

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে জরুরিভিত্তিতে মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার বাড়ানোর জন্য ইসরায়েলকে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
আর তা না হলে ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সরকারের কিছু সামরিক সহায়তায় কাটছাঁট করা হবে বলেও সতর্ক করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। বিষয়টি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলি সরকারকে ইতোমধ্যেই একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে চিঠিটি পাঠানো হয় গত রোববার। এই চিঠিটি মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে তার মিত্র দেশটির কাছে এখন পর্যন্ত জ্ঞাত সবচেয়ে কঠোর লিখিত সতর্কতা।
এছাড়া উত্তর গাজায় ইসরায়েলের নতুন আক্রমণের মধ্যে মার্কিন চিঠি হাতে পেল ইসরায়েল। এই আক্রমণে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজায় অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল গত মাসে গাজার উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে মানবিক সহয়িতার পরিবহনের প্রায় ৯০ শতাংশকেই বাধা দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এই চিঠিটি ইসরায়েল পর্যালোচনা করছে বলে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েল “এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে” এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে “দেশটির উত্থাপিত উদ্বেগের সমাধান” করতে চায়।
ইসরায়েল এর আগে বলেছে, তারা গাজার উত্তরে হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে এবং মানবিক সাহায্যের প্রবেশ বন্ধ করছে না।
এছাড়া গাজায় ক্রসিং পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইসরায়েলি সামরিক সংস্থা কোগাট গত সোমবার বলেছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সাহায্য বহনকারী ৩০টি লরি ইরেজ ক্রসিং দিয়ে উত্তর গাজায় প্রবেশ করেছে।
এর আগে জাতিসংঘ বলেছিল, উত্তরে কোনও ধরনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়নি এবং সেখানে ৪ লাখ ফিলিস্তিনির বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও অন্যান্য সরঞ্জাম শেষ হয়ে গেছে।
টানা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গত এক বছরে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অব্যাহত রাখতে মার্কিন সরবরাহকৃত বিমান, গাইডেড বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং শেলগুলোর ওপর অনেক বেশি নির্ভর করেছে।
এদিকে ইসরায়েল সরকারের কাছে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের এই চিঠির বিষয়বস্তু মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টও নিশ্চিত করেছে। এই চিঠিতে সই করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।
এতে বলা হয়েছে, “আমরা এখন গাজার অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতির বিষয়ে মার্কিন সরকারের গভীর উদ্বেগকে জানানোর জন্য লিখছি এবং এই পরিস্থিতি বদলের জন্য এই মাসেই আপনার সরকারের কাছ থেকে জরুরি এবং টেকসই পদক্ষেপ চাই।”
এতে আরও বলা হয়েছে, এলাকা খালি করার ইসরায়েলি আদেশ ১৭ লাখ লোককে সংকীর্ণ উপকূলীয় আল-মাওয়াসি এলাকায় বাধ্য করেছে, সেখানে তারা চরম ভিড়ের কারণে “মারাত্মক সংক্রামনের উচ্চ ঝুঁকিতে” রয়েছেন এবং মানবিক সংস্থাগুলো রিপোর্ট করেছে, তাদের বেঁচে থাকার মতো প্রয়োজন মেটানো যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। সেইসঙ্গে সমর্থকদের আগামী সপ্তাহে একটি সমাবেশ করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামাবাদে নিজ দলের প্রাণঘাতী বিক্ষোভ মিছিলের কয়েকদিন পর এমন হুঁশিয়ারি দিলেন ইমরান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) এক্স পোস্টে ইমরান খান সমর্থকদের ১৩ ডিসেম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অঞ্চলটি তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) শাসিত।
এক্স বার্তায় ইমরান খান ২৫ নভেম্বরের বিক্ষোভ মিছিলে দমনপীড়ন এবং গত বছরের ৯ মে সহিংসতায় অন্তত ১২ জন সমর্থক নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। গ্রেপ্তার হওয়া সমস্ত রাজনৈতিক কর্মীদেরও মুক্তি দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
ইমরান বলেন, যদি এই দুটি দাবি মানা না হয়, তবে ১৪ ডিসেম্বর থেকে একটি অসহযোগ আন্দোলন শুরু হবে। যে কোনো পরিণতির জন্য সরকার দায়ী থাকবে।
এদিকে পাকিস্তান সরকার ২৫ নভেম্বরের বিক্ষোভ মিছিলে কোনো প্রাণহানির ঘটনা অস্বীকার করেছে, উল্টো বলেছে, ইমরান খানের সমর্থকরা গত বছরের ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।
৯ মে'র ওই হামলার অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার ইমরান খানকে অভিযুক্ত করা হয়। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। গত বছরের শেষ দিক থেকে কারাগারে থাকা ৭২ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেট তারকার বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলার মধ্যে এটি সর্বশেষ।
ইমরান ও তার দল বলছে, ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে সেনাবাহিনীর জেনারেলদের সঙ্গে মতবিরোধের পর রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই তাকে এসব মামলা সাজানো হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রাশিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহের অভিযোগে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইরানের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার ইউরোপীয় কাউন্সিল জানায়, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মস্কোয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহের কারণে ইরানের সাত ব্যক্তি ও সাতটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে ও তারা ইউরোপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈয়দ হামজা ঘালানদারি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কুদস ফোর্সের উচ্চপদস্থ সদস্য ও ইরানের তিনটি বিমান সংস্থা যার মধ্যে ইরান এয়ারও রয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লায়েন এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসী যুদ্ধে ইরান সরকারের সমর্থন অগ্রহণযোগ্য ও এটি অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে আমি রাশিয়ায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রতিক্রিয়ায় আমাদের এই নিষেধাজ্ঞা আরোপকে স্বাগত জানাই।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহাও এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, যারা আগ্রাসনকে সমর্থন দেয়, তাদের অবশ্যই দায় নিতে হবে ও মূল্য দিতে হবে।
ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরান রাশিয়ায় কোনও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেনি। এসব নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
এর আগে সোমবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাজ্য। এছাড়া গত শুক্রবার ইরানের তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে ‘হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি’র হামলা, ভাঙচুর ও জাতীয় পতাকায় আগুন দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, এ ঘটনার কারণে ত্রিপুরা সরকার মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে ও এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম মুরং এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রিপুরা সরকার তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি একজন সহকারী কমান্ড্যান্ট পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে। ত্রিপুরা পুলিশের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, সোমবারের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার ও এই তদন্তভার পড়েছে সাউদার্ন রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলের (ডিআইজি) ওপর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৩ জন সাব-ইন্সপেক্টর দিলু জমাতিয়া, দেবব্রত সিনহা ও জয়নাল হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাছাড়া সহকারী কমান্ড্যান্ট (ডিএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা) কান্তি নাথ ঘোষকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ৪ পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সারারাত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কার্যালয়ে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে গ্রেফতারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সাবেক ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করেন। ঘটনার পরপরই ঢাকা এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
ঢাকার অভিযোগ, স্থানীয় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ছিল না ও এই ঘটনা মিশনের কর্মীদের মধ্যে গভীর নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে নয়াদিল্লিকে ‘তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এই ঘটনা গভীরভাবে দুঃখজনক। কূটনৈতিক এবং কনস্যুলার সম্পত্তি কোনোভাবেই লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়। ভারত সরকার বাংলাদেশ হাইকমিশনের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এর আগে সোমবার দুপুরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলার ঘটনা ঘটে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদসহ ভারতের বিভিন্ন ডানপন্থি সংগঠনের শতাধিক সদস্য এই হামলা চালায়। সেসময় কিছু লোক জোর করে হাইকমিশন চত্বরে প্রবেশ করেন ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করেন।
পুলিশ দ্রুত হামলাকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক অনুরাগ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করেন ও মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। গোয়েন্দা বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল ও ডিআইজি বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। এরই মধ্যে কার্যালয়ের চারপাশে ত্রিপুরা পুলিশের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা আগরতলায় বাংলাদেশের হাইকমিশনে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অনেক মানুষ আগরতলার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জড়ো হয়েছিলেন ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলেন। কিন্তু কিছু যুবক হঠাৎ করেই আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলতে পারে, তবে এ ধরনের আচরণ মোটেও কাম্য নয়।
এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের সংখ্যা বাড়ার পর বাংলাদেশ হাইকমিশন ও এর উপ-সহকারী হাইকমিশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। কূটনৈতিক এবং কনস্যুলার সম্পত্তি কোনো অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়। সরকার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং দেশের অন্যান্য উপ-সহকারী হাইকমিশনগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ভবন একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। শতাব্দীপ্রাচীন এই ভবন বহু ইতিহাসের সাক্ষী। কিন্তু সেই ভবনই আর কতদিন রক্ষা করা যাবে, তা নিয়ে এমনপিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাউস অব কমন্সে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ভবনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পানি চুঁইয়ে পড়ছে। বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা গেছে। আগুন লাগলে তা নেভানোর মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটলে ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
আর তাই অবিলম্বে এই ভবনের সংস্কার প্রয়োজন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
আইনপ্রণেতাদের বক্তব্য, ভবনটির এখন যা অবস্থা তা সংস্কার করতে বহু অর্থ ব্যয় হবে। কিন্তু আরও সময় ব্যয় করলে খরচ বহু গুণ বেড়ে যাবে। যা করদাতাদের টাকা থেকেই নিতে হবে। এছাড়া আরও অপেক্ষা করলে ভবনটি সংস্কারের অযোগ্যও হয়ে পড়তে পারে।
এখনও পর্যন্ত যা কাজ হয়েছে তা কার্যত ধর তক্তা মার পেরেক গোছের বলে জানিয়েছে পার্লামেন্টের কমিটি। তাতেই সপ্তাহে দুই মিলিয়ন পাউন্ড করে খরচ হয়েছে।
ওয়েস্টমিনস্টার রাজপ্রাসাদটিকেই যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর আগেও এর সংস্কার নিয়ে বার বার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কখনোই সামগ্রিক সংস্কারের ব্যবস্থা হয়নি। আলোচনাও খুব ধীর গতিতে এগিয়েছে।
২০১৮ সালে এমপিরা ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক করেছিলেন, ২০২০ সালে ভবনটি কিছুদিনের জন্য খালি করে দেওয়া হবে। সে সময় সংস্কারের কাজ করা যাবে। কিন্তু ২০২০ সালে সকলে পার্লামেন্ট ভবন ছেড়ে যেতে চাননি। ফলে সংস্কারও সম্ভব হয়নি।
যারা ভবনটি ছেড়ে যেতে চাননি, তারা বার বার বলেছেন, পার্লামেন্ট ঠিকমতো সংস্কার করতে হলে বহু বছর সময় লেগে যাবে। এতদিন ওই ভবন ছেড়ে অন্যত্র পার্লামেন্ট চালানো সম্ভব নয়।
২০১৬ সাল থেকে পার্লামেন্ট ভবনে অন্তত ৪৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে এখন ২৪ ঘণ্টা দমকলকর্মীরা ভবনটি পাহারা দেন। ১৮৩৪ সালে অগ্নিকাণ্ডেই নষ্ট হয়েছিল পুরোনো ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদ। এরপর চার্লস ব্যারি নামক এক স্থপতি নতুন ভবনটি তৈরি করেন। নিও গথিক স্থাপত্যের সেই ভবনই এখন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
লেবাননের রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান হিসেবে শেখ নাঈম কাসেমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গোষ্ঠীটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা হিসেবে রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসান নাসরাল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন শেখ নাঈম কাসেম। হেজবুল্লাহর যে অল্প কয়েকজন নেতা এখন জীবিত আছেন, তিনি তাদের একজন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন হাসান নাসরাল্লাহ। শিয়া ধর্মগুরু হাসান নাসরাল্লাহ ১৯৯২ সাল থেকে হেজবুল্লাহর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। পরে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হাশেম সাফিএদ্দিন বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহরতলীতে বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানায় ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ।
১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েলের বিরোধিতা করার জন্য এই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিয়া শক্তি হেজবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা করেছিল ইরান। তখন দেশটির গৃহযুদ্ধের সময় ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবানন দখল করেছিল।
হেজবুল্লাহ বিশ্বের সবচেয়ে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত অরাষ্ট্রীয় সামরিক বাহিনীর একটি, যেটিকে অর্থায়ন করেছে ইরান। হেজবুল্লাহর বিমান বিধ্বংসী ও জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইসরায়েলের গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলেও মনে করা হয়।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এ উপলক্ষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ৭টায়) প্রথমবারের মতো বিতর্কে অংশ নিয়েছেন তারা। বিতর্কের আয়োজন করে সিএনএন ও এবিসি। সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।
সিএনএন এর জরিপ অনুযায়ী এই বিতর্কে হেরে গেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস শুক্রবার একটি সম্পাদকীয়তে প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেনকে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর এবং নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য অন্য ডেমোক্র্যাটকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
বাইডেনকে ‘একজন মহান সরকারি কর্মচারীর ছায়া’ হিসেবে বর্ণনা করে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় পরিষদ বলেছে, “প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্পের মধ্যে বৃহস্পতিবারের বিতর্ক প্রমাণ করেছে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন- তার নিজের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি কী করবেন, তার ব্যাখা দিতে হিমশিম খেয়েছেন। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পের উসকানির জবাব দিতে। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পকে তার মিথ্যা কথা, ব্যর্থতা ও ভয়ানক সব পরিকল্পনার জন্য জবাবদিহি করাতে। একাধিকবার তিনি একটা বাক্য শেষ করতে গিয়ে সংগ্রাম করেছেন।”
বাইডেন এখন যা করতে পারেন, তা হলো, তিনি পুনরায় নির্বাচন করছেন না—এই ঘোষণা দেওয়া। দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট এক বেপরোয়া জুয়ায় লিপ্ত আছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়া ঠেকাতে ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে নিজেকে স্পষ্টবাদী, বাধ্যকারী ও উদ্যোমী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করার মতো অধিকতর যোগ্য বিকল্প রয়েছেন।
ট্রাম্প ও বাইডেনের ঘাটতিগুলোর মধ্যে এর যেকোনোটি বেছে নিতে ভোটারদের বাধ্য করার মধ্য দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি গ্রহণ করার কোনও কারণ দলের নেই। আমেরিকানরা যা নিজেদের চোখে দেখেছেন, বাইডেনের সেই বয়স ও দুর্বলতা তারা এড়িয়ে যাবেন বা হিসেবে নেবেন না— সরলভাবে এটা আশা করা হবে এক বড় জুয়া’, বলেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার (৮ ডিসেম্বর) এসব হামলা চালানো হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আইএসের শীর্ষ নেতা, সহযোগী এবং বিভিন্ন ক্যাম্প লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বি-৫২, এফ-১৫ এবং এ-১০ সহ একাধিক মার্কিন বিমান ৭৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।
দেশটিতে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানের মুখে ব্যক্তিগত বিমানে করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাশার আল-আসাদ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমেই সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনামলের অবসান হলো।
২০০০ সালের জুলাই মাসে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাশার আল-আসাদ। একই সময়ে তিনি বাথ পার্টির নেতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও নেন। তবে তার শাসনের এক দশক পর অর্থাৎ ২০১১ সালে সিরিয়ার জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনে মাঠে নামলে তিনি কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন।
২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধকে ঘিরে বাশার আল-আসাদের সঙ্গে পশ্চিমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তিনি ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। সম্ভবত তার আশংকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পরবর্তী টার্গেট সিরিয়া হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র সেসময় ইরাকে তাদের বিরোধীদের কাছে অস্ত্র চোরাচালানে সহায়তার জন্য দামেস্ককে দায়ী করছিল। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর ২০০৫ সালে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত হলে এ ঘটনার জন্য অনেকে সিরিয়া ও তার সহযোগীদেরই দায়ী করে।
এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবরে বলা হয়েছে, মানবিক দিক বিবেচনা করে আসাদ ও তার পরিবারকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে রাশিয়া।
ক্রেমলিনের একটি সূত্র বলেছে, রাশিয়া সবসময় সিরিয়ার সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে ছিল। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচনার পুনরারম্ভের জন্য জোর দিচ্ছি।
তাসের খবরে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিদ্রোহীরা সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
এদিকে, সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে দেশটির প্রথম উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি দিমিত্রি পলিয়ানস্কি জানান, সোমবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছে। পলিয়ানস্কি বলেন, আসাদ সরকারের পতনের গভীরতা এবং এর প্রভাব রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কী হতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন।
মন্তব্য করুন


লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ও আহতের সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৯৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৮৩ জন শিশু রয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পশ্চিমা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে উস্কানিমূলক হুমকির পরে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক মহড়াটি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে যুদ্ধের ময়দানে কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ও এর ব্যবহারের প্রস্তুতি নিতেই ওই মহড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন বিষয়ক দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক বিভাগ ও নৌবাহিনী এতে অংশ নেবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রুশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে কিছু পশ্চিমা কর্মকর্তাদের উস্কানিমূলক বিবৃতি এবং হুমকির প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করাই এ মহড়ার লক্ষ্য।
তবে পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেন জানিয়েছে, রুশ বাহিনী পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না তারা।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক ও কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইরান। আজ বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের বিপক্ষে গিয়ে ইসরায়েলকে সমর্থন করায় তাদের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
ইরান জানিয়েছে সাত মার্কিন নাগরিক আছে তাদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়। এর মধ্যে আছেন জেনারেল ব্রায়ান পি ফেন্টন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযানের কমান্ডার হিসেবে রয়েছেন। আছেন ভাইস অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার, তিনি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের সাবেক কমান্ডার।
ব্রিটিশ নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানও আছে এই নিষেধাজ্ঞায়। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্র্যান্ট শ্যাপস আছেন ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডার জেমস হকেনহল এবং লোহিত সাগরের রয়্যাল নেভির বহরের ওপরেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইরান।
এছাড়াও মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা লকহিড মার্টিন, শেভরন এবং ব্রিটিশ এলবিট সিস্টেমস, পার্কার মেগিট ও রাফাল ইউকের ওপরও বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ওই ব্যক্তি ও কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হবে। তারা কোনোভাবেই ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারবে না।
মন্তব্য করুন