

কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৩-২৪ কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ৬ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টায় বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি ক্রীড়াই হচ্ছে একমাত্র মাধ্যম যা এ প্রজন্মের শিশু কিশোর, তরুন তরুনীদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ্য রাখতে পারে।
তিনি স্কুল ক্রিকেটের সফলতা কামনা করেন এবং এখান থেকে অংশ নিয়ে কুমিল্লার ছেলেরা জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক পঙ্কজ বড়ুয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।তিনি স্কুল ক্রিকেটে কুমিল্লার শক্ত অবস্থানের বিষয়ে তুলে ধরেন।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় প্রথমে ব্যাট করে কুমিল্লা মর্ডান স্কুল ৪০ ওভারে ১৬৯ রান করে। জবাবে ইবনে তাহমিয়া স্কুল ৩৪.৩ ওভারে ১২৮ রানে অলআউট হয়।
এবারের স্কুল ক্রিকেটের আসরে কুমিল্লার ৮টি স্কুল অংশ নিচ্ছে। ক ও খ দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ৮টি স্কুল দল। ক- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল, এ্যাথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ও কুমিল্লা ইউসুফ হাই স্কুল। খ- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা হাই স্কুল, কুমিল্লা জিলা স্কুল, কুমিল্লা পুলিশ লাইন স্কুল ও কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর ব্যবস্থাপনায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট হচ্ছে।
স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম সোহাগ, প্রাইম ব্যাংক কুমিল্লা শাখা ভিপি মোঃ মাহবুব মোর্শেদ, যুগ্ম সম্পাদক বাদল খন্দকার, কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া, সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির, অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর ক্রীড়া শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারত নারী দলকে একশর নিচে আটকে দিয়ে সিরিজে ফেরার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তা আর হয়নি। এবার সিরিজের শেষ ম্যাচে আরও একবার লেটার মার্ক তুললেন বাংলাদেশের বোলাররা। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় এবার আর ভুল করলেন না ব্যাটাররা। তাতে শেষ ম্যাচ জিতে মান বাঁচালো বাংলাদেশ।
মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান সংগ্রহ করেছিল ভারত। যেখানে সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে হারমানপ্রীতের ব্যাট থেকে। জবাবে ১৮ ওভার ২ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা।
১০৩ রানের লক্ষ্যমাত্রায় ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ।
অধিনায়ক ফিরলেও শামিমা এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করছিলেন। কিন্তু ৪২ রান করে এই ওপেনার রান আউটে কাটা পড়লে হারের শঙ্কায় পড়ে দল। তবে সুলতানা খাতুন ও নাহিদা আক্তারের ব্যাটে সেই শঙ্কার মেঘ উড়ে গেছে।
১৬ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন টপ অর্ডারের দুই ব্যাটার। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে নিগার সুলতানা জ্যোতিকে নিয়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন শামিমা সুলতানা। তবে অধিনায়ক এদিন খুব বেশি দূর এগোতে পারলেন না। ১৪ রান করে জ্যোতি সাজঘরে ফিরলে ভাঙ্গে ৪৬ রানের জুটি।
এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ফেরেন স্মৃতি মান্দানা। এরপর শেফালিও দ্রুত ফিরেছেন। তবে জেমিমা রদ্রিগেজ ও হারমানপ্রীত কৌরের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। তবে অধিনায়ক ৪০ রান করে ফিরলে আর কেউই বলার মতো তেমন কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে কোনোরকমে একশ রান পার করে ভারত নারী দল।
মন্তব্য করুন


ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকে প্রাথমিক ক্যাম্পে ডেকেও দেশে আনা হয়নি। এ নিয়ে দেশের ফুটবলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হওয়া এ ক্ষোভ গড়িয়েছে আন্দোলনেও।
এমন পরিস্থিতিতে
রাজধানীর নগর ভবনে আজ দুপুর আড়াইটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা
হামজা চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে চলমান সঙ্কট নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার
সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
এসময় ক্রীড়া উপদেষ্টা
সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনে
সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যার যার জায়গা করে নেবে, এমন
কোন কিছুর আভাস মিললে ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ফাহমিদুলকে আমরা বাদ দিয়ে দেইনি। তবে
ওকে আমরা আরও সময় দিতে চেয়েছি। আগামী জুনেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে,
খুব শিগগিরই হয়তো তাকে আমরা মাঠে দেখতে পারি। সমর্থকদের এতটুকু বলবো, হতাশ হওয়ার
কিছু নেই।
আন্দোলনের
সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের কারণেই নেওয়া হয়নি ফাহমিদুলকে।
আলোচনায় সিন্ডিকেট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনা অভিযোগ এবং ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই যোগ্য খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ নেই। প্লেয়ার সিলেকশনে যেনো স্বজনপ্রীতি বা সিন্ডিকেটের শিকার কেউ না হোন সে বিষয়ে বাফুফেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
যে কোনো সঙ্কট
মোকাবিলায় বাফুফেকে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার
আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আধুনিক ধারার দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার প্রয়াসকে প্রশংসিত করে ক্রীড়া উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানান হামজা। বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত, দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের আয়োজনে সকল বয়সের নারী পুরুষদের নিয়ে কুড়িগ্রামে দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় করছে।
আজ সকালে কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে কালে ডাক্তার পাড়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সকাল থেকেই বেশ কৌতূহল নিয়ে ডাক্তারপাড়া গ্রামে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সী মানুষদের আগমনে মিলন মেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠানটি। এসব খেলা দেখতে এলাকার সব বয়সী মানুষের অংশ গ্রহণে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। কিছুক্ষণের জন্য অনেকে যেন নিজের বয়স ভুলে ফিরে যান অতীতে কিংবা শৈশবে।
গ্রামীণ খেলাধুলার মধ্যে ছিল বিস্কুট দৌড়, হাড়িভাঙ্গা, বালিশ খেলা, সুঁই সুতা, সাঁতার, চোখ বেঁধে হাঁস ধরা, তৈলাক্ত কলা গাছ বেয়ে চড়া, পানিতে বলিশ খেলা ও যেমন খুশি তেমন সাজ। সকল বয়সের শতাধিক নারী পুরুষ ৯টি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ী ৩০জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও পিপি এস এম আব্রাহাম লিংকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি সাঈদ হাসান লোবান, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান মাসুদ, কুড়িগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায়, বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ লিটন মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সূর্য, দৈনিক মানবজমিন ও করতোয়ার সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিন্টু, উলিপুর ডট কমের সিনিয়র রিপোর্টার অমিত চন্দ্র পাল প্রমুখ।
খেলা দেখতে আসা মোঃ আব্দুল হাই বলেন, এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের অতীত খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম।
শিক্ষার্থী মোঃ নুর মামুন বলেন, টিভিতে মাঝে মধ্যে এসব খেলা দেখি।আজ স্বচোখে দেখে খুব মজা করছি। আগে গ্রাম গঞ্জে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে বৈশাখী মেলায় গ্রামে গ্রামে এসব খেলা হতো।এখন এগুলো প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ও নতুন প্রজন্মদের জন্য এসব খেলা অবহ্যত রাখা উচিৎ।
দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের সভাপতি রেজওয়ানুল হক নুরনবী বলেন, গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আহবায়ক শ্যামল ভৌমিক বলেন, কালের বিবর্তনে গ্রামীণ খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক যুগে মোবাইল ইন্টারনেটের কারনে এসব খেলা থেকে মানুষজন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সরকার ও সচেতন মহলের উচিৎ গ্রামীণ খেলাধুলাকে বাচিয়ে রাখতে সু দৃষ্টি রাখা।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে সাবিনাদের অলিম্পিক বাছাইয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই নানা সমালোচনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সর্বশেষ আজ হাইকোর্ট থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে চার মাসের মধ্যে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করার।
আজ সকালে হাইকোর্ট থেকে এই নির্দেশনা আসার ঘন্টা দু’য়েকের মধ্যে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ফেডারেশনে আসেন। ভবনের নিচেই উপস্থিত সাংবাদিকরা সালাউদ্দিনের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে কিছুক্ষণ পর উপস্থিত সবাইকে ডেকে কথা বলবেন বলে জানান। ফেডারেশনে তার কক্ষে উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদেরও তিনি বলেছিলেন মিডিয়ায় এই বিষয়ে কথা বলবেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সাংবাদিকরা অবশ্য বাফুফে ভবনে অপেক্ষায় থাকেন দীর্ঘক্ষণ। প্রবেশের মতো সালাউদ্দিন বেরিয়ে যাওয়ার পথেও সাংবাদিকদের সামনে পড়েন। তখন পুনরায় তাকে জিঞাসা করলে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি।
সম্প্রতি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গণমাধ্যমে কথা বলতে এসেই নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছেন তাই এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, 'এখনো আমরা নির্দেশনার কোনো কপি পাইনি। আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আপনাদেরও অবহিত করা হবে।’
আরও পড়ুন>>> দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত কাজী সালাউদ্দিন
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তার অধীভুক্ত সংস্থাগুলোতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করে না। তৃতীয় পক্ষের বড় ধরনের হস্তক্ষেপ থাকলে সেই সংস্থাকে বহিষ্কারও করে। দুদকের প্রতি হাইকোর্টের এই নির্দেশনা ফিফার আইন ও দৃষ্টিতে কেমন এ নিয়েও বাফুফে কর্তারা কিছু বলেননি।
বাফুফেতে দুর্নীতির বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে দুদক বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, নির্বাহী সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবু হোসেনকে চিঠি দিয়েছিল। সেই তদন্ত বেশ কিছু দিন চলার পর কাজী সালাউদ্দিনের তদন্তে কিছু পাওয়া যায়নি বলে চিঠি দিয়ে নিষ্পত্তিও করেছিল।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


ফিফা কর্তৃক আনীত অভিযোগের ওপর বাফুফে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তিনটি সভা করেছে। আজ তৃতীয় সভায় বাফুফের চার জন স্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
বাফুফের নির্বাহী সভায় তদন্ত কমিটির প্রথম সভার পর ৩০ কার্যদিবসের সময়সীমা দিয়েছে। বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই তাদের কাজ সম্পন্ন করার আশাপোষন করলেন, ‘৩০ কার্যদিবস জুনের মাঝামাঝি হয়। আমরা এই সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করতে পারব। হয়তো ২/১ দিন বেশি লাগতে পারে।’
প্রথম সভায় কমিটি তাদের কর্মপরিধি ও পন্থা নিয়ে আলোচনা করেছে। দ্বিতীয় সভা থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে তলব করেছে। দ্বিতীয় সভা তিন জনের পর আজ তৃতীয় সভায় চারজনকে তলব করেছে। বাফুফে স্টাফদের কাছ থেকে তদন্ত কাজে আন্তরিকতা পাচ্ছেন বলে জানান আহ্বায়ক, ‘যারা তদন্তে আসছেন তারা আমাদের আন্তরিকতা দিয়ে তথ্য দিচ্ছেন’।
ফিফার ৫১ পাতার রিপোর্টে ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে অসঙ্গতি ছিল অনেক। বাফুফে যে সকল প্রতিষ্ঠান থেকে সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে। তাদেরকে তদন্তে আনা হবে কিনা এই প্রসঙ্গে নাবিল বলেন, ‘এই বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে’।
তদন্ত কমিটি এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি সভা করেছে। চতুর্থ সভাটিও আগামী সপ্তাহের শুরুতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে খুলনা। আগে ব্যাট করে
লড়াই করার মতো পুঁজি
পেয়েছে বিজয়বাহিনী। আসরের
শুরুটা ভালোই ছিল খুলনা টাইগার্সের।
কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি
খুলনা টাইগার্স।
২০২৪
বিপিএলের ৩২তম ম্যাচে আজ
৮ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সামনে ১৬৫ রানের লক্ষ্য
ছুড়ে দিয়েছে খুলনা টাইগার্স। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন
দলটির ক্যারিবীয় মিডল অর্ডার ব্যাটার
এভিন লুইস। শেষদিকে ১১ বলে ২০
রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন
দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ওয়েইন পারনেল।
চট্টগ্রামের
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস আগে ব্যাট
করতে নামে খুলনা। ২
ওপেনার অ্যালেক্স হেলস ও আফিফ
হোসেন মিলে ৩২ রানের
জুটি গড়েন। হেলস ১৭ বলে
২২ রান করে বিদায়
নেন। তুলনায় আফিফ রান তোলেন
ধীরে। ৩৩ বলে ২৯
রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেলস বোল্ড হয়ে
ফেরেন ম্যাথু ফোর্ডের বলে। তারপর
অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ১৩
বলে ১৮ রান করে
মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বিদায় নেন।
আর আফিফ ফেরেন তরুণ
স্পিনার আলিস ইসলামের ঘূর্ণিতে
পরাস্ত হয়ে। দলীয় ৭৩
রানে ৩ উইকেট হারালেও
বিপদে পড়েনি খুলনা। কারণ হাল ধরেন
লুইস ও জয়। ২জনের
জুটিতে আসে ৫৭ রান।
ফেরেন ১৯ বলে ২৮
রান করে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আসন্ন কাতার সফরে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হচ্ছেন বাংলাদেশের চার জাতীয় নারী
ক্রীড়াবিদ। তাঁরা হলেন ফুটবলার আফিদা খন্দকার ও শাহেদা আক্তার রিপা, ক্রিকেটার সুমাইয়া
আক্তার ও শারমিন সুলতানা।
এবারই প্রথম কোনো
সরকার প্রধানের রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হতে যাচ্ছেন নারী ক্রীড়াবিদদের একটি দল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা
৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁর সফরসঙ্গী
হতে যাওয়া এই চার ক্রীড়াবিদ। বাংলাদেশের এই নারী ক্রীড়াবিদদের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
কাতার সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে কাতার ফাউন্ডেশন।
প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন চার নারী ক্রীড়াবিদ।
তারা বলেন, ‘আমরা
এ সফরের আমন্ত্রণ পেয়ে ভীষণ আনন্দিত এবং আমাদের টিমমেটরাও আমাদের এ আমন্ত্রণে উচ্ছ্বসিত।’
নারী ফুটবলাররা জানান,
‘দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে এশিয়ার অন্য দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার খুব একটা সুযোগ আমাদের হয়
না। আমরা কাতার নারী টিমকে আমাদের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানাতে চাই। এ
সফরে আমরা তাদের স্পোর্টস ফ্যাসিলিটিসগুলো ঘুরে দেখতে চাই। তাদের প্রফেশনাল চিন্তাভাবনাগুলো
জানতে চাই।’
নারী ক্রিকেটাররা
প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘কাতারে ক্রিকেট তেমনটা জনপ্রিয় নয়। আমরা এ সফরে ক্রিকেট নিয়ে
তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরির চেষ্টা করব। আমাদের পুরুষ ক্রিকেট দল ও নারী ক্রিকেট দলের
গল্পগুলো তুলে ধরব। আমরা একটি প্রেজেন্টেশন তৈরি করে নিয়ে যাব।’
বৈঠকে নিজেদের জীবন
সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টাকে জানান চার নারী ক্রীড়াবিদ। সরকার প্রধানের সঙ্গে রাষ্ট্রীয়
সফরের সুযোগ দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান তারা।
তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা
ও কাতার সফর নিয়ে পরিকল্পনা শুনে ব্যাপক উৎসাহ ও সমর্থন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘আমি চাই,
তোমরা তোমাদের জীবনের সত্যিকারের কথাগুলো তাদের কাছে তুলে ধরবে। তোমরাই এদেশের স্পোর্টস
অ্যাম্বাসেডর। সেখানে তোমরা এদেশের স্পোর্টসকে প্রতিনিধিত্ব করবে। তোমাদের এ রাষ্ট্রীয়
সফরে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারে আমিও ভীষণ আনন্দিত।’
নারী ক্রীড়াবিদদের
এ সফর সফল করতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস
দেন মুহাম্মদ ইউনূস।
আর্থনা সম্মেলনে যোগ
দিতে আগামী সোমবার চারদিনের সফরে কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত বাজে ফর্মের কারণে ব্যাপক ট্রল আর সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সেই বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে ধারবাহিক হওয়ায়র ইঙ্গিত দেন। এরপর শুধুই ধারবাহিকতা নয়, সেই সব ট্রল আর সমালোচনার জবাবও দিচ্ছেন ব্যাট হাতে। গতকালের ম্যাচ শেষে এই ব্যাটারের প্রশংসা শোনা গেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের কন্ঠেও।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্তর। ৬৫.৩৩ গড়ে সিরিজের সর্বোচ্চ ১৯৬ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। যেখানে তিনি ব্যাটিং করেছেন ১০২.৬১ স্ট্রাইকরেটে। এমন পারফরম্যান্সে সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠেছে তার হাতে।
শান্তর জন্য সিরিজটি প্রাপ্তিতে ভরপুর ছিল। প্রথম ম্যাচটি যদিও ছিল অপূর্ণতার। আউট হয়ে যান ৪৪ রান করে। তবে পরের ম্যাচে দলের অসাধারণ রান তাড়ায় নায়ক তিনি ৯৩ বলে ১১৭ রান করে। যেটি তাকে এনে দেয় এই সংস্করণে প্রথমবার ম্যাচ সেরা হওয়ার সম্মান। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে খেলেন ক্যামিও ইনিংস আর বল হাতে স্বাদ পান প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের। তাতে নিশ্চিত হয় দলের সিরিজ জয় আর নিজে পান প্রথমবার ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি।
গত বছর পর্যন্ত ১৫ ওয়ানডে খেলে একবারও ৪০ ছুঁতে পারেননি শান্ত। এ বছর ৭ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটি হয়ে গেল। ব্যাটিংয়ে এই ধারাবাহিকতার পাশাপাশি আলাদা করে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি ফিল্ডিংয়ে। এই আয়ারল্যান্ড সিরিজেও অসাধারণ ফিল্ডিং করেছেন মাঠের নানা প্রান্তে। এসবের পাশাপাশি শান্তর দল অন্তপ্রাণ মানসিকতাও তুলে ধরলেন তামিম।
তিনি বলেন, 'সবশেষ ২-৩ সিরিজ ধরেই সে খুব ভালো খেলছে। নিয়মিত রান করছে। আমাদের জন্য যা দারুণ ব্যাপার। তিন নম্বর এমন একটি পজিশন, যেখানে লম্বা সময়ের জন্য কাউকে আমরা নিয়মিত পাইনি। আমার মনে হয়, তিন নম্বরে সে নিজের জায়গা পাকা করেছে।'
'সে রান করছে নিয়মিত। শুধু রানই নয়, যেভাবে সে মাঠে ফিল্ডিং করে, সব জায়গায় নিজের সেরাটা দেয়। গ্রেট টিমম্যান… ওর জন্য আমি খুবই খুশি।'-আরও যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন