

কুমিল্লায়
২৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২০ ক্যান বিয়ারসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম
থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) লিটন চাকমা, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায়
মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন ৩ নং কালিকাপুর ইউপিস্থ ২ নং বদরপুর সাকিনে বদরপুর কবরস্থানের পাশে পাকা রাস্তার
উপর হতে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ হোসেন আলীকে ২৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২০ ক্যান বিয়ারসহ
গ্রেফতার করেন।
ঐ
সময় গ্রেফতারকৃত আসামীদের সংগীয় আসামী ৩। ছালে
আহাম্মদ মনির (৩৩), ৪। মোঃ জামাল (৪২), ৫। মোঃ ফয়সাল উদ্দিন (২৪) দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ লতা জাহাঙ্গীর (৪৫), পিতা-মৃত রঙ্গু মিয়া,
সাং-পশ্চিম দূর্গাপুর, পোঃ পাতড্ডা বাজার, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা,২। মোঃ
হোসেন আলী (৩২), পিতা-সেলু মিয়া, মাতা-ছালেমা বেগম, সাং-সোনাপুর, পোঃ ছপুয়া মাদ্রাসা,
থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-২১, তারিখ-১৩/০৯/২০২৩,
ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১৪(গ)/২৪(খ)/৪১ রুজু করা হয়।
জানা
যায়, গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ লতা জাহাঙ্গীর (৪৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ৮টি মাদক মামলা ও ২নং
আসামী মোঃ হোসেন(৩২) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা এবং পলাতক আসামী ৩। ছালে আহাম্মদ
মনির (৩৩) এর বিরুদ্ধে ২টি মাদক মামলা, ৪। মোঃ ফয়সাল উদ্দিন (২৪) এর বিরুদ্ধে ১টি
মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না পেয়ে
দুই সন্তানের জননী নূরজাহান বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূর স্পর্শকাতর অঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন
জায়গায় গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন।
বুধবার (১৯ জুন) ভোরে জেলার আদর্শ সদর
উপজেলার শীমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নূরজাহান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
বার্ণ ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
ঘটনার পর বুধবার বিকেলে স্বামী খোরশেদ
আলম (৪৫) ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর
বাবা জয়নাল আবেদীন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রধান আসামি
ভুক্তভোগী গৃহবধূর ভাশুর ও তার স্ত্রী এবং আরেক জা–কে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।
অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, যৌতুকের
টাকা না পেয়ে ভোর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন মিলে মারধর করে দড়ি
দিয়ে বেঁধে রাখেন নূরজাহানকে। একপর্যায়ে গরম খুন্তি দিয়ে গোপনাঙ্গ ও শরীরের বিভিন্ন
অঙ্গ পুড়িয়ে দেয় তারা। সকালে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে যায়।
নূরজাহানের বাবা জয়নাল আবেদীন বলেন,
শ্বশুরবাড়ীর লোকজন যৌতুকের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়েকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। আমি
এর আগে কয়েকবার তাদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার
হোসেন বলেন, তিন আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপর আসামিদের ধরতে
অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী নারীর ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যা ও ১২ বছরের একটি
ছেলে রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মো: কামরান হোসেন বলেন, হাসপাতালে গিয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর বক্তব্য রেকর্ড
করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামীসহ ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৩ জনকে পুলিশ
আটক করেছে। বাকিদেরও আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার
পর কুমিল্লার ১৮টি থানার কার্যক্রম সোমবার শুরু হয়।
কর্মবিরতিতে থাকা পুলিশ
কর্মকর্তা ও সদস্যরা কাজে যোগ দেওয়ায় থানার কার্যক্রমে গতি এসেছে আর এদিকে১ যঙয ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের উপস্থিতিতে সড়কে
দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্য কমতে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৩
আগষ্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, গতকাল (সোমবার) থেকে
জেলার ১৮ থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রায় সব পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ ডিউটি
করছেন। সেবা গ্রহীতাদের তারা বিভিন্ন সেবা প্রদান করা শুরু করেছেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা ইতোপূর্বে
থানার অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমগুলো শুরু করেছি। আমাদের কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০৪ জন
অফিসার ফোর্স কর্মরত আছেন সবাই কাজে যোগদান করেছেন । সোমবার ও আজ মঙ্গলবার এ দুই
দিনে ৬টি অভিযোগ এবং ১৯টি জিডি করা হয়েছে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায়। যেকোনো
সেবা প্রত্যাশীরা জিডি কিংবা অভিযোগ অনায়াসেই আমাদের ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে
করতে পারবেন। আমি এবং আমার ডিউটি অফিসাররা এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছি।
থানার সেবা আমরা চালু করেছি। কোতোয়ালি মডেল থানার কোন হামলা হয়নি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বরুড়া থানাধীন চাঞ্চল্যকর আব্দুস সাত্তার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৫ আসামীকে কুমিল্লা
জেলাধীন দাউদকান্দি এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা ও র্যাব-০২,
সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর যৌথ আভিযানিক দল।
গত
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন জালগাঁও গ্রামের ভিকটিম আব্দুস
সাত্তার (৫৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে
এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের মাধ্যমে জানা যায় যে, কুমিল্লা
জেলার বরুড়া থানার জালগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম আব্দুস সাত্তার (৫৫) এর সাথে গ্রেফতারকৃত
আসামীদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলতে থাকে। এরই জের ধরে গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ
ভিকটিম তার নিজ জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে গ্রেফতারকৃত আসামীরা ও সাথে থাকা অন্য পলাতক
আসামীরা লাঠিশোঠা দিয়ে ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে মাথায় আঘাত করে। এর ফলে
ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় অন্যান্য আসামীরা তাদের সাথে থাকা লাঠি দিয়ে ভিকটিমকে
এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে আহত করে। ভিকটিম বাঁচার আশায় সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়
নিকটবর্তী একটি কচু ক্ষেতের জলার মধ্যে উপস্থিত হলে গ্রেফতারকৃত আসামী ইমন, রাজ্জাক
ও আজাদ তাদের সাথে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ভিকটিমের বাম পা ভেঙে দেয় এবং চাকু দিয়ে আঘাত করে
ভিকটিমের দুই পায়ের হাটুর নিচে ছিদ্র করে ফেলে। ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত জেনে আসামীরা
দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী সহ অন্যান্য লোকজন ভিকটিমকে
ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে সিএনজি যোগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী রোশন আরা বেগম (৪০) বাদী হয়ে
কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত
ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে
র্যাব-১১, কুমিল্লা ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা মাঠ পর্যায়ে ছায়াতদন্ত
শুরু করে। ছায়া তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা
ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল গত ১৮/০৯/২০২৩ ইং তারিখ
সকালে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার টোল প্লাজা এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে এই হত্যা মামলার ০৪ নং আসামী ইমন @ রিমন (২০), পিতা-মোঃ বাবুল, ০৬
নং আসামী আব্দুর রাজ্জাক (৪৫), পিতা-মৃত আবুল হাসেম, ০৭ নং আসামী সেকান্দার আলী (৬০),
পিতা-মৃত কলিম উদ্দিন, ০৮ নং আসামী জয়নাল (৪৬), পিতা-মৃত আব্দুল গনি ও ০৯ নং আসামী
আজাদ (৪০), পিতা- মৃত আব্দুল গনি, সর্ব সাং- জালগাঁও, থানা-বরুড়া, জেলা-কুমিল্লা’কে
গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা
পুলিশ।
আজ
(২৭ জানুয়ারী) রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ মামুন মিয়া ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীমন্তপুর
গ্রামস্থ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঢাকা অভিমুখী লেনে সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস যাত্রী
ছাউনী সামনে রাস্তার উপর চট্টগ্রাম থেকে আসা সোহাগ পরিবহন একটি বাসে থাকা যাত্রী মোঃ
ফখরুল ইসলাম প্রকাশ আমিনুল ইসলাম খোকন (৫০) এর দেহ তল্লাশী করে একটি কাগজের খামে ১০টি সাদা রংয়ের এয়ার টেপ্ড প্যাকেটের
ভিতর রক্ষিত প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে সর্বমোট ২০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার
করা হয় এবং মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ফখরুল ইসলাম প্রকাশ আমিনুল ইসলাম খোকন কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ ফখরুল ইসলাম প্রকাশ আমিনুল ইসলাম খোকন (৫০), পিতা-মোয়াজ্জেম
হোসেন চৌধুরী, মাতা-হাবিবা বেগম, স্ত্রী- জেসমিন আক্তার, সাং-দক্ষিণ রুপকানিয়া ( নয়া
পাড়া, মোয়াজ্জেম চৌধুরী বাড়ী), পোঃ বারোদোনা, থানা-সাতকানিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম।
উক্ত
ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ৬৪৮ বোতল ফেন্সিডিল আটক করেছে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
অদ্য ০৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ লক্ষীপুর পোষ্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/১০-এস হতে ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মান্দারি নামক স্থান হতে ৬৪৮ বোতল ফেন্সিডিল আটক করে।
আটককৃত ফেন্সিডিল এর আনুমানিক মূল্য ২,৫৯,২০০/- (দুই লক্ষ ঊনষাট হাজার দুইশত) টাকা।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন আরমা দত্ত (কুমিল্লা)।
দ্বাদশ
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী
লীগ।
বুধবার
(ফেব্রুয়ারি ১৪) বিকেলে গণভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থীর নাম
ঘোষণা করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার আগে দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে
নারী আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।
দ্বাদশ
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কেনেন ১ হাজার ৫৪৯ জন।
সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী
লীগের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন:
১.
রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়)
২.
দ্রোপদী দেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও)
৩.
আশিকা সুলতানা (নীলফামারী)
৪.
রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট) - আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য সম্পাদক
৫.
কোহেরী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর)
৬.
জারা জেবিন মাহবুব (চাপাইনবাবগঞ্জ)
৭.
রুনু রেজা (খুলনা)
৮.
ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট)
৯.
ফারজানা সুমি (বরগুনা)
১০.
খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা)
১১.
ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী)
১২.
উম্মে ফারজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ)
১৩.
নাদিরা বিনতে আমির (নেত্রকোনা)
১৪.
মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট)
১৫.
পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ) - আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য
১৬.
আরমা দত্ত (কুমিল্লা)
১৭.
লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা)
১৮.
মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা) - সদ্য সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী
১৯.
বেদৌড়া আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ)
২০.
শবনম জাহান (ঢাকা)
২১.
পারুল আক্তার (ঢাকা)
২২.
সাবেরা বেগম (ঢাকা)
২৩.
শাম্মী আহমেদ (বরিশাল) - আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক
২৪.
নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা)
২৫.
ঝর্ণা আহসান (ফরিদপুর)
২৬.
ফজিলাতুন নেছা (মুন্সীগঞ্জ) - সদ্য সাবেক মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী
২৭.
সাহেদা তারেক দিপ্তী (ঢাকা)
২৮.
অনিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা)
২৯.
শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা)
৩০.
মাসুদা সিদ্দিক রোজি (নরসিংদী)
৩১.
তারানা হালিম (টাঙ্গাইল) - আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য
৩২.
শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল) - আওয়ামী লীগের শিক্ষা সম্পাদক
৩৩.
মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর) - নির্বাচনে পরাজিত
৩৪.
অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল)
৩৫.
হাসিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা)
৩৬.নাজমা
আক্তার (গোপালগঞ্জ)
৩৭.
ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর) - আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক
৩৮.
আশরাফুন নেছা (লক্ষ্মীপুর)
৩৯.
কানন আরা বেগম (নোয়াখালী)
৪০.
শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম)
৪১.
ফরিদা খানম (নোয়াখালী)
৪২.
দিলারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম)
৪৩.
ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙামাটি)
৪৪.
সানজিদা খানম (ঢাকা) - আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, নির্বাচনে পরাজিত
৪৫. নাছিমা জামান ববি (রংপুর)
৪৬.
নাজনীন নাহার রোশা (পটুয়াখালী)
৪৭.
ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম) - আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক
৪৮.
রুমা চক্রবর্তী (সিলেট)
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্তে ১ কোটি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকার
ভারতীয় কিং কোবরা বাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ
বুধবার (১২ মার্চ) ভোরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার
সীমান্তবর্তী মিয়াবাজার এলাকা থেকে বাজিগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবির কুমিল্লা ক্যাম্পের ১০ ব্যাটালিয়নের
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্র জানায়,
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধীনস্থ
কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল বুধবার ভোর ৫টার দিকে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও
চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। এসময় সীমান্ত শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ৬ কিলোমিটার
বাংলাদেশের ভেতরে মিয়াবাজার ফুড প্যালেস সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০
পিস কিং কোবরা বাজি জব্দ করা হয়।
যার বর্তমান বাজার মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ ৫৬
হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লে.
কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ বলেন, ঈদকে সামনে রেখে দেশে অবৈধ অনেক মালামাল প্রবেশ করছে। আমরা সে বিষয়ে নজর
রাখছি। তারই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকার কিং কোবরা বাজি
আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হই। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়ীতে
চাঞ্চল্যকর বিধবা মহিলাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার ঘটনায় মৃত্যুদন্ড সাজাপ্রাপ্ত
একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩ মার্চ হতে ৪ মার্চ ২০১০ ইং তারিখের
মধ্যবর্তী সময়ে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ভিংলাবাড়ীতে বিধবা মহিলা আনোয়ারা
বেগম খুন হয়। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মার্চ ২০১০ ইং তারিখ রাতে বিধবা মহিলা নিজ
শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায় এবং পরবর্তী দিন ৪ মার্চ ২০১০ ইং তারিখ সকালে খাটের উপরে বিধবা
মহিলার মৃতদেহ পাওয়া যায়। এসময়ে বিধবা মহিলার মুখে, গালে, গলায় জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়।
এরই প্রেক্ষিতে ঐ দিনই মৃত বিধবা মহিলা মেয়ে বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানায়
একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে উক্ত হত্যাকান্ডের বিচারকার্য শুরু হলে ঘটনার
সাথে জড়িত আসামী আল আমিন দীর্ঘদিন যাবত পলাতক অবস্থায় থাকে এবং তার অনুপস্থিতিতেই বিচারকার্য
শেষে বিজ্ঞ আদালত তার নামে মৃত্যুদন্ডের সাজা পরোয়ানা জারি করেন।
এরই ভিত্তিতে ১২ জুন রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন
পবনকল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী আল আমিনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার
দেবিদ্বার থানাধীন ডিংলা বাড়ী এলাকার সাজু মিয়ার ছেলে আল আমিন (৩৪)।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী আল
আমিন (৩৪) উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। এছাড়াও হত্যাকান্ডের
পর হতে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক বিচারকার্য শেষ হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন সময় নিজের গ্রেফতার
এড়াতে সে বিভিন্ন জায়গায় আত্নগোপনে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে সাজা কার্যকরের
জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিপ্লব চক্রবর্ত্তী:
শঙ্কর মজুমদার ২০২০ সালের
২৮ জুন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদানের
পর অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দু-দুটো সাফ্যলতার মধ্যে দিয়ে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।
বিজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শঙ্কর মজুমদার এর সৎ নেতিত্বে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিজিডিসিএল পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং পেট্রোবাংলা
ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও সম্মানিত গ্রাহকগণের ঐকান্তিক
সহযোগিতায় পেট্রোবাংলার সাথে এর আওতাধীন কোম্পানি সমূহের মধ্যে সম্পাদিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের
বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির বার্ষিক পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন
কোম্পানি লিমিটেড ১০০% মার্ক পেয়ে যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। তাহার সৎ নেতিত্বে
অন্যতম আরেকটি সাফল্য হলো গত ১০ই জুন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড
এর এই প্রথম জাক-জমাটপূর্ণভাবে ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছিলো.যোগদানের
৩৯ মাসেই নিষ্ঠা ও সততার সাথে তিনি কোম্পানীর অভ্যন্তরীন ও ব্যহ্যিক কার্যক্রম কে এক
নতুন ধারায় পরিচালনা করে সাফল্যতার শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।
১৯৮০ সালের ৭ই জুন ‘বাখরাবাদ
গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড’ নামে একটি মডেল কোম্পানী হিসেবে বাখরাবাদ গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী
লিমিটেড এর যাত্রা শুরু হয়। ফেনী, লহ্মীপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
৪ লাখ ৯০ হাজার ৬১০জন আবাসিক গ্রাহক,৭৪ টি সিএনজি পাম্প, ১৩ টি বিদুৎ কেন্দ্রে, ১ টি
সার-কারখানায়, ১৯৬ টি শিল্প কারখানায়, ৮২ টি ক্যাপটিভে ও ২১৩৮ টি ব্যাণিজিকে বাখরাবাদ গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড
গ্রাহকদের সেবা প্রদান করে আসছে। সবোর্চ্চ অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলায় ও সর্ব্বনিম্ম অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার হচ্ছে লক্ষীপুর জেলায়।
গত ২০২১-২২ অর্থবছরে এপিএ
বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় বিজিডিসিএল
নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বিপরীতে ৯৯.৭২% স্কোর পেয়েছে এবং পেট্রোবাংলার ১৩টি
কোম্পানির মধ্যে ৩য় স্থান অর্জন করেছে।
গ্রাহকদের সেবায় যোগদানের
পরেই তিনি সর্বপ্রথম আবাসিক, ব্যানিজিক, শিল্প ও সিএনজি পাম্পে অবৈধ গ্যাস সংযোগের
কাজে জড়িত অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
২০২১-২০২২ অর্থবছরে সরকারী
কোষাগারে একশো তেরো কোটি চুআঁশি লক্ষ টাকা প্রদান তিন হাজার আটশত চৌদ্দটি অবৈধ সংযোগ
বন্ধ ও অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদ,২৩ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল আদায় করা হয়েছে। ইতিমধ্যে
২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে প্রায় ৪০০ টি অবৈধ সংযোগ বন্ধ ও অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদ এবং ৭৫ লক্ষ
টাকার বকেয়া বিল আদায় করা হয়েছে. তিনি অবৈধ সংযোগ বন্ধ ও অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদের সহায়তার
জন্য ১২ টি নতুন গাড়ি ক্রয় করেছেন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য হাউজ বিল্ডিং ঋণ
২৫ লক্ষ থেকে ৪% বৃদ্ধি করে ৬০ লক্ষ টাকা করেছেন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য
সুরক্ষার কথা চিন্তা করে নতুন ইসিজি মেশিন ক্রয় করেছেন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অবসরে
যাওয়ার পর দ্রুততার সাথে ১৮ মাসের বেতন ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা
করেছেন। এমনকি উনার সার্বিক দিক নির্দেশনায় বিগত বছরের তুলনায় গত দুবছর শতভাগ সাফ্যলতার
সাথে বাখরাবাদ গ্যাস আদর্শ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে আসছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শঙ্কর মজুমদার এর সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিভিন্ন কার্যক্রমের
মাধ্যমে বকেয়া আদায় সহ রাজস্ব আয় এর পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে. এই ধারাবাহিকতায় গ্রাহকদের
সেবা ও সরকারের রাজস্ব আদায়ে বিজিডিসিএল অতীতের তুলনায় বেশ সফলতা অর্জন করে আসছে।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নুরে আলম (৪২) ও মোঃ ইউনুছ (৪৩) নামে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় জেদ্দা-রিয়াদ মহাসড়কের আফিফ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরে আলম কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের বাসুদাই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমান সওদাগরের ছেলে এবং মোঃ ইউনুছ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসুয়ারা ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নুরে আলম ও ইদ্রিস মিয়া সৌদি আরবের রিয়াদে যৌথভাবে ব্যবসা করতেন। শুক্রবার জেদ্দা থেকে দোকানের মালামাল নিয়ে রিয়াদের উদ্দেশ্যে ফেরার পথে আফিফ এলাকায় তাদের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহত নুরে আলমের স্ত্রী সুমি আক্তার বলেন, আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে আমরা দিশেহারা। আমার স্বামীর মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু রায়হান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ যোগাযোগ করেনি। পরিবার আবেদন করলে মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই প্রবাসীর মৃত্যুর খবর আমরা পেয়েছি। পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করলে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহ দেশে আনার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন