

কুমিল্লায়
আমদানি শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আনা ভারতীয় ৫৮৭ পিস শাড়ী ও ২ টি নম্বরবিহীন
সিএনজিসহ ৪জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার
রাতে দেবিদ্বার থানায় কর্মরত এসআই মোক্তার আহমেদ মল্লিক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ দেবিদ্বার
থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান, অস্ত্র, মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন
সংবাদ পায়, দেবিদ্বার থানাধীন সাইচাপাড়া গ্রামস্থ সাইচাপাড়া হতে কালিকাপুরগামী পাকা
রাস্তার উপর দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ভারতীয় শাড়ীকাপড় নিয়ে আসছে। উক্ত সংবাদের
ভিত্তিতে এসআই মোক্তার আহমেদ মল্লিক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ দেবিদ্বার থানাধীন সাইচাপাড়া
গ্রামস্থ দক্ষিন সাইচাপাড়া (কান্দাপাড়া) জনৈক মালেক মিয়ার বাড়ির সামনে সাইচাপাড়া হতে
কালিকাপুরগামী পাকা রাস্তার উপর অবস্থানপূর্বক চেকপোষ্ট করাকালে ২টি সিএনজিকে থামানোর
জন্য সংকেত দেয়। উক্ত সিএনজি ২টি থামলে এসআই মোক্তার আহমেদ মল্লিক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ
সিএনজি ২ টি তল্লাশি কারে ১টি সিএনজিতে ৫ টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা ও অপরটিতে ৪ টি
সাদা প্লাস্টিকের বস্তাসহ মোট ৯টি সাদা বস্তায় সর্বমোট ৫৮৭ পিস ভারতীয় শাড়িকাপড় ও ২
টি সিএনজিসহ মোঃ তজন মিয়া, মোঃ শাহীন, মোঃ আল আমিন, মোঃ দিদার কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১। মোঃ তজন মিয়া(২৫), পিতা-মোঃ জজু মিয়া, মাতা-সালেহা বেগম, ২। মোঃ শাহীন(২৪)(সিএনজি
চালক), পিতা-মৃত আবু জাহের, মাতা-মৃত জোসনা বেগম, ৩। মোঃ আল আমিন(৩৫), পিতা-মোঃ দেলোয়ার
হোসেন, মাতা-মোসাঃ আলেয়া বেগম, সর্ব সাং-উত্তর তেতাভূমি, পোষ্ট-হরিমঙ্গল, সর্ব থানা-ব্রাহ্মণপাড়া,
জেলা-কুমিল্লা। ৪। মোঃ দিদার(৩২)(সিএনজি চালক), পিতা-মৃত আব্দুল লতিফ, মাতা-পিয়ারা
বেগম, সাং-আনন্দপুর, পোষ্ট-হরিমঙ্গল, থানা-ব্রাহ্মণপাড়া, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় দেবিদ্বার থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলা নং-০১, তারিখ-০১/০৯/২০২৩ খ্রিঃ, ধারা-বিশেষ
ক্ষমতা আইনের ২৫- B রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন সাহাপুর এলাকা হতে ৪৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার (২১ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন সাহাপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৪৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাহাপুর গ্রামের কফিল উদ্দিন এর ছেলে মোঃ কামরুল হাসান সোহাগ (২৮)।
র্যাব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মেয়েকে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়েছেন মা।
৮ মে বৃহস্পতিবার সকালে বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে বসত ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তারা হলেন, গোপীনাথপুর গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী আবু কালামের স্ত্রী জান্নাত ও মেয়ে হাজেরা।
বুড়িচং থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন বলেন, মা-মেয়ে দুজনের মরদেহ দেখে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় মেয়ের মরদেহ খাটের ওপর পড়ে আছে আর মা ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে মেয়েকে হত্যার পর জান্নাত আত্মহত্যা করেছেন। দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


১০ সেপ্টেম্বর রবিবার
রাতে ঠাকুরগাঁও
জেলায় মোটরসাইকেল ও
গাড়ি চোর চক্রের মূলহোতা আব্দুর রাজ্জাককে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায়
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন, রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গুলফামুল
ইসলাম।
রাণীশংকৈল থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গুলফামুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত আব্দুর রাজ্জাককে
দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
রাণীশংকৈল পৌর শহরের
ভাণ্ডারা এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে গ্রেফতারকৃত আব্দুর রাজ্জাক এবং ওই
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
১০ সেপ্টেম্বর রবিবার
রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার পরোয়ানামূলে উপজেলার রংপুরিয়া মার্কেট এলাকা
থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
রাণীশংকৈল থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গুলফামুল ইসলাম জানান, মোটরসাইকেল চোর আব্দুর
রাজ্জাককে রবিবার গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসমি দীর্ঘদিন ধরে আশপাশের
বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল, পিকআপসহ বিভিন্ন প্রকার গাড়ি চুরি করে আসছিলেন।
এছাড়া বিভিন্ন থানায় চুরি, মাদকসহ ৪৩টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামার সময় রব্বানি হোসেন(২১) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস চলন্ত ট্রেন থেকে বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশনে লাফিয়ে নামতে গিয়ে গোলাম রব্বানী নামের ওই যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন ভারপাপ্ত স্টেশন মাস্টার আব্দুল আজিজ। মৃত: রব্বানি হোসেন দিনাজপুর জেলার নবাব গঞ্জ উপজেলার কুতুব গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
রব্বানি হোসেনের ফুপাত ভাই রাকিবুল ইসলাম রনি বলেন, রব্বানি হোসেন জয়পুরহাটে ইন্টার মিডিয়েটের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ায় আজ সকালে বাড়ি ফেরার পথে ভুলকরে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠে।ট্রেনটি বিরামপুর স্টেশনে না থামলে সে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মে পড়ে প্রথমে বাড়ি খেয়ে ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে নিচে পড়ে যায়। এ সময় মাথায় ও বুকে আঁঘাত পেয়ে আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্টেশন নিরাপত্তায় দায়ীত্বরত জনৈক আনসার সদস্য বলেন, নিহত যুবকটি চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে এ দূর্ঘটনার শিকার হন।
এ দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে বিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত: ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।
কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, নাশকতাকারীরা যেখানেই থাকুক, শুধু ঢাকা শহর নয়, বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুক তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি জানিয়েছেন, আমরা নাশকতাকারীদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি, অনেককে আমরা গ্রেফতার করেছি।
রোববার (১২ নভেম্বর ২০২৩ইং) ঢাকার মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন ডিবিপ্রধান।
ডিবিপ্রধান বলেন, বিভিন্ন থানায় যেসব মামলা হয়, সেগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজ। সেই মামলাগুলোর তদন্ত করছি এবং যেগুলো দরকার অভিযান করে গ্রেফতার করছি।
তিনি আরও বলেছেন, অপরদিকে অবরোধের নামে যারা অবরোধের আগের দিন নাশকতা চালাচ্ছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে; তারা বিচ্ছিন্নভাবে অকেজো বাস, যেই বাসগুলো চলে না এগুলোতে আগুন লাগিয়ে ওই এলাকার জনমনে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন বা নাশকতাকারীরা তারা যেখানেই থাকুক, বাংলাদেশের যে প্রান্তে থাকুক তাদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি। অনেককে আমরা গ্রেফতার করেছি। আমাদের অভিযান চলছে, বাকিরাও শিগগিরই গ্রেফতার হবে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাসুদ হত্যা মামলা ও চাঁদাবাজি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হালিম মিয়া (৩০) নামে এক আসামি পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়েছে।
শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামে।
আসামি হালিম মিয়া ওই গ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, খাগাতুয়া গ্রামের মাসুদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হালিম মিয়া। হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও চাঁদাবাজি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন হালিম মিয়া। শনিবার সন্ধ্যায় খাগাতুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হালিমকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তার হাতে হাতকড়া পড়ানোর আগেই এএসআই আশরাফুল আরিফের হাতে কামড় দিয়ে আসামি হালিম মিয়া পালিয়ে যান।
পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে বলে জানান নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম।
মন্তব্য করুন


স্বামীর অসুস্থতার কারণে সংসারের হাল ধরতে মাছ বিক্রি করেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। ক্রেতারা অভিনেত্রী সাবিলা নূর কাছ থেকে মাছ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মাছের ওপর পানি ছিটানো, মাছি তাড়ানো সবই করছেন সাবিলা নূর একাই। দরদাম থেকে শুরু করে সব কিছুই তিনি করছেন।
অভিনেত্রী সাবিলা নূর বাজারে মাছ বিক্রি করছেন।
তার পেছনে মূল কারণ নাটকের শুটিং। সাবিলা নূর মৎস্যকন্যা নাটকের অভিনয় করছেন মাছ বিক্রেতা হিসেবে।
৫ আগস্ট শনিবার নির্মাতা আলোক হাসানের পরিচালনায় এ নাটকের দৃশ্যধারণ হয়েছে মিরপুরের ৬ নম্বর সেক্টরের মাছ বাজারে।
সাবিলা নূর বলেন, কিছুক্ষণ পরপর মাছে পানি ছিটানো, মাছি তাড়ানো এ কাজগুলো করতে হয়েছে। মাছ কিনতে গিয়ে আগে, এ কাজগুলো দেখেছি। কিন্তু চরিত্রের প্রয়োজনে এবার নিজেকেই সে কাজগুলো করতে হয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতার সঙ্গে সঠিকভাবে দামদরও করতে হয়েছে। বেশ ভালো এক অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, অনেকেই বুঝতে পারেনি এটি শুটিং।
মৎস্যকন্যা নাটকে আমেনা চরিত্রে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। স্বামীর অসুস্থতার কারণে সংসারের হাল ধরতে মাছ বিক্রি করেন তিনি। দয়াল সাহার চিত্রনাট্যে নাটকটিতে আরও অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু, দিশা, সাজুসহ অনেকে।
নির্মাতা আলোক হাসান জানান, জীবনঘনিষ্ঠ এক ঘণ্টার এ নাটকের শুটিং শনিবার ও আজ মিরপুর মাছবাজার ও উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে চলবে। এ নাটকে দর্শকরা নতুন এক সাবিলাকে খুঁজে পাবেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন