

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা।
সোমবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা রাজেস রড়ুয়া পিপিএম প্রকৃত মালিকগণের কাছে মোবাইল গুলো হস্তান্তর করে।
মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কুমিল্লা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


সংঘবদ্ধ
চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
গত
১৬ ডিসেম্বর এবং ১৮ ডিসেম্বর আবুল খায়ের মোঃ মাহবুব পারভেজ (৫৬) এবং হাসনা বেগম (৪১)
অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় দুইটি পৃথক মামলা দায়ের করে।
পরবর্তী
পুলিশ সুপার কুমিল্লার নির্দেশে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লার
একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন চাঙ্গীনি কোটবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন মনিরের বাড়ী থেকে মনিরকে
গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত ১টি এলইডি সনি টিভি এবং একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল
ফোন উদ্ধার করে। মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সহযোগী সোহেল, সুমনকে একই থানা এলাকার
কচুয়া চৌমুহনী নুরুল ইসলামের বাড়ীর ২য় তলা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। তাদের বাসা তল্লাশি
করে চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টা পাইপ রেঞ্জ, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস এবং ১টি এন্ড্রোয়েড
মোবাইল উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অপর সহযোগী বিল্লাল
(২৫)’কে চান্দিনা থানাধীন বাতাগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত
আরো ১টি এলইডি সনি টিভি উদ্ধার করা হয়।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা ডিবি জানান, তারা ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ কুমিল্লা চাঁদপুর, ফেনী জেলার
বিভিন্ন জায়গায় খালি বাসা গুলোতে তালা কেটে চুরি করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মনির (৩৭), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ, মাতা-জোহরা খাতুন, সাং- পইয়াবাড়ি (মিয়া হাজী বাড়ী),
থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা এ/পি- চাঙ্গীনি, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
২।
সোহেল (২৮), পিতা- আব্দুল হক, মাতা- পারুল বেগম, সাং- পাইপেরগোড়া, থানা- কর্ণফুলী,
জেলা- চট্টগ্রাম, এ/পি- কইচ্চা চৌমুহনী, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
৩।
সুমন (২৮), পিতা- জশিম, মাতা- ফুল মাসা, সাং- লাজুর, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা,
এ/পি- মুনসুরাবাদ (বোয়ালখোলা মাঠ), থানা- ডবলমুরিং, জেলা- চট্টগ্রাম।
৪।
বিল্লাল (২৫), পিতা- মৃত মজিবুর রহমান, মাতা- সাজিয়া বেগম, সাং- বাতাঘাসি, থানা- চান্দিনা,
জেলা- কুমিল্লা।
উল্লেখ্য
যে, আসামী মনির, সোহেল এবং বিল্লাল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১টি করে চুরি মামলা এবং সুমন
এর বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কুমিল্লা সেক্টর এর উদ্যোগে কুমিল্লায় গোমতী নদী তীরবর্তী বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে ।
২২ আগস্ট ২০২৪, বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীন এ বিবির বাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গোমতী নদীর তীরবর্তী বন্যাদুর্গত এলাকার অসহায় মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে বিজিবি।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরাফাত হোসেন অনি এ ব্যাপারে জানানোর পাশাপাশি আরো বলেন, বিজিবির উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া গোমতী নদীর তীরে ফাটল দেখা দিলে নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ নির্মাণ করছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোটরসাইকেলসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা
শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
জেলা
গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই (নিঃ) তুষ্টলাল বিশ্বাস, এএআই মোঃ আব্দুল্লাহ, এএসআই মোঃ
সাইদুর রহমান, এএসআই আব্দুস সালাম ও সংগীয় ফোর্সসহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায়
মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ সেপ্টেম্বর
রাতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬নং জগন্নাথপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের
জগন্নাথপুর সাকিনস্থ জনৈক সোহাগের বাড়ীতে প্রবেশের রাস্তার জনৈক নাজির এর অটোরিক্সা
গ্যারেজের সামনে রাস্তার উপর মোঃ মামুন মিয়া ও মোঃ জসিম এর দেহ তল্লাশী করে ১০০০ পিস
ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করা হয়। আসামীদ্বয়ের বহনকৃত একটি কালো রংয়ের পালসার মোটর
সাইকেল জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ মামুন মিয়া (৩৮), পিতা-মৃত হারুন
মিয়া, মাতা-বেগম বিবি, গ্রাম-২য় মুরাদপুর (লস্কর পুকুরের পাড়ের পশ্চিম পাড় কালা মিয়ার
বাড়ী), থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ২। মোঃ জসিম(৩৬), পিতা-মৃত হিরন মিয়া, মাতা-জহুরা
বেগম, গ্রাম-ঝাকুনীপাড়া, ০১নং ওয়ার্ড, ০৬নং জগন্নাথপুর ইউপি, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
এ
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৪৪, তারিখ-
১২/০৯/২০২৩; ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৩৮ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নামা শ্রীপুর দক্ষিণ রামপুর এলাকা হতে ২৫,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত বুধবার (৮ নভেম্বর) রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নামা শ্রীপুর দক্ষিণ রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২৫,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ ১। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দক্ষিণ বাগালপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে মোঃ নুর ইসলাম (৪২) এবং ২। একই থানার টংগীর পাড় গ্রামের মৃত ছফি আলী এর ছেলে মোঃ ফারুক হোসেন (২৬)।
র্যাব জানান,তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে উপজেলার সীমান্তবর্তী শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আবু হানিফ (৫০) নামে এক মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে যৌথবাহিনী তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে মাদক কারবারী আবু হানিফ মাদকসহ তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। এসময় যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।
মাদক কারবারী আবু হানিফ শশীদল ইউনিয়নের আশা বাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে।
এ সময় যৌথবাহিনী তার কাছ থেকে ৭ হাজার ৬ শত পিস ইয়াবা টেবলেট ও নগদ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪০ টাকা এবং ৩ টি পাসপোর্ট উদ্ধার করে। অভিযান পরিচালনা করেন, যৌথবাহিনী এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানার এস আই অমর্ত্য মজুমদারসহ পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতিক উল্লাহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাকে গ্রেফতার করি। তার বিরুদ্ধে থানার একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বাজার
তদারকি অভিযান পরিচালনা করে চার প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ১১টা
থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই ও বিজয়পুর বাজারে
এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানে ডিম, ব্রয়লার মুরগী, আলু, মরিচ, সবজিসহ
নিত্যপণ্যের ক্রয় ভাউচার দেখা হয় এবং বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়। দৃশ্যমান স্থানে
পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শিত আছে কিনা দেখা হয়। অভিযানে ক্রয় ভাউচার দেখাতে
না পারা এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা না রাখায় বিজয়পুর বাজারের ভাইয়ের বন্ধন
ভ্যারাইটিজ স্টোরকে ৩ হাজার টাকা, লোকনাথ স্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। এছাড়াও মেয়াদহীন ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করায় লালমাই বাজারের মোল্লা
ফার্মেসীকে ৮ হাজার টাকা এবং কাঁচা মাছ মাংসের সাথে বাসি গ্রিল সংরক্ষণ করায় একই
বাজারের বাংলা রেস্তোরাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাসি গ্রিল জব্দ করে
ধ্বংস করা হয়।
আজ
ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মোট চার প্রতিষ্ঠানকে ১৭
হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত
এ অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক এমদাদুল্লাহ এবং জেলা
পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকা হতে ১১১ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য মতে ঐ রাতেই কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকার একটি ফ্লাট বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উক্ত বাড়িতে অবস্থানরত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল কাফি এর ভাড়াকৃত ফ্লাট বাসা তল্লাশী করে ৮১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় আসামী মোঃ আব্দুল কাফি। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলোঃ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার ঝিকুটিয়া গ্রামের মোঃ ওহিদ মিয়া এর ছেলে মোঃ জুয়েল (১৯), মোঃ আব্দুল কাফি (৩৫), পিতা-মোঃ আব্দুর রশিদ, মাতা-জোবেদা খাতুন, সাং- গঙ্গাচরা, পোঃ গঙ্গাচরা, থানা- গঙ্গাচরা, জেলা-রংপুর।
র্যাব জানান, সে ও পলাতক আসামী মোঃ আব্দুল কাফি দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন, যেখানেই চাঁদাবাজি, সেখানেই আপনারা প্রতিরোধ করুন। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে একটা ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ কায়েম করার জন্য, চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য। আপনারা কোন ভাবেই চাঁদাবাজিকে সহ্য করবেন না। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সব সময় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে।
আজ
রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের জামতলী বাজারে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রফেসর ড.
মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মানুষ শান্তিতে নিশ্বাস নিতে পারছে। গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকার যতই দিন যাচ্ছে ততই জনপ্রিয় হচ্ছে। আস্তে আস্তে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে, আস্তে আস্তে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজদের মনে ভয়ে কাঁপুনি ধরছে, আস্তে আস্তে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের মান মর্যাদা উঁচু থেকে উচ্চতর অবস্থানে পৌঁছাচ্ছে। এই রমজানে লোডশেডিং এর সমস্যা হয়নি। তিনি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ, এনসিপি নেতা মাইন উদ্দিন, খন্দকার ওমর ফারুক, জালাল আহমেদ, আবুল কাশেম, আসাদুজ্জামান মিলন, কবির হোসেন, মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, ইঞ্জিনিয়ার রাসেল সিদ্দিকী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লালমাই উপজেলা শাখার আহবায়ক নোমান হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মারুপ সিরাজী, কবি খান মোহাম্মদ রুবেল ও জুলাই আন্দোলনে পুলিশের ছোররা গুলিতে আহত মেহেদী হাসান শুভসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
এর আগে এনসিপি নেতা শিশির দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিমাদ্রী খীসা, লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম ও সেকেন্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল ফারুকের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তিনি ইউএনও এবং ওসিকে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধভাবে মাটি বিক্রিসহ সকল প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীরা থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২৩ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) ও ২। সাকিবুল হাসান (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এবং ২। সাকিবুল হাসান (২১) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বামুইল গ্রামের মোঃ লিটন এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন