

সাইদ জুবায়ের রাসেল, দাউদকান্দি, কুমিল্লা:
সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিসিডিএ) এর সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর আওতায় ‘কুমিল্লা জেলার প্লাবনভূমি অঞ্চলে মৎস্য চাষ কেন্দ্রিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন শীর্ষক উপ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত কর্মশালায় সিসিডিএ’র সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আমির হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কুমিল্লা জনাব মোঃ বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের সহ:পরিচালক মোঃ ওমর ফারুক, সহকারি পরিচালক অশোক কুমার দাস, জাতীয় পদক প্রাপ্ত পরিবেশ সমাজ ও কৃষি উন্নয়ন সংগঠক অধ্যাপক মতিন সৈকত, সিসিডিএ’র এলাকা কর্মকর্তা লোকমান হোসেন প্রমুখ।
ডকুমেন্টেশন
কর্মকর্তা মোঃ নূরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম
সম্পর্কে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থিত সবাইকে অবগত করেন এসইপি প্রকল্প ব্যবস্থাপক
মাসুদ আলম।
সমাপণী কর্মশালায়
৮ জন মৎস্যচাষীদের মাছচাষে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন টেকসই উত্তম চর্চা অনুশীলন করায় বিশেষ
সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কর্মশালায় আরো
উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার সিনিয়র ও মৎস্য কর্মকর্তা, খামার ব্যবস্থাপক,
এসইপি ও সিসিডিএ’র কর্মকর্তা, কর্মএলাকার মৎস্য ও এই খাতের উদ্যোক্তাসহ স্থানীয় বিভিন্ন
গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।
উল্লেখ্য থাকে
যে, ২০২০ সালের অক্টোবর মাস থেকে ৩ বছর মেয়াদি এসইপি প্রকল্পের আওতায় ‘কুমিল্লা জেলার
প্লাবনভূমি অঞ্চলে টেকসই মৎস্যচাষ কেন্দ্রিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক উপ-প্রকল্পটি
কুমিল্লা জেলার ৪টি উপজেলায় (দাউদকান্দি, মুরাদনগর, চান্দিনা ও তিতাস) বাস্তবায়ন করেছে
সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্স (সিসিডিএ)। এতে পরিবেশ সম্মত মৎস্যচাষে
বিভিন্ন
প্রশিক্ষণ,
আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে প্রদর্শণী প্রদান, ও আর্থিক সহযোগীতামূলক নানা কার্যক্রম
বাস্তবায়ন করেছে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রকল্প। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও দাতা সংস্থা বিশ্ব ব্যাংক।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীতে ২টি
তিন তলা ভবন হেলে পড়ার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার(৫ডিসেম্বর) দুপুরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিস।
ড্রেনের কাজের পাইলিং এর কারণে
বাড়ি দুটি সামান্য হেলে পড়েছে বলে জানান আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার উদয়ন
চাকমা।
তিনি বলেছেন, দুটি বাড়ি সামান্য
হেলে গেছে। তবে বাড়ির গায়ে কোনো ফাটল নেই। তাই বাড়ির বাসিন্দাদের এখনও সরানো হয়নি।
এই ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসেছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন বার্মা কলোনী’র শিশু রুজিনা (৫)কে অপহরণ এবং হত্যা মামলার
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ দুলালকে ঢাকার আশুলিয়া হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম।
গত
৮ ডিসেম্বর ২০০০ তারিখে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন উত্তর বার্মা
কলোনী এলাকার শিশু রুজিনা (৫)কে প্রতিবেশী জসিম উদ্দিন ইকবাল তার ঘরে আটকে রাখে। পরবর্তীতে
শিশু রোজিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বস্তায় ঢুকিয়ে আলমিরাতে লুকিয়ে রাখে। এদিকে
শিশু রুজিনার পরিবার পাগলের মত হয়ে মেয়েকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে এবং সবার সাথে জসিম
নিজেও রুজিনাকে খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে জসিম নিজে বাদী থেকে টাকা নিয়ে মাইকে নিখোঁজ
সংবাদ প্রচার করে। রাত আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকায় আসামী জসিম উদ্দিন ইকবাল এবং তার স্ত্রী
পারভিন আক্তার ও মোঃ দুলাল একটি চিরকুটি নিয়ে ভিকটিমের মার ঘরে হাজির হয়। চিরকুট কমন
টয়লেটের সামনে পাওয়া গেছে মর্মে উল্লেখ করা হয়। চিরকুটে ১২ হাজার টাকা নিয়ে কাফকোর
পাশে পাহাড়ে গেলে সেখানে নিখোঁজ রুজিনাকে ফেরত দেয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু
৩ জনের কথাবর্তা অসংলগ্ন মনে হওয়ায় উপস্থিত লোকজন ৩ জনকেই আটক করে রাখে। গভীর রাতে
প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে কৌশলে জসিম উদ্দিন ইকবাল পালিয়ে যায়। পরদিন জসিম
উদ্দিন ইকবালের গৃহে তল্লাশি চালিয়ে তার ঘরের আলমিরা হতে শিশু রুজিনার বস্তাবন্দি লাশ
উদ্ধার করা হয়।
উক্ত
ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে বায়েজীদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং
০৮(১২)২০০০, ধারা-৩০২/৩৪। মামলা রুজুর পর পুলিশ পারভীন ও দুলালকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে
আসামী ২ জন জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায়
আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় আসামীদের অনুপস্থিতে বিজ্ঞ আদালত পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন
এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী সন্ত্রাসী জসিম উদ্দিন ইকবাল ও তার স্ত্রী
পারভীনকে মৃত্যুদন্ড এবং দুলালকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে
আরো ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, পলাতক আসামি দুলাল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা এলাকায়
অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১, ঢাকা এর একটি
যৌথ আভিযানিক দল গত ১৯ আগস্ট ২০২৩ ইং বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী দুলালকে
গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: দুলাল (৪২), পিতা-মোঃ ছলিমুদ্দিন, সাং-নয়া চৈতাপাড়া, থানা কলমাকান্দা,
জেলা-নেত্রকোনা বর্তমানে-উত্তর বার্মা কলোনী, থানা-বায়েজীদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম।
গ্রেফতারকৃত
আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অবশেষে শুটিং শুরু হতে চলেছে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ ছবির। পরিচালনা করবেন ভারতীয় নির্মাতা রাজীব কুমার বিশ্বাস।
(১৩ নভেম্বর) সোমবার দুপুরের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কলকাতা ফিরেছেন ‘পাগলু’ খ্যাত এই পরিচালক। গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ‘অপারেশন জ্যাকপট’ ছবির বিস্তারিত তথ্য।
এরই মধ্যে ছবির চিত্রনাট্যসহ পাত্র-পাত্রী নির্বাচন করেছেন রাজীব। ছবির প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করবেন এ সময়ের ঢাকাই ছবির নামি ১০ নায়ক।
২০ নভেম্বর থেকে এফডিসিতে সেট নির্মাণ করবেন কলকাতার অতনু এবং বাংলাদেশের ফারুক। ১ ডিসেম্বর হবে ছবির মহরত। সেদিন উপস্থিত থাকবেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ১০ নায়ক। এই ১০ নায়কের মধ্যে রয়েছেন অনন্ত জলিল, তিনিই অভিনয় করবেন ছবির প্রধান চরিত্রে।
এ ছাড়া থাকবেন রিয়াজ আহমেদ, বাপ্পী চৌধুরী, সাইমন সাদিক, নিরব হোসেন, মামনুন হাসান ইমন, আব্দুন নূর সজল, সিয়াম আহমেদ, জিয়াউল রোশান ও জয় চৌধুরী। রিয়াজ, রোশান ও নিরবের সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি না হলেও অন্য সাত অভিনেতা এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজীব কুমার।
অভিনয়ে অনন্ত, সিয়ামসহ ১০ নায়কের ছবিতে নারী শিল্পীদের প্রায় সবাই পশ্চিমবঙ্গের। তালিকায় রয়েছেন স্বস্তিকা ব্যানার্জি, সায়ন্তিকা ব্যানার্জির মতো অভিনেত্রী। রাজীব বলেন, অনন্ত ভাইকে বলেছি, একটি চরিত্রে আমি স্বস্তিকা ব্যানার্জিকে নিতে চাই। আইটেম গানে থাকবেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। কলকাতা থেকে আরও দু-চারজন অভিনেত্রীর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটা তো মুক্তিযুদ্ধের ছবি, তার ওপর একটি রাতকে ঘিরে গল্প। তাই এখানে অন্যান্য বাণিজ্যিক ছবির মতো প্রেম-ভালোবাসা দেখানোর বিষয় নেই। তবে এই মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার ছিল, কারও স্বপ্নের মানুষ ছিল, বাবা-মা, বোনও ছিল। সেই সব চরিত্রের জন্য আমরা কয়েকজন শিল্পী নির্বাচন করেছি। বলতে পারেন তারাও সবাই পরিচিত মুখ।
রাজীব বলেন, আমি ভাই ফোঁটার জন্য কলকাতায় এসেছি। ১৬ নভেম্বর আবার ঢাকায় ফিরব। অনেক বড় ছবি এটি, চাপ আছে খুব। এতজন নায়ক নিয়ে ইউনিট সামলানো চাট্টিখানি কথা নয়। তার ওপর ঢাকা, গাজীপুর, মোংলা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে শুটিং। গত দুই মাস ঢাকা-কলকাতা আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলাম। লোকেশন রেডি থেকে শুরু করে সব কিছু নিজের হাতেই করেছি। আশা করছি, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের দারুণ একটি ছবি নির্মাণ করতে পারব।
৭০ দিন শুটিং হবে ছবিটির। ফেব্রুয়ারিতেই শুটিং শেষ করতে চান পরিচালক। সব ঠিক থাকলে আগামী বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ছবিটি মুক্তি দিতে চান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টুয়েন্টিফোর টিভি ডেস্ক:
কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা
শাখা (ডিবি) কর্তৃক ১টি বিদেশী পিস্তলসহ ১৫টি মামলার আসামী গ্রেফতার।
গত ২০/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ
জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই(নিঃ)/দিবাকর রায়, এএসআই/সজীব বড়ুয়া, এএসআই/মোহাম্মদ
ফোরকান ও সংগীয় ফোর্সসহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য উদ্ধার
ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০/০৯/২৩ খ্রিঃ তারিখ অনুমান
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীবল্লভপুর (পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড) সাকিনে ছন্দু
হোটেল এর বিপরীত পাশে ঢাকা-টু-চট্টগ্রাম গামী
মহাসড়কের উপর পৌঁছে আসামী তকদীর হোসেন বুলেট @ জলিল (৩৪), পিতা-আব্দুল কুদ্দুস, মাতা-মনোয়ারা
বেগম, গ্রাম-উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লাকে আটক করেন। তৎক্ষণাৎ
আশপাশ হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় উক্ত আসামী তকদীর হোসেন বুলেট @ জলিল (৩৪)
এর দেহ তল্লাশী করে তার পরিধেয় থ্রি কোয়ার্টার প্যান্টের কোমড়ের পিছনে গুজানো অবস্থায়
ম্যাগজিন সংযুক্ত একটি পিস্তল, যা বাট সহ লম্বা ০৮ ইঞ্চি, এর নলের একপাশে 7.65
K.N.D (অস্পষ্ট) এবং নলের অপর পাশে MADE IN BRAZIL NO 10 (অস্পষ্ট) লেখাসহ উভয় পাশে
ঘষামাজা অবস্থায় পেয়ে উদ্ধারপূর্বক ২০/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ রাত ২০:৫৫ ঘটিকায় জব্দ তালিকা
মূলে জব্দ করেন।
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল
থানায় এজাহার দায়ের করলে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-২৬ , তারিখ-২১/০৯/২০২৩খ্রিঃ,
ধারা- The Arms Act 1878 এর 19A রুজু করা হয়।
উল্লেখ্য যে, উক্ত আসামীর
বিরুদ্ধে পূর্বে ০৮টি মাদক মামলা, ০১টি অস্ত্র মামলা, ০২টি ডাকাতি মামলা, ০২টি দস্যুতা
ও ০২টি অন্যান্য মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) তে সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার মো: মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আদর্শ সদর উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: সফিউল আলম, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট অর্চণা কুণ্ডু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পিটিআই সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট সনজিত কুমার সিংহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: মিজানুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত মহান বিজয় দিবস বাঙালী জাতির জীবনে অবিস্মরণীয় দিন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু বলেন, বাঙালীর বিজয় একদিনে আসেনি। জাতির পিতা বাঙালীকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলন শুরু হয়েছিলো। ১৯৭১ সালের ৭মার্চ জাতির পিতার ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় যার পরিসমাপ্তি ঘটে ১৬ ডিসেম্বর পাকহানাদারদের ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্নসমর্পনের মধ্য দিয়ে।
আলোচনা ও মতবিনিময় সভার আগে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রমাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভারতে চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তাকর্মীর গুলিতে নিহত হয়েছে ৪ জন। অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী ভারতের রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের কনস্টেবল। তার নাম চেতন সিং। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মকর্তা, দুইজন সাধারণ যাত্রী ও ট্রেনটির প্যান্ট্রি কারের এক কর্মী।
এ ঘটনা সোমবার (৩১ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জয়পুর এক্সপ্রেসে ঘটে। রাজস্থানের জয়পুর থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের উদ্দেশে যাচ্ছিল ট্রেনটি।
ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে বলা হয়, সোমবার ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে পালঘর স্টেশন দিয়ে যাচ্ছিল ট্রেনটি। ওই পুলিশকর্মী ওই সময় হঠাৎ করে তার বন্দুক দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।
পশ্চিম রেলওয়েকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, চেতন সিং জয়পুর এক্সপ্রেসের বি ফাইভ কোচে যাত্রীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। গুলি চালিয়ে চার জনকে হত্যার পরই ট্রেনের চেন টেনে পালানোর চেষ্টা করেন ওই নিরাপত্তাকর্মী। তবে চেতন সিং কে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার অস্ত্রটিও জব্দ করা হয়।
ঘটনার পর ট্রেনটি বরিভালি স্টেশনে দাঁড় করানো হয়। সেখান থেকে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় বাবাসাহেব অম্বেডকর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, চেতন সিং মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ছুটি চাইছিলেন বেশ কিছুদিন ধরেই। ঘটনার আগের দিন তিনি বলেছিলেন, অসহিষ্ণু লাগছে তার। তখন বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তাকে।
মন্তব্য করুন


নওগাঁর সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের তুলশীগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধের পাশ থেকে গত ২৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ১০টার দিকে তাবাসসুম আক্তার রিংকু (২২) নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মৃত তাবাসুম আক্তার রিংকু জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালি ইউনিয়নের পুন্ডুরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে আর তিনি স্থানীয় রায়কালী টেকনিক্যাল বিএম কলেজের এইচএসসি ভোকেশনাল ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন।
এ ঘটনার পর দিন ২৯ নভেম্বর ( বুধবার ) দুপুরে নিহতের মা শাহিনা বেগম বাদী হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি ) ফয়সাল বিন আহসান বলেন,এ ঘটনার চারদিন পর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার মাটিয়াকুরি গ্রামের আলাউদ্দীনের ছেলে নাঈম হোসেন ও তার বাবা আলাউদ্দীন আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ।
গ্রেপ্তারের আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত রিংকু ও নাঈমের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্ক পরিবারে বাধা হয়ে দাঁড়ালে গত ২৭ সোমবার নভেম্বর সকালে তারা কোর্ট ম্যারেজ করে বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি অটোরিকশা করে রাজশাহী কোর্টের উদ্দেশে রওনা হয়। একসময় দুজনের মধ্যে নওগাঁ কোর্টে অথবা রাজশাহীতে কোর্ট ম্যারেজ করা নিয়ে তর্কবিতর্ক আর ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সদর উপজেলার চকগৌড়ি মেইন রাস্তায় অটোরিকশা থেকে রিংকু পড়ে যায়।
এতে মাথা ও হাত পায়ে গুরুতর যখম হলে তাকে বাঁচানোর জন্য তার প্রেমিক নাঈম দ্রুত মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তার অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। নাঈম ভয় পেয়ে তার বাবা আলাউদ্দীনের সঙ্গে আলোচনা করলে তার বাবা রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। এরপর নাঈম দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর নাঈম ও তার বাবা ভয় পেয়ে রিংকুর মরদেহ রাতের আঁধারে তিলকপুর ইউনিয়ন এর নারায়ণপুর গ্রামের তুলশীগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়।
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান বলেন, এ ঘটনায় দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাবা ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে।
আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন । পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১টি প্রাইভেট কার, ১ জোড়া
স্বর্নের কানের দুল, ২টি স্বর্নের
আংটি ও ৬টি মহিলাদের
হ্যান্ডব্যাগ সহ আন্তঃজেলা প্রতারক
চক্রের সক্রিয় ২ সদস্যকে গ্রেফতার
করেছে কুমিল্লা কোতয়ালী
মডেল থানা পুলিশ।
গত
২জুলাই দুপুরে বিউটি রানী সূত্রধর (৪২),
তার মেয়ে পুষ্পিতা সূত্রধর
(১৮) কুমিল্লা শহর থেকে দেবিদ্বার
থানা এলাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১ম
কান্দিরপাড় সাকিনের বে-ল্যান্ড সেন্টারের
সামনে পৌঁছালে একটি লাল রংয়ের
টয়েটা প্রাইভেট কার থেকে একজন
অজ্ঞাতনামা মহিলা তার কোলে ছোট
শিশু বাচ্চা ও বয়ষ্ক পুরুষ
নেমে এসে বিউটি রানী
সূত্রধর ও তার মেয়েকে
কোথায় যাবে জিজ্ঞাসা করে
সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে
তারা প্রতারকের খপ্পড়ে পরে প্রাইভেট গাড়ীতে
প্রতারকদের সাথে দেবিদ্বার যাওয়ার
প্রস্তাবে রাজি হয়। গাড়ীতে
উঠে বিউটি রানী সূত্রধর ও
তার মেয়েকে প্রলুদ্ধ করে যে, প্রতারকরা
দুস্থ লোকদের জন্য সরকারি ত্রান
সংগ্রহ করে দুস্থ লোক
মাঝে বিতরণ করে। গাড়িটি কুমিল্লা
শহরের ধর্মপুর এলাকায় থামিয়ে কিছু দূরে দুস্থ
লোকজনদের ত্রান বিতরন করিতেছে বলে এবং মানবিক
কারনে বিউটি রানী সূত্রধর ও
তার মেয়েকে সাহায্য করতে বলে। স্বর্নালংকারসহ
ত্রান নিতে গেলে দিবে
না বলে এবং কৌশলে
মহিলা প্রতারক তার পরিহিত ভুয়া
স্বর্ন অলংকার ব্যাগে রাখে এবং বিউটি
রানী সূত্রধর ও তার মেয়ের
পরিহিত স্বর্নের চেইন ও কানের
দুল এবং মোবাইল ফোন
ব্যাগের মধ্যে রাখতে বলে। স্বর্নালংকার, মোবাইল
ফোন রেখে মহিলা প্রতারকের
সাথে ত্রান আনতে গেলে কৌশলে
মহিলা প্রতারক বিউটি রানী সূত্রধর ও
তার মেয়েকে রেখে গাড়ীর কাছে
এসে প্রতারক চক্র স্বর্নালংকার, মোবাইল
ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রতারক
চক্র গ্রেফতার ঘটনার সংবাদ পেয়ে বিউটি রানী
সূত্রধর আসামীদ্বয়কে ও গাড়ীকে সনাক্ত
করে।
উক্ত
প্রতারকদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানার ,এফআইআর
নং-১১৩, তারিখ- ৩০
জুলাই, ২০২৩; ধারা- ৪০৬/৪২০/৩৪
পেনাল কোডে মামলা রুজু
করা হয়।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান,নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার রতন মিয়া হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল হামিদকে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিভিন্ন জেলায় পলাতক থাকার পর সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৪।
আর এই ২০ বছরে পলাতক থেকে নাম-পরিচয় বদলে নরসিংদীতে বিয়েও করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সাভার মডেল থানার গেন্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুল হামিদ (৪৫) নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।
র্যাব-৪ জানায়, আব্দুল হামিদ গত ২০০৪ সালের ১৬ মে মাসে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার সাহেবগঞ্জ এলাকার নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে তার সহকর্মী রতন মিয়াকে কলহের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রতন মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। সংবাদ পেয়ে আত্রাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামি আব্দুল হামিদ ও তার অন্যান্য সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের ছোট ভাই রিপন মিয়া বাদী হয়ে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানায় আসামির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা করার পর থেকে হত্যাকারী আব্দুল হামিদ আত্মগোপন করে। দীর্ঘদিন ধরে আসামির অনুপস্থিতিতে নওগাঁ জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত হত্যা মামলার বিচার কার্য চালিয়ে যায়। দীর্ঘ বিচার কার্য শেষে আদালত গত ২০১০ সালের ১৯ মে আসামি আব্দুল হামিদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
র্যাব-৪ আরো জানায়, এসব তথ্য জানার পর র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার সাভারের গেন্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘ ২০ বছর পলাতক থাকা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল হামিদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের পর হতে সে পালিয়ে প্রথমে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, নরসিংদী পরবর্তীতে চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলায় ও সর্বশেষ ঢাকা জেলার সাভার এলাকায় আত্মগোপন করে নিজের নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে বসবাস করে আসছিল। গ্রেপ্তার আসামি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানা এলাকায় পরিচয় গোপন করে বিয়ে করে।
মন্তব্য করুন


হাইকোর্ট এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর ভাতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে ।
বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই রায় বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
রায়ে হাইকোর্ট বলেছে, এটা চিরন্তন সত্য যে শিক্ষকরা রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এই হয়রানি থেকে তারা কোনভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এজন্য তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে আর এই অবসরভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারে না। যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়েই শিক্ষকদের অবসর ভাতা কিভাবে দ্রুত দেওয়া যায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মাথায় রাখতে হবে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট প্রবিধানমালা, ১৯৯৯ এর প্রবিধান-৬ এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা, ২০০৫ এর প্রবিধান-৮ অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ ভাগ এবং ৪ ভাগ কর্তনের বিধান ছিল। যার বিপরীতে শিক্ষকদের ট্রাস্টের তহবিল হতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কিছু আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হতো। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল উল্লিখিত প্রবিধানমালাগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ ভাগ এবং ৪ ভাগ কর্তনের বিধানগুলো সংশোধন করে তা ৪ ভাগ এবং ৬ ভাগ করে দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ ভাগ এবং ৪ ভাগ কর্তনের পরিবর্তে ৪ ভাগ এবং ৬ ভাগ কর্তনের বিধান করা হলেও উক্ত অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের বিপরীতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কোন বাড়তি আর্থিক সুবিধা প্রদানের বিধান করা হয়নি।
এই অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের বিপরীতে কোন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি না করায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এই অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের আদেশ বাতিলের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। পরে শিক্ষকরা মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচী পালন করে। এতেও কর্তৃপক্ষ নীরব থাকেন। এরপর শিক্ষক ও কর্মচারীগণ ২০১৯ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।
প্রাথমিক শুনানি শেষে ওই বছরের ১৫ এপ্রিল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। পরে আরেকটি সম্পুরুক আবেদনে ২০১৭ সালে জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। এসব রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করে দেয় হাইকোর্ট।
এদিকে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতনের ১০ ভাগ কর্তনের বিপরীতে আর্থিক সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, দশ ভাগ কর্তন করলে সে পরিমাণ সুবিধা শিক্ষকদের দিতে হবে। একেক সময় একেক ধরনের সিদ্ধান্ত কাম্য নয়। আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন