনাক্ত ও চিকিৎসার সময় তাঁর পুরো পরিবারকে কী
ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল সেসব অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি। সেসময় ডা. করিম কীভাবে
তাঁর চিকিৎসায় সাহায্য করেছিলেন সে কথা উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ক্যানসার চিকিৎসায় যে প্রযুক্তিগত
সহায়তা প্রয়োজন, তা এখনো আমরা পাচ্ছি না। সার্ক যে ক্যান্সার চিকিৎসাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব
দিচ্ছে এটা অত্যন্ত জরুরি ও অনুপ্রেরণামূলক।
দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলো সার্ককে সক্রিয়
করে তোলার মধ্য দিয়ে লাভবান হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সার্ক আমার কাছে
বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই সার্ককে সক্রিয়
করার বিষয়ে বলেছি। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার কিছু ইস্যুর জন্য সার্ক সক্রিয় হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, আমি মনে করি, দুটি দেশের
মধ্যেকার সমস্যা অন্য দেশগুলোকে প্রভাবিত করা উচিত না। প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার নেতারা
যদি সাক্ষাৎ করেন, একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন তাহলে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা যায় যে
আমরা একসঙ্গে আছি। এটা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে বিশ্বের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন
করবে এবং এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।’
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজকের কনফারেন্সের
মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে সার্ক সক্রিয় করতে আবারও আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় এক গৃহবধু সীমান্তের কাঁটাতারের
বেড়া পেরিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। স্বামী-সন্তান ছেড়ে প্রেমিককে
বিয়ে করে সংসার বাধার উদ্দেশে বাংলাদেশে আসে ঘর বাঁধার জন্য। কিন্তু তাদের সে আশা
পূরণ করতে দেয়নি বিজিব'র সদস্যরা।
দালালের মাধ্যমে সীমান্তের কাঁটাতারের
বেড়া পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় প্রেমিকের সহযোগীসহ বিজিবির সদস্যদের হাতে আটক
হয়েছেন ভারতীয় ওই গৃহবধু।
রবিবার ( ১৯ জানুয়ারী ) বিকালে কুড়িগ্রামের
ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাতাড়ী সীমান্তের ৯৩৩ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা
পিলারের পাশে বালাতাড়ী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধীন
বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশী সহযোগী সহ আটক দুই ভারতীয়
নাগরিককে ফুলবাড়ী থানায় সোপর্দ করেছেন।
আটককৃতরা হলেন, ভারতের পুর্ব বর্ধমান
জেলার নাদনঘাট থানার ধামাই গ্রামের বাবর আলী মন্ডলের মেয়ে এক সন্তানের জননী রেশমা মন্ডল
(২৮), দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার উশতি থানার গড়খালী গ্রামের দেবকুমার সাপুইয়ের ছেলে
সৌরভ কুমার সাপুই (১৮) এবং সহযোগী কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কাশিরডারা গ্রামের
বাচ্চু মিয়ার ছেলে ইউসুফ আলী (২২)।
এ প্রঙ্গসে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, সন্ধ্যায় বিজিবি ভারতীয় এক নারী, এক যুবক ও তাদের সহযোগী
এক বাংলাদেশীসহ তিনজনকে থানায় সোপর্দ করেছে। এ ব্যাপারে বিজিবি বাদী হয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ
আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর
রশীদ জানান, সন্ধ্যায় বিজিবি ভারতীয় এক নারী, এক যুবক ও তাদের সহযোগী এক বাংলাদেশী
সহ তিনজনকে থানায় সোপর্দ করেছে। এ ব্যাপারে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি
চলছে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশের সব মানুষ একই পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে বিমানবন্দরে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তখন বলেছিলাম আমরা একটা পরিবার। আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। আমাদের শত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম, আমরা একই পরিবারের সদস্য।
তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সকলের সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে।
তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম, এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম, একটু তো কাজ করেছি।
ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা, হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, এটা হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। এক খবরে বলা হচ্ছে, আরেক খবরে বলা হচ্ছে হচ্ছে না, তথ্যের মধ্যে ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নাই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে, তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সেখানে সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানার। প্রকৃত তথ্য, অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কর্তা যা চায়, সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি, তা দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।
তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো গোলমাল নেই। তথ্য প্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব, যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম তা নয়। এটা দ্রুত করতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দেখলে হবে না, আমাদের বর্তমানেই করতে যেতে হবে।
সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায়, সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে সংগ্রহ করব, যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন