

বিনোদন ডেস্ক:
বর্তমানে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তার অভিনয় প্রতিভা নিয়ে সবাই প্রশংসায় পঞ্চমুখ। একের পর এক ছবি বক্স অফিসে হিট। পেয়েছেন একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। বলিউড পাড়ায় কেউ কেউ তার প্রশংসায় বলে থাকেন ‘বিউটি ইউথ ব্রেইন’।
তবে অসাধারণ প্রতিভাবান এই অভিনেত্রী এক জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত। সে জন্য চিকিৎসাও চলে তার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের রোগের কথা প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী নিজেই।
আলিয়া জানান, তিনি ‘এডিএইচডি’ (অ্যাটেনশন ডেফিশিট/হাইপার অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার) রোগে আক্রান্ত।
এই রোগের অন্যতম লক্ষণ হল মানসিক চাঞ্চল্য, অস্থির ভাব ও অতিরিক্ত উত্তেজনা। কোনো কিছুতে মনযোগ দিতে বেগ পেতে হয়।
আলিয়া জানান, কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তিনিও এই রোগের শিকার। শৈশবে এই রোগের জন্য সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে পঠনপাঠনের ক্ষেত্রেও। ক্লাস চলাকালীন প্রায়ই অন্য মনস্ক হয়ে পড়তেন আলিয়া। বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে বলতেও মনঃসংযোগ হারিয়ে ফেলতেন। তার বন্ধুরা বিষয়টা লক্ষ করেছিলেন। কিন্তু কেন এমন হয়, বুঝতে পারতেন না আলিয়া।
তবে ক্যামেরার সামনে যখন অভিনয় করেন তখন এই সমস্যাটা তার হয় না। তখন মনযোগ অক্ষত থাকে। মস্তিষ্কও শান্ত থাকে। বর্তমানে একমাত্র কন্যা রাহার সঙ্গে সময় কাটানোর সময়ও কোনো অসুবিধা হয় না। তার মন স্থির থাকে। নিজের অভিনয়ের কাজ ও মেয়ের সঙ্গ —এই দুই সময় মন সবচেয়ে শান্ত থাকে বলে নিজেই জানিয়েছেন আলিয়া।
এমনকি বিয়ের দিন সাজগোজের জন্যও স্থির হয়ে বসে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আলিয়া। রূপটানশিল্পী পুনীত বি সইনি তার থেকে দু’ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু এতটা সময় টানা বসে থাকতে পারবেন না বলে জানান তিনি। তার চেয়ে নিজের মতো বসে বিশ্রাম করতে চেয়েছিলেন আলিয়া।
উল্লেখ্য, বর্তমানে তিনি আলিয়া তার ছবি ‘জিগরা’ নিয়ে ব্যস্ত। বরাবরের মতোই অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। আলিয়ার ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বেদাঙ্গ রায়না।
মন্তব্য করুন


শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


ছোটবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ অভিনেত্রী জামিলা জামিল। এরপর থেকে তার ভেতর সব সময় একধরনের ট্রমা কাজ করে। এড়িয়ে চলেন রগরগে দৃশ্যে অভিনয়, এমনকী কোনো ছবিতে এমন দৃশ্য থাকলে তা দেখেনও না তিনি। আর এ কারণেই নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘ইউ’-এর অডিশন থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি ‘দ্য গুড প্লেস’ খ্যাত তারকা পডক্রাশড পডকাস্টে তার নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন। জামিলা বলেন, “নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'ইউ'-এর চতুর্থ সিজনের জন্য আমার অডিশন দেওয়ার কথা ছিল। তবে যখন জানতে পারি এই চরিত্রটি বেশ সেক্সি, তখনই আমি অডিশন থেকে সরে আসার কথা জানিয়ে দিই। কারণ, এ ধরনের যৌন দৃশ্যে আমি স্বচ্ছন্দ নই।’ যদিও ঠিক কোন দৃশ্যের জন্য তিনি অডিশন দিচ্ছিলেন, তা প্রকাশ্যে আনেননি জামিলা জামিল।
কেন যৌন দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন, তার অন্যতম কারণ হিসাবে শৈশবের 'ট্রমা' (মানসিক আঘাত), শৈশবের যৌন নির্যাতনের কথা সামনে এনেছেন জামিলা জামিল। অভিনেত্রী জানান, তার শৈশব ভীষণই কঠিন, নোংরা ছিল। শৈশবে তার ওপর চলা যৌন নির্যতনের কথা তিনি ভুলতে পারেননি, সেগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আর তারই ফলস্বরূপ তিনি নিজের জন্য এই নিয়ম তৈরি করেছেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কখনো কোনো যৌন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না।
তার কথায়, ‘অন্য অভিনেতাদের কাছে যৌনদৃশ্য যেমন, আমার কাছে এটা ঠিক তেমন নয়। এমনকী ছবিতে কোনো যৌন দৃশ্য থাকলে সেটা আমি দেখি না, এড়িয়ে যাই।’
জামিলা জামিল জানান, তিনি ‘ইউ’-এর নির্মাতাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি যৌন দৃশ্য ছাড়া সিরিজে অন্য কোনো চরিত্রে তাকে প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে তারা ডাকতে পারেন।
‘সি-হাল্ক’ অভিনেত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা লজ্জার কিছু নয়। তবে আমি অনুভব করি যে এটির চারপাশে একটি বিশ্রীতা রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত মে মাসে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। সে সময় তাকে গ্রেপ্তার করায় শিল্পাঙ্গনের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন, সেই সঙ্গে ক্ষোভও। এর দুই দিন পর কারামুক্ত হন ফারিয়া।
কারাগার থেকে বেরিয়ে তার পাশে থাকার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সেই সঙ্গে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, গত কয়েক দিন ছিল তার জীবনের সবচেয়ে দুঃসহ ও সংবেদনশীল সময়।
এর মধ্যে কেটে গেছে প্রায় চার মাস। সে বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলেননি ফারিয়া। হত্যা মামলায় জামিনের দীর্ঘদিন পর গ্রেপ্তার ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
নিউইয়র্ক থেকে প্রচারিত বাংলা ভাষাভাষীদের গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র বিশেষ শো ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।
গ্রেপ্তার ইস্যুতে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এ রকম কিছু হবে আশা করিনি। কখনো দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। যার জীবন স্কিন কেয়ার, মেকআপ, একটু ঘোরাফেরা, শপিং করা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ভালো খেতে যাওয়া, এই ছোট ছোট জিনিস নিয়ে যে খুশি তার জীবনে এত জটিলতা! কী করব না করব এগুলো নিয়ে যখন চিন্তা করতে হয় তখন ভীষণ হতাশ হই।
এরপর ফারিয়া বলেন, আমি মনে করি, এটাকেই বড় হওয়া বলে। পরিস্থিতি মানুষকে বড় করে। আমার মনে হয় পুরো ঘটনাতে আমি অবশ্যই মানসিকভাবে বড় হয়েছি। এবং ওইটার (গ্রেপ্তার) পর এটা আমার প্রথম সাক্ষাৎকার। আমি কোথাও কথা বলিনি। এমন না যে আমি কথা বলতে চাইনি। আমি এখনো কথার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত নই।
অভিনেত্রী আরো বলেন, আমি মনে করি, আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে, সেটা অন্য কারো সঙ্গে হতে পারত। অনেকের সঙ্গেই হয়তো বা হচ্ছে, হবে। আমি এ বিষয়ে জানি না। তবে আমি ভাগ্যবান। আমার কাজের মাধ্যমে গোটা দেশের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। যাদের দোয়া ভালোবাসার কারণে আমি আজকে আপনার (জায়েদ খান) সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন তাদের সবার দোয়া এবং ভালোবাসার কারণে কঠিন সময় পার করতে পেরেছি।
হত্যা মামলায় জামিনের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লাইট ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগতে নুসরাত। অভিনেত্রীর কথায়, তার (গ্রেপ্তার) ঠিক ১০-১৫ দিন পর থেকে আমি আবার কাজ করা শুরু করেছি। তবে পুরো ঘটনাটা আমাকে একটা জিনিস শিখিয়ে দিয়েছে, কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। জীবন খুবই অস্থায়ী, অনিশ্চয়তা ভরা। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। এ জন্য নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি থাকতে হবে। তুমি যদি সৎ থাকো তাহলে পৃথিবীর কোনো খারাপ শক্তি তোমাকে আটকে রাখতে পারবে না। তোমাকে বিপদের সম্মুখীন করবে কিন্তু সেই বিপদ থেকে সৃষ্টিকর্তা নিজেই তোমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসবেন। এটা আমার জীবন থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
সব শেষে দর্শক, সংবাদিক এবং শোবিজের সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। নুসরাতের কথায়, আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ কারণ, তারা যেভাবে একসাথে হয়ে আমার জন্য কথা বলেছেন। আমার মিডিয়ার সহকর্মীরা, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা, জন্মের পর থেকে এখন অবধি যাদের চিনি প্রত্যেকটা মানুষ আমার জন্য কথা বলেছেন, কেঁদেছেন। শিল্পী নুসরাত ফারিয়া হিসেবে আমার মনে হয় না এর থেকে বড় অর্জন পাওয়ার আছে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বিশ্বজুড়ে শিশুদের উপর হামলা কেনো? এমন প্রশ্ন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সিনের মতামত জানিয়ে লিখেছেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছা-দূত ও জনপ্রিয় বলিউড-হলিউড নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
রিয়াসির জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভীণষ মর্মাহত এ নায়িকা। প্রিয়াঙ্কা প্রশ্ন তুলছেন কেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ঘৃণার ঘটনায় বার বার বলি হতে হবে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের?
বোববার জম্মু-কাশ্মীরে আবারও একবার ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দিন রিয়াসির দিক থেকে জম্মুর কাটরায় বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল পুণ্যার্থীদের একটি বাস। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেই বাসেই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে মৃত্যু হয় ১০ জনের, ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীই এ হামলার পিছনে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি শেয়ার করে করেছেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বিধ্বস্ত আমি। নিরপরাধ তীর্থযাত্রীদের উপর জঘন্য হামলা চালানো হয়েছে। কেনো সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের উপর এই হামলা? সারাবিশ্বে যেভাবে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তা আমার বোধগম্যতার বাইরে।’
তবে এ প্রথম নয়। বিশ্বজুড়ে চলা সন্ত্রাসের বিপক্ষে বার বার নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। এরই মধ্যে প্রিয়াঙ্কা ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
রাফায় ইসরায়েলি হামলার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন। এর আগে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের সময়ও প্রিয়াঙ্কাকে দেখা গেঠে পোল্যান্ডে গিয়ে উদ্বাস্তু পরিবারের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে।
সেবারও শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এ নায়িকা। সাবেক বিশ্বসুন্দরী এবং অভিনেত্রী দীর্ঘ দিন ধরেই ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৬ সাল থেকে তিনি শুভেচ্ছা-দূত হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
দেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকসহ আটটি দিবস বাতিল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এমন খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্মাতা ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসাবে বাতিল করা হলো আজ! আমি মেহের আফরোজ শাওন, বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে অন্তবর্তীকালীন সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করলাম। ’
শাওন তার স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন, ‘কিছুদিন পর দেখা যাবে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বাদ, নতুন স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ৩৬ জুলাই পালিত হবে হয়তো!’
এরপর নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দালাল উল্লেখ করে শাওন লেখেন, ৭ মার্চের পক্ষে বলার জন্য যদি আমাকে ‘দালাল’ উপাধি পেতে হয় তবে আমি দালাল। আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দালাল, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দালাল।
প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানানো হয়– ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল হচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে উপদেষ্টা পরিষদ এসব জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৭ অক্টোবর তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বলিউডের প্রথম সারির পরিচালকদের মধ্যে যাঁর নাম দর্শক ও সমালোচকদের কাছে সমাদৃত, তিনি হচ্ছেন অনুরাগ কাশ্যপ। এই মায়ানগরীকে বিদায় জানাচ্ছেন এ স্বনামধন্য পরিচালক। হঠাৎ এ সিদ্ধান্ত নিলেন কেন তিনি? কারণ বলিউড নিয়ে তিনি নাকি মহাবিরক্ত। সন্তোষজনকভাবে কাজ করতে পারছেন না- এমন অভিযোগই করলেন অনুরাগ কাশ্যপ।
তিনি বলেন, বর্তমানে চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন অপেক্ষা ছবির বাণিজ্যিক দিকে বেশি মনোনিবেশ করা হয়। ছবির কাজ শুরুর আগেই স্থির হয়ে যাচ্ছে কীভাবে প্রচার করা হবে, লাভের অঙ্কের পরিমাণ কত হতে পারে ইত্যাদি। এ বিষয়টি নিয়েই তিনি হতাশ। অনুরাগ এমন জায়গায় ছবি বানাতে চান, যেখানে উদ্দীপনা থাকবে। তাই তিনি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে পাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান।
পরিচালক বলেন, যে যে ছবি ইতোমধ্যে তৈরি রয়েছে, সেগুলোর রিমেক করা হচ্ছে। এই মানসিকতাতেই আমার সমস্যা। এ ছাড়া নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি করছে ‘কাস্টিং এজেন্সি’। ভালো অভিনেতা হওয়ার প্রচেষ্টা নয়, বরং রাতারাতি তারকা হওয়ার পেছনে ছুটছেন তারা। তাতে আখেরে কারও লাভ হচ্ছে না, বরং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছবি। তিনি বলেন, অভিনয়ের ওয়ার্কশপে নয়, শুধুই জিমে পাঠানো হচ্ছে তাদের। আদ্যপান্ত গ্ল্যামারকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
অনুরাগ বলেন, তাদের এমনভাবে মগজ ধোলাই করা হচ্ছে, তারা অভিনয়ে দক্ষতা চেয়ে প্রচারের আলোয় বেশি আকৃষ্ট হচ্ছেন। ছবি নির্মাতাদের সঙ্গে অভিনেতাদের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে এবং এর জন্য দায়ী একমাত্র ‘কাস্টিং এজেন্সি’। নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মাধ্যমে শুধুই অর্থ উপার্জন তাদের লক্ষ্য, নতুন অভিনেতা তৈরির দিকে তাদের নজর নেই বলেও জানান পরিচালক।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউডের জনপ্রিয় দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সম্পর্ক নিয়ে চলছে নানা ধরনের গুঞ্জন। বলা চলে প্রতিদিনই তাদের সম্পর্কের নতুন নতুন খবর সামনে আসছে। এতদিন বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন শোনা গেলেও অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া এই বিষয়ে কখনোই কিছু বলেননি। তবে এবার সেই গুঞ্জনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে একটি ভিডিও। ভিডিওটি দেখে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন, ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ হতে চলেছে!
কিছুদিন আগে দুবাইয়ে নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি আলোচনাসভায় অংশ নিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। ওই মঞ্চে ওঠার পর পর্দায় তার নাম দেখা যায়, যেখানে ‘ঐশ্বরিয়া রাই’ লেখা ছিল, কিন্তু ‘বচ্চন’ পদবি সেখানে ছিল না। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর ডিভোর্সের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
তবে আসলে ঐশ্বরিয়া এখনও অফিশিয়ালি ‘রাই বচ্চন’ নামেই পরিচিত। তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলেও এটা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। জানা গেছে, দুবাইয়ের ওই অনুষ্ঠানে নারীর স্বাধীনতা ও নারী শক্তির ওপর আলোচনা হচ্ছিল, আর এজন্য আয়োজকরা ঐশ্বরিয়ার নামের পাশে তার জন্মনাম ‘রাই’ ব্যবহার করেছেন, যেখানে স্বামীর পদবি ‘বচ্চন’ ব্যবহার করেননি।
এটি ছিল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস উপলক্ষে একটি ভিডিও। ঐশ্বরিয়া এই ভিডিওটি একটি জনপ্রিয় প্রসাধনী সংস্থার হয়ে তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি সব নারীদের মাথা উঁচু করে বাঁচার এবং নিজের মর্যাদা নিয়ে জীবনের পথে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, “নিজের মর্যাদার সঙ্গে কখনো আপস করবেন না।”
এদিকে, কখনো ডিভোর্সের গুঞ্জন, কখনো দূরত্ব বাড়ানোর খবর, আবার কখনো বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণে তিক্ততার শোনা যাচ্ছে। এমনকি শোনা যাচ্ছে যে, ঐশ্বরিয়া এখন শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে তার মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে নিজের পিতৃবাড়িতে অবস্থান করছেন। তার শাশুড়ি জয়া বচ্চন ও ননদ শ্বেতা নন্দার সঙ্গে নাকি তার সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


পরিচালনায় নাম লিখিয়েছেন বলিউড কিং শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান। তিনি নতুন সিরিজ ‘বলিউড দ্য বা**ডস’ নিয়ে আসছেন। গত সোমবার ‘নেক্সট অন নেটফ্লিক্স’ ইভেন্টে চলতি বছরে মুক্তি পেতে যাওয়া সিরিজগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়। সেই তালিকায় আরিয়ান খানের এই নতুন সিরিজটির নামও রয়েছে।
আরিয়ানের ‘বলিউড দ্য বা**ডস’ সিরিজটিতে প্রযোজনা ও অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান নিজেই। অভিনেতা ও প্রযোজক হিসেবে ছেলের পরিচালনায় কাজ করতে গিয়ে কতটা চাপ অনুভব করেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে শাহরুখ তার নিজস্ব স্টাইলে বললেন, ‘অন্য সবাই কাজ করে, আমি শুধু নামেই প্রযোজক। এসব প্রযোজক, পরিচালক, লেখক—এরা আমার পোষাবে না… আই অ্যাম আ ব্লাডি স্টার। আমি পেছনে থেকে মিউজিক বাজাই। প্রযোজকদের সঙ্গে এসব কিছুই হয় না।’ শাহরুখের এই মজাদার উত্তরে উপস্থিত সবাই হাততালি দেন।
নেটফ্লিক্স এবং রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট গত নভেম্বরে এই সিরিজটি ঘোষণা করেছিল। শাহরুখ খান ছাড়াও এই ৬ পর্বের সিরিজে সালমান খান, রণবীর কাপুর, বাদশা এবং ববি দেওলের ক্যামিও দেখা যাবে। গত বছরের মে মাসে সিরিজটির শুটিং শেষ করেছিলেন আরিয়ান। আর গত সোমবারই ‘বলিউড দ্য বা**ডস’ এর প্রথম টিজার প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


মানুষ বড় হয়ে শৈশবে ফিরে যেতে চায়। শৈশবের তোলা ছবি সাামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে বর্তমানের সঙ্গে মিল খোঁজার চেষ্টা করেন অনেকেই। সম্প্রতি ভারতের এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী তার শৈশবের একিটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। কে এই অভিনেত্রী? চলুন জেনে নিই─
থ্রোব্যাক ছবির সুন্দর ছোট্ট মেয়েটি বড় হয়ে এখন অভিনেত্রী আদাহ শর্মা। আসলে এই মেয়েটি আর কেউ নয়, ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ নায়িকা। তবে ছবিতে তাকে মোটেও চেনা যাচ্ছে না। তবে ছোট থেকেই সে খুব সুন্দরী ছিল।
‘দ্য কেরালা স্টোরি’ সিনেমাতে অন্যতম মুখ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছে আদাহ শর্মাকে। আদাহ হিন্দি এবং তেলুগু সিনেমায় অভিনয় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব সক্রিয় তিনি।অভিনেত্রী আদাহ শর্মা টিভি শোতে অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। চলচ্চিত্রে আসেন ২০০৮ সালে। ‘১৯২০’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ। আদাহ শর্মা ‘হাসি তো ফাসি’, ‘সুব্রামানিয়াম ফর সেল’, ‘বাইপাস রোড’ এবং ‘হাম হ্যায় রাহি কার কে’-এর মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন।
আদাহ শর্মা ওয়েব শো ‘পতি পাতনি ওউর পাঙ্গা’য় একজন ট্রান্সজেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র শালিনী উন্নীকৃষ্ণণের চরিত্রের জন্য শিরোনামে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। শোবিজ জগতে এই খবরটি কারও অজানা নয়। এবার তাদের এই সম্পর্ককে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করতে চলেছেন এই জুটি।
চলতি মাসেই আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন মেহজাবীন ও রাজীব। এর একদিন আগে, অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হবে। ঢাকার অদূরের একটি রিসোর্টে এই বিয়ের আয়োজন চলছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, আদনান আল রাজীবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে শুরু থেকেই নীরব মেহজাবীন চৌধুরী। বিয়ের খবর নিয়েও কোনো মন্তব্য করেননি এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
২০১৯ সালে আদনান আল রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি শপিং মলে মেহজাবীনের হাত ধরে হাঁটার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। পরবর্তীতে এই জুটিকে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও ঘুরতে দেখা গেছে।
মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেন। এরপর থেকে তিনি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে আসছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। অন্যদিকে, আদনান আল রাজীব দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নির্মাতা হিসেবে পরিচিত।
সূত্র: ইত্তেফাক
মন্তব্য করুন