

কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লামপুর এলাকায় ৮ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারী) রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৮ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দক্ষিণ রামপুর গ্রামের মোঃ হোসেন আলী এর ছেলে মোঃ হাফিজ উল্লাহ (৩৮)।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সোয়াগঞ্জ বাজার এলাকায় ইফতারির বাজার, মৌসুমি ফলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা।
রোববার (২৪ মার্চ) ভোক্তা-অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। পঁচা-বাসি এবং রং যুক্ত খাবার জব্দ করে ধ্বংস করা। অভিযানে ভোক্তা সাধারণের মাঝে যৌক্তিক মূল্যে তরমুজ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
এ তদারকি অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যাচাই করা হয়। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয় করতে, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন অপদ্রব্য না মেশাতে এবং মেয়াদহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় ও সংরক্ষণ না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় ১৫৮ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
বৃহস্পতিবার
(৫ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে ১৫৮ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত
মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ ১। কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানার রাজাকারচর গ্রামের নুরু
মিয়া এর ছেলে আল আমিন (২১) এবং ২। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার কুটিলেশিয়ারা গ্রামের
মোঃ আবুল হোসেন এর ছেলে মোঃ শাকিল (২৭)। এসময় অবৈধ মাদকদ্রব্য পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত
একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাব জানান,
তারা পরস্পর যোগসাজসে জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়া,
কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়
ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে ও পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঞা এর নেতৃত্বে এবং দাউদকান্দি উপজেলা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন সালেহিনসহ ১৭ জন সৈনিক এর সহযোগিতায় ৬ জানুয়ারি রাত ১২ টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন সাতপাড়া গ্রামস্থ ফকিরবাড়ীর মো: সেলিম মিয়ার বাড়িতে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে সেলিম মিয়াকে ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
একইরাতে টাস্কফোর্স অভিযানে মাদকসেবনের অপরাধে ৫ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদানকৃত আসামীরা দাউদকান্দি থানাধীন সাতপাড়া গ্রামের ১) মৃত আওয়াল এর ছেলে মোঃ সালাউদ্দিন (৫৪), ২) ফুল মিয়ার ছেলে ওয়াসিম (২৮), ৩) দুলাল মিয়ার ছেলে মোঃ সোহাগ (২০), ৪) মৃত নূর মোহাম্মদ এর ছেলে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম (২১), ৫) ষোলপাড়া গ্রামের আব্দুল কাশেম এর ছেলে মোঃ শাহিন(৩৫)
ইয়াবাসহ আটককৃত আসামি মো: সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঞা বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নামা শ্রীপুর দক্ষিণ রামপুর এলাকা হতে ২৫,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত বুধবার (৮ নভেম্বর) রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নামা শ্রীপুর দক্ষিণ রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২৫,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ ১। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দক্ষিণ বাগালপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে মোঃ নুর ইসলাম (৪২) এবং ২। একই থানার টংগীর পাড় গ্রামের মৃত ছফি আলী এর ছেলে মোঃ ফারুক হোসেন (২৬)।
র্যাব জানান,তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী
ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের জানাজা জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। জানাজায় শতাধিক আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) জুমার নামাজের
পর এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত আইনজীবীরা আবুল কালাম
আজাদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এরপর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাঁও এলাকায় পারিবারিক
কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকায় গত
৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হন আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। এরপর ১০ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার
(১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক
ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া তার বক্তব্যে বলেন,
আবুল কালাম আজাদ একজন বিচক্ষণ আইনজীবী ছিলেন। তাঁর এমন মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশ করে
যারা তাঁকে হত্যা করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আ
হ ম তাইফুর আলম বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের নিমর্মতার বলি হয়েছেন আমাদের সহকর্মী আবুল
কালাম আজাদ। তাকে নগরীর মোগলটুলি এলাকায় নিমর্মভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে আহত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
তাঁর মৃত্য হয়। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা এই ঘটনায় জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি
অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে নগরীর
প্রতিটি সড়কে বিজয় মিছিলের পাশাপাশি বেশ সহিংসতা চলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে
হামলার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যাই আমি, আমার ছেলে শাফিউল হক আলভী, আরফানুল হক অবরিন
এবং অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। এরপর তারা মাগরিবের নামাজ পড়তে
নগরীর মোগলটুলী এলাকায় পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও
গুলি করা হয়। এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি
করছি।
এ সময় বক্তব্য দেন পিপি জহিরুল ইসলাম
সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ
ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুর রশীদ ইয়াছিন।
জানাযার নামাজ শেষে আইনজীবী আবুল কালাম
আজাদের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাও এলাকায় নিয়ে
যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা ভগবতী এন্ড পেড়া ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু পরলোকগমন করায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়ম অনুসারে শেষকৃত্য পালনের জন্য কিরণময় দত্ত ঝুনু'র সহধর্মিণী অনিতা দত্তের হাতে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বুঝিয়ে দিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিক ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার সময় ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দালাল চক্রের সাত সদস্যকে
আটক করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে দেবিদ্বার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান
আদালতের মাধ্যমে তাদের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, ছোট
আলমপুরের এরশাদ মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন, একই গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ মিয়ার মেয়ে নাছিমা
আক্তার, বারুর গ্রামের মৃত ঈসমাইল মিয়ার ছেলে আব্দুল জলিল মিয়া, বারেরা গ্রামের সুলতান
আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন, ওয়াহেদপুর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার মেয়ে শাহেনা আক্তার,
একই গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. বুলবুল এবং রসুলপুর গ্রামের জিয়াখানের মেয়ে
ফাতেমা আক্তার।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে,
আটক দালাল চক্রের সাত সদস্য রোগীদের ভুল বুঝিয়ে হাসপাতাল থেকে বাইরের বিভিন্ন বেসরকারি
হাসপাতালে নিয়ে যেতেন অপরদিকে হাসপাতালে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ থাকার পরও
তারা বেসরকারি হাসপাতালে উচ্চ মূল্যে পরীক্ষা নিরিক্ষা করাতে বাধ্য করতেন। রোগীরা চিকিৎসা
করাতে রাজী না হলে হয়রানি করতেন চক্রের সদস্যরা।
দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বলেন, দালালেরা সরকারি হাসপাতাল
থেকে তাঁদের কমিশন ভিত্তিক বিভিন্ন ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছেন
এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযান চালিয়ে চক্রের সাত সদস্যকে আটক করে।
পরে আটক সাতজনকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান বলেন, দালাল চক্রের শতাধিক সদস্য হাসপাতালের স্বাভাবিক
স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাহত করছে। তারা দূর থেকে আসা সাধারণ রোগীদের কম টাকায় ভালো চিকিৎসা
দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে সরকারি হাসপাতাল থেকে বাহিরের বিভিন্ন ক্লিনিকে
নিয়ে যায়। এতে সাধারণ রোগীরা ভালো চিকিৎসা পাওয়ার বদলে প্রতারিত হচ্ছেন। ওই দালাল চক্রের
সাত সদস্যকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশী মদ ও ২০
বোতল বিয়ার সহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
(৩০/১১/২০২৩) রাত ২.২০ মিনিটে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) লিটন চাকমা সঙ্গীয়
অফিসার ও ফোর্স সহ চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার
ডিউটি করা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১১নং চিওড়া ইউনিয়নের চরপাড়া
এলাকায় চট্টগ্রাম টু ঢাকামুখী মহাসড়ক সংলগ্ন চরপাড়া পাকা রাস্তার মাথায় অভিযান পরিচালনার
সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১ জন ব্যক্তির কাধে ১টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা সহ পালানোর
চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় আসামী মোঃ ইয়াকুব প্রঃ ইদু মিয়া(৫০),
পিতা: মোঃ আবদুল মমিন, সাং: চিওড়া (আনু মোল্লার বাড়ী), থানা: চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্লাকে
আটক করেন। এ সময় ৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের
বিদেশী মদ ও ২০ বোতল বিয়ার উদ্ধার করে।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
মন্তব্য করুন


সংঘবদ্ধ
চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
গত
১৬ ডিসেম্বর এবং ১৮ ডিসেম্বর আবুল খায়ের মোঃ মাহবুব পারভেজ (৫৬) এবং হাসনা বেগম (৪১)
অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় দুইটি পৃথক মামলা দায়ের করে।
পরবর্তী
পুলিশ সুপার কুমিল্লার নির্দেশে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লার
একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন চাঙ্গীনি কোটবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন মনিরের বাড়ী থেকে মনিরকে
গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত ১টি এলইডি সনি টিভি এবং একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল
ফোন উদ্ধার করে। মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সহযোগী সোহেল, সুমনকে একই থানা এলাকার
কচুয়া চৌমুহনী নুরুল ইসলামের বাড়ীর ২য় তলা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। তাদের বাসা তল্লাশি
করে চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টা পাইপ রেঞ্জ, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস এবং ১টি এন্ড্রোয়েড
মোবাইল উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অপর সহযোগী বিল্লাল
(২৫)’কে চান্দিনা থানাধীন বাতাগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত
আরো ১টি এলইডি সনি টিভি উদ্ধার করা হয়।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা ডিবি জানান, তারা ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ কুমিল্লা চাঁদপুর, ফেনী জেলার
বিভিন্ন জায়গায় খালি বাসা গুলোতে তালা কেটে চুরি করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মনির (৩৭), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ, মাতা-জোহরা খাতুন, সাং- পইয়াবাড়ি (মিয়া হাজী বাড়ী),
থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা এ/পি- চাঙ্গীনি, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
২।
সোহেল (২৮), পিতা- আব্দুল হক, মাতা- পারুল বেগম, সাং- পাইপেরগোড়া, থানা- কর্ণফুলী,
জেলা- চট্টগ্রাম, এ/পি- কইচ্চা চৌমুহনী, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
৩।
সুমন (২৮), পিতা- জশিম, মাতা- ফুল মাসা, সাং- লাজুর, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা,
এ/পি- মুনসুরাবাদ (বোয়ালখোলা মাঠ), থানা- ডবলমুরিং, জেলা- চট্টগ্রাম।
৪।
বিল্লাল (২৫), পিতা- মৃত মজিবুর রহমান, মাতা- সাজিয়া বেগম, সাং- বাতাঘাসি, থানা- চান্দিনা,
জেলা- কুমিল্লা।
উল্লেখ্য
যে, আসামী মনির, সোহেল এবং বিল্লাল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১টি করে চুরি মামলা এবং সুমন
এর বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) তে সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার মো: মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আদর্শ সদর উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: সফিউল আলম, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট অর্চণা কুণ্ডু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পিটিআই সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট সনজিত কুমার সিংহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: মিজানুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত মহান বিজয় দিবস বাঙালী জাতির জীবনে অবিস্মরণীয় দিন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু বলেন, বাঙালীর বিজয় একদিনে আসেনি। জাতির পিতা বাঙালীকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলন শুরু হয়েছিলো। ১৯৭১ সালের ৭মার্চ জাতির পিতার ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় যার পরিসমাপ্তি ঘটে ১৬ ডিসেম্বর পাকহানাদারদের ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্নসমর্পনের মধ্য দিয়ে।
আলোচনা ও মতবিনিময় সভার আগে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রমাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
মন্তব্য করুন