

কুমিল্লায় ব্রাহ্মণপাড়া
থানা কর্তৃক ১৪ কেজি গাঁজা সহ ০৩ (তিন) জন আসামী গ্রেফতার।
আজ ১৩/০৮/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র)/মোহাম্মদ সৌরভ হোসেন, এএসআই(নিঃ) আব্দুর রহিম, এএসআই(নিঃ)/মামুনুর রশীদ ও সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় রাত্রিকালী মোবাইল ০৬ ডিউটি, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে বড়ধুশিয়া বাজারে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, সীমান্তবর্তী এলাকা হইতে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ে শশীদল সীমান্তবর্তী এলাকা হতে পায়ে হেটে নাগাইশ হয়ে বড়ধুশিয়া বাজারের দিকে আসছে।
উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে
এসআই(নিরস্ত্র)/মোহাম্মদ সৌরভ হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ ১৩/৮/২০২৩খ্রিঃ তারিখ
০১.০৫ ঘটিকার সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ০৪নং শশীদল ইউপিস্থ নাগাইশ সাকিনে জনৈক ডালিমের
নির্মানাধীন বাড়ীর সামনে নাগাইশ টু বড়ধুশিয়া গামী পাকা রাস্তার উপর উপস্থিত হলে ০৩
জন ব্যক্তিকে দেখতে পায় যাদের মধ্যে ০২ জনের কাঁধে নীল রংয়ের পলিথিনে বাঁধা পোটলা সহ
পায়ে হাটে আসছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ০১নং ও ০২নং আসামী তাহাদের কাঁধে থাকা নীল
পলিথিনের পোটলা ফেলে দিয়ে ০৩নং আসামীসহ দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের
সহায়তায় আসামী কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মনপাড়া থানার সিদলাই গ্রামের (৮নং ওয়ার্ড) এর আঃ
লতিফ এর ছেলে রুবেল মিয়া (৩৩), মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন(৪৫), মৃত
আব্দুল খালেক এর ছেলে মোখলেছুর রহমান(৫২) কে গ্রেফতার পূর্বক উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে
আসামীদের ফেলে দেওয়া ০২ টি নীল রংয়ের পলিথিনে বাঁধা পোটলার ভিতর রক্ষিত খাকি কসটেপ
দ্বারা মোড়ানো সর্বমোট ০৭ টি বান্ডিল যাহার প্রতি বান্ডিলে ০২(দুই) কেজি করে মোট ১৪
কেজি গাঁজা পেয়ে জব্দ তালিকা মূলে জব্দকরেন।
উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে
ব্রাহ্মণপাড়া থানার মামলা নং-১৪, তারিখ- ১৩/৮/২০২৩ইং, ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন
২০১৮ সনের ৩৬(১) এর ১৯(খ)/৪১ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার বুধুন্ডা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছোট-বড় ১৫টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ওই বাড়ির হাসান প্রধানের ঘর সংলগ্ন বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে ওই বাড়ির আমির হোসেন, হুমায়ুন কবির, সাইফুল ইসলাম, বজলুর রহমান, মোক্তার হোসেন, মনির হোসেন, ছোলেমান প্রধান, মাসুম ও হাসানের ছোট-বড় ১৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে নগদ টাকা, স্বর্নালঙ্কার ও মালামালসহ প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে আমির হোসেন জানান, সকালে কাজ করতে পাশ^বর্তী মাঠে যাই। আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে বাড়িতে দৌড়ে এসে দেখি আমার সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার পরনের লুঙ্গি ছাড়া আর কিছুই রইল না। এসময় ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশাসনসহ বিত্তবানদের পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মাহাতাব মন্ডল বলেন, অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিক্ষতির পরিমাপ নিরূপন করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


স্ত্রীকে ভরণপোষণ না দেওয়াকে কেন্দ্র
করে বাগ-বিতণ্ডায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত হয়েছেন ১৫ জন।
রোববার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে
মাদারীপুরে সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সদর উপজেলার ঘটমাঝি গ্রামের
সাবেদ আলী খালাসির সাথে একই উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের খাকছাড়া গ্রামের খবির মাতুব্বরের
মেয়ে শাহনুরের সাথে বিয়ে হয়। ২ মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ভরণপোষণ না দেওয়ায়
শাহানুর তার বাবার কাছে অভিযোগ করেন।
এ বিষয়টি শাহানুরের বাবা তার লোকজন
নিয়ে রাতে শাহানুরের শ্বশুরবাড়ি আসেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি
ও হাতাহাতি হয়। পরে একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এতে নারীসহ দুই পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের
চিকিৎসক ডা. অখিল সরকার জানান, আহতদের মধ্যে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেলে
পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ভর্তি করে দেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন
জানান, শাহানুরকে ভরণ-পোষণ না দেওয়ায় তার শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির দুই পক্ষের লোকজনের
মধ্যে মারামারি হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আগামী ১৯ ও ২০ নভেম্বর এর (রবিবার ও সোমবার) সব পরীক্ষা স্থগিত
করা হয়েছে।
১৮
নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণে ওই দুদিনের সব
পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থগিত এসব পরীক্ষার সংশোধিত তারিখ
সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরে জানানো হবে। এ ছাড়া পূর্ব ঘোষিত অন্যান্য পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি
অপরিবর্তিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সাংবাদিক তুষার হাওলাদারের বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ার কথা ছিল, এদিকে আবার বাসার মূল গেইট বন্ধ হয়ে যায় রাত ১১টাতেই। তাই ছেলের যাতে বাসায় ঢুকতে সমস্যা না হয় সেজন্য বাড়িওয়ালার কাছ থেকে চাবি নিয়ে রেখেছিলেন তুষারের বাবা। রাত থেকে সকাল পর্যন্তও তুষারের মোবাইলে ফোন দিয়ে সাড়া পাননি তার বাবা। পরে পুলিশের ফোনে জানতে পারেন, ছেলের লাশ পড়ে আছে মর্গে।
রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডে তুষার হাওলাদারের সঙ্গে মারা যান সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রীও।বছর চব্বিশের এই দুই সাংবাদিকের মধ্যে তুষার ফেব্রুয়ারি মাসেই দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ ছেড়ে কেস্টারটেক নামে একটি অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় কাজ শুরু করেন।
আর শ্রাস্ত্রীর দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ ছেড়ে যোগ দেওয়ার কথা ছিল আরেকটি সংবাদমাধ্যমে। দুজনই সব ছেড়েছুড়ে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে।সাবেক দুই সহকর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের কয়েকজন সাংবাদিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে ভিড় করেন শুক্রবার সকালে। তাদের একজন গোলাম রাব্বানী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই তথ্য জানান।
তুষারের বাবা দীনেশ চন্দ্র হাওলাদার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাশ বুঝে নিয়ে গেছেন। তবে দুপুর ১টা পর্যন্ত শাস্ত্রীর লাশ নিতে কেউ আসেনি বলে জানান রাব্বানী।
তিনি বলেন, “বার্ন ইন্সটিটিউটে আমাদের সহকর্মী শাস্ত্রীর লাশ আমরা শনাক্ত করেছি। শাস্ত্রির বাড়ি কুষ্টিয়ায়। কিন্তু তার পরিবারের ফোন নম্বর আমাদের কারো কাছে নাই। তাই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।”শাস্ত্রী ইডেন কলেজের ছাত্রী ছিলেন জানিয়ে রাব্বানী বলেছেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
তুষার সাংবাদিকতায় পড়াশোনা করেছেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি থেকে, ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন গোড়ানে; তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির কাঠালিয়া গ্রামে।
তুষারের বাবা দীনেশ চন্দ্র হাওলাদার চাকরি করেন রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে। কাজ শেষে প্রায় প্রতিদিনই ছেলে আর তিনি একইসঙ্গে বাসায় ফিরতেন। অফিসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কারণে গতকাল অফিসে তুষারের ব্যস্ততা ছিল বলে জানান দীনেশ চন্দ্র হাওলাদার।
“রাত ৮টায় তুষারের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল, জানালো বাসায় ফিরতে দেরি হবে। সেজন্য বাড়িওয়ালার কাছ থেকে চাবি নিয়ে রেখেছিলাম। ১১টা পর্যন্ত জেগেও ছিলাম। বেশ কয়েকবার ফোনও করেছিলাম। আজকে সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফোন দিয়েছি। কিন্তু কেউ ধরেনি। পরে ওসি ফোন দিয়ে বলে ‘আপনি কি তুষারের বাবা?’ জবাব দিতেই তিনি আমাকে তাড়াতাড়ি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে যেতে বলেন।”
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনটিতে আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিভিয়ে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস।
এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন ৪৬ জন। সবার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে রাখা হয়। সকাল থেকে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করে ৩৫ জনের মরদেহ স্বজনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে তাদের মধ্যে ছয়জনকে আর চেনার উপায় নেই। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত হলে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিহতের এই সংখ্যা জানিয়ে বলেছেন, আহত ১২ জনের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ১০ জন ভর্তি আছেন আর ঢাকা মেডিকেলে আছে দুইজন। এই ১২ জনের প্রত্যেকের শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তারা কেউ শঙ্কামুক্ত নন।
মন্তব্য করুন


মিলন হোসেন, নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার পৌর এলাকায় মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে নিহাজ উদ্দিন নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার সকালে হাতিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত নিহাজ উদ্দিন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের দিদার উদ্দিনের ছেলে। সে হাতিয়া আহমদ মিয়া বাজার
নূরানী হেফজ মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে হাতিয়ায় বজ্র সহ বৃষ্টিপাত হচ্ছিলো। প্রতিদিনের মতো ভোরে বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় আসে নিহাজ। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে মাদ্রাসা থেকে পুনঃরায় বাড়ি যাওয়ার পথে সড়কে হঠাৎ বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করে নিহাজ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন নিহাজের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন জানান, এলাকার লোকজনের মাধ্যমে বজ্রপাতে নিহাজের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি জেনেছেন।
মন্তব্য করুন


এম এ হান্নান , ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে দেশব্যাপী বিএনপি জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস, হত্যা ষড়যন্ত্র, ভাংচুর ও নৈরাজ্যর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে লালমোহন উপজেলা, পৌরসভা আওয়ামীলীগ ও সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন. ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
এসময় এমপি শাওন বলেন, বিএনপি-জামায়াত দেশে আবারও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। তারা যদি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।বাংলার জনগণ বিএনপিকে এবার রাজনীতির মাঠে থেকে লাল কার্ড দেখিয়ে বিদায় করবে।
এসময় লালমোহন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম হাওলাদার, পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাদলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে লালমোহন থানার মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদিক্ষন শেষে চৌরাস্তা মোরে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


যশোরের ঝিকরগাছায় স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জেরে বন্ধুকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে কিসমত বাবু ওরফে ক্যাসেট বাবুর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে কিসমত বাবু ও তার স্ত্রী রিয়া খাতুন (২০) পলাতক রয়েছেন।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে যশোরের ঝিকরগাছা পৌর এলাকার আফিল রোডের ক্যাসেট বাবুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তৌফিক হাসান (২২) ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের কারিগরপাড়ার শাহাদৎ হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাসেট বাবুর স্ত্রী রিয়া খাতুনের সঙ্গে তৌফিকের পরকীয়া সম্পর্ক চলছি। শুক্রবার রাতে রান্না ঘরে স্ত্রীর সঙ্গে তৌফিককে দেখে ফেলেন বাবু। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে মুঠোফোনে তৌফিককে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ছুড়িকাঘাত করে ক্যাসেট বাবু। পরে তৌফিককে উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎকরা তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের খালা রত্না খাতুন বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আফিল ফার্মে কাজে যাচ্ছিল তৌফিক। বাবুর ফোন পেয়ে আফিল রোডে তাদের বাড়িতে যায় তৌফিক।
চাচাতো ভাই মো. শাহিন বলেন, ক্যাসেট বাবু ও তৌফিকের মধ্যে বন্ধুত্ব সম্পর্ক ছিল, দুজনের দুজনার বাড়িতে যাতায়াত ছিল।
ঝিকরগাছা থানার ওসি কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পরকীয়ার জের ধরে এক বন্ধুর ছুড়িকাঘাতে আরেক বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। দ্রুত তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪টি ভারতীয় গরু সহ ২ জন চোরাচালানকারীকে গ্রেফতার করেছে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ ।
মঙ্গলবার
সকালে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র) শান্তনু দেব নাথ এবং সঙ্গীয় ফোর্স
সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ৪ নং শশীদল ইউপিস্থ মানরা সাকিনস্থ ৫নং ওয়ার্ডস্থ শরাফত আলী মেম্বার
বাড়ির সামনে মাটির কাঁচা রাস্তার উপর চেকপোষ্ট করাকালে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সীমান্তর্বতী
তারকাঁটা অতিক্রম করে ৪টি ভারতীয় গরু বাংলাদেশে নিয়ে আসার সময় গরু সহ ২ জন চোরাচালানকারীকে
গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: ১। মোঃ ইয়াছিন(৪০), পিতা- শফিকুর রহমান, মাতা-
হাফেজা বেগম, ২। মোঃ বাদশা মিয়া(৪৫), পিতা- মৃত আবু জাহের, মাতা- মৃত গুলনাহার বেগম,
উভয় সাং- নারায়নপুর, ০৭নং ওয়ার্ড, ০৪নং শশীদল ইউনিয়ন, থানা-ব্রাহ্মণপাড়া, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
আসামীদের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৬ মার্চ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি সাহেবের বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শাহজাহান (৫২) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে করে। এ সময় আসামী কাছ থেকে ৫২ কেজি গাঁজা ও ০১ টি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ শাহজাহান (৫২) গাজীপুর জেলার টঙ্গী পূর্ব থানার মাছিমপুর গ্রামের মৃত এনতাছ আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার আলেখারচর-আমড়াতলী-ক্যান্টনমেন্ট-কালাকচুয়া বিশ্বরোড এলাকার হাইওয়ে হোটেলগুলোর সামনের কনফেকশনারির দোকানগুলোতে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
এ রোডে চলাচলকারী ভোক্তারা অভিযোগ করে সামনের এ সকল দোকানে পানি, বিস্কুট, চিপস প্রভৃতি পণ্যের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে রাখা হয়।
আজ ছদ্মবেশে সত্যতা পাওয়ায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন