

উজান থেকে নেমে
আসা
পাহাড়ি
ঢল
ও
অতিবৃষ্টির কারণে
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও
দুধকুমার নদীর
পানি
বিপদসীমার উপর
দিয়ে
প্রবাহিত হওয়ায়
সাময়িক
বন্যা
পরিস্থিতি সৃষ্টি
হয়েছে।
এতে
প্রায়
৫০
হাজার
মানুষ
পানিবন্দী হয়েছে
বলে
জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
বন্যা পরিস্থিতির অবনতির
ফলে
গত
তিনদিন
ধরে
ঘরের
ভিতর
মাচা
ও
চৌকি
উঁচু
করে
আশ্রয়
নিয়েছে
বানভাসি মানুষ।
চৌকিতে
রান্না-বান্না, চৌকিতেই রাত
কাটছে
তাদের।
বাড়ির
চারপাশে থৈথৈ
পানিতে
অসহায়
দিন
কাটছে
নারী,
শিশু
ও
প্রতিবন্ধী মানুষের।
উলিপুরের বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বালাডোবা গ্রামের আসমত ও নুরবানু জানান,
গত
তিনদিন
ধরে
পানিবন্দী অবস্থায় আছি।
ছেলে
মেয়েকে
উঁচু
জায়গায়
রেখে
গরু-ছাগল পাহারা দিচ্ছি। এখনো
কেউ
খোঁজখবর নিতে
আসেনি।
একই ইউনিয়নের ফকিরের
চর
গ্রামের রমিচন
জানান,
ঘরে
পানি।
রান্না
করতে
সমস্যা
হচ্ছে।
গরুকেও
কিছু
খাইতে
দিতে
পারছি
না।
বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে।
একই গ্রামের ফরিদা
জানান,
চারটে
ভাত
ফুটাচ্ছি। তরকারি
নাই।
লবন
দিয়া
খাইতে
হইবো।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জানান,
আমার
ইউনিয়নের ১০
টি
গ্রামের প্রায়
এক
হাজার
মানুষ
পানিবন্দি রয়েছে।
যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল
গফুর
জানান,
আমার
ইউনিয়নে ১৫শ
মানুষের বাড়িঘর
তলিয়ে
গেছে।
এছাড়াও
৮
হাজার
মানুষ
পানিবন্দী হয়ে
আছে।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল
হামিদ
শেখ
জানান,
আমার
ওয়ার্ডে দেড়শ
ঘরে
পানি
উঠেছে।
এছাড়াও
এই
ইউনিয়নে প্রায়
৮শ'
পরিবার
পানিবন্দী অবস্থায় আছে।
ফকিরের চরে একটি
আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায়
৮০টি
পরিবার
আশ্রয়
নিলেও
তারা
বিশুদ্ধ পানি
ও
ল্যাটিন সমস্যায় ভুগছেন।
এ ব্যাপারে উলিপুর
উপজেলা
নির্বাহী অফিসার
আতাউর
রহমান
জানান,
আমি
বিষয়টি
জানলাম। এখনেই
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে লোকজনকে পাঠাচ্ছি সমাধানের লক্ষে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাফসান জানি জানান,
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৮
এবং
ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী নৌবন্দর পয়েন্টে ১৯
এবং
পাটেশ্বরী রেল
সেতু
পয়েন্টে দুধকুমার নদীর
পানি
০১
সেন্টিমিটার বিপদসীমার ওপর
দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল
আরিফ
জানান,
বন্যা
কবলিত
কুড়িগ্রাম সদর,
চিলমারী, উলিপুর
ও
নাগেশ্বরীতে খোঁজখবর নেয়ার
পাশাপাশি ইতিমধ্যে দুর্গত
এলাকায়
এক
হাজার
২শত
পরিবারকে ১০
কেজি
করে
চাল
সহ
অন্যান্য বিতরণ
করা
হয়।
এর
মধ্যে
উলিপুর
উপজেলার থেতরাই
ইউনিয়নে ১০০
জনের
মাঝে
১০
কেজি
হারে
চাল
বিতরণ
চলছে।
চিলমারী উপজেলার রমনা,
নয়ারহাট ও
চিলমারী প্রত্যেকটি পয়েন্টে ১০
কেজি
হারে
মোট
৬
মেট্রিক টন
চাল
বিতরণ
হয়,
উপকারভোগীর সংখ্যা
৬শত।
কুড়িগ্রাম সদর
উপজেলার বিকালে
চরভগবতীপুর, খেয়ার
আলগা,
কালীর
আলগা,
পোরার
চরে
১৫০
প্যাকেট ত্রাণ
বিতরণ
করা
হয়
(প্রতি
প্যাকেটে থাকবে
১০কেজি
চাল,
ডাল
ও
তেল)। নাগেশ্বরী উপজেলার গরুভাসার চর,
ফকিরগঞ্জ, নুনখাওয়ার চরকাপনা ও
নুনখাওয়া পয়েন্টে ২০০শ পরিবারের মাঝে
পরিবার
প্রতি
১০
কেজি
হারে
চাল,
১
কেজি
ডাল,
১লি:
তেল
ও
১
কেজি
লবণ
বিতরণ
হয়।
এছাড়া
ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটায় ১৫০
জন
পরিবারকে ১০
কেজি
করে
চাল
বিতরণ
করা
হয়।
মন্তব্য করুন


টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী নিজেকে এখনও ‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ রেখেছেন। বিয়ে নিয়ে তার চিন্তা অনেকটাই ‘নেতিবাচক’। বর্তমানে কাজ নিয়েই সব ব্যস্ততা তার। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিয়ের বিষয়ে নিজের ভাবনা শেয়ার করেছেন মিমি চক্রবর্তী । সেখানে দেখা গেল, বিয়ের আগেই ডিভোর্সের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে অভিনেত্রীর মাথায়। মিমির ভাষ্য, অর্ধেকের বেশি বিয়ে টেকে না। স্টোরিতে মিমি লিখেছেন, ৫০ শতাংশ বিয়ে গড়ায় ডিভোর্সে।
তার ভক্তরা ধারণা করছেন, মজার ছলেই বিষয়টি লিখেছেন অভিনেত্রী মিমি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪৮ বোতল বিদেশী মদসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন কালির বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রবিউল হোসেন (৩২) ও মোঃ কবির হোসেন (৩৭) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ৪৮ বোতল বিদেশী মদ ও ১ টি অটো মিশুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রবিউল হোসেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন গ্রামের মোঃ ফজর আলী এর ছেলে এবং মোঃ কবির হোসেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া থানার গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সাপ্তাহিক চৌকিদারী প্যারেড থানা কম্পাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়। ওই প্যারেডে কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্যারেডে ওই থানার ১২টি ইউনিয়নের সকল দফাদার ও চৌকিদারদের উপস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। চৌকিদার ও দফাদারদের এলাকার সকল অসামাজিক কার্যকলাপ, কোথাও কোন দূর্ঘটনার সংবাদ পাওয়া গেলে তৎক্ষণাৎ থানাকে অবহিত করা এবং চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাল্য বিবাহ এবং মাদক এর সংবাদ থানাকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও সকলকে সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন সহ থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং পলাতক আসামীদেরকে গ্রেফতারের নিমিত্তে ব্যবস্থা নিতে সকলকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান। প্যারেডের শেষভাগে অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক সকল বিট অফিসারদের উপস্থিতিতে গ্রাম পুলিশের সদস্যদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী আনোয়ারা থেকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ মো. আক্কাছকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব। বুধবার গহিরা এলাকা বাঁচা মিয়া মাঝির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত
মো. আক্কাছ (৪৫) ওই গ্রামের জাফর আহমেদের ছেলে।
বৃহস্পতিবার
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তাপস কর্মকার।
তিনি
বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনোয়ারার মধ্যম গহিরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সম্রাট
মো. আক্কাছকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা।
এসব ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা
সরবরাহকারী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইয়াবা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন
এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন আক্কাছ। তাকে আনোয়ারা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান
আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ ফাঁসির আসামিকে নিয়ে রায় দিয়েছেন
যেখানে বলা হয়েছে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে
নেয়া যাবেনা ।
রুল শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এস এম শাহজাহান বিশেষজ্ঞ মত নেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি
জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির
মনির। রুল শুনানি শেষে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত
হওয়ার আগে দণ্ডিত বা দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালের ২
সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা কারাগারের কনডেম সেলের
তিন কয়েদি। তারা হলেন- সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির ও খাগড়াছড়ির
শাহ আলম। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার
আগে দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখা কেন আইনত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ
প্রাপ্তদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা সংক্রান্ত কারাবিধির ৯৮০বিধিটি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা
করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। সেই সঙ্গে কনডেম সেলে রাখা বন্দিদের কী ধরনের
সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন চান আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা
অনুসারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির
৪১০ ধারা অনুসারে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে
আপিল করার সুযোগ পান। হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল
বিভাগে আবেদন করতে পারেন।
আপিল বিভাগের রায়েও মৃত্যুদণ্ড
বহাল থাকলে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা)
আবেদন করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে মৃত্যু-দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। ক্ষমার এই আবেদন রাষ্ট্রপতি যদি নামঞ্জুর
করেন অথবা দণ্ডিত যদি আবেদন না করেন তাহলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে সরকার।
অথচ বিচারিক আদালতে মৃত্যু দণ্ডাদেশের পরপরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কনডেম সেলে বন্দী
রাখা হচ্ছে।
রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ
শিশির মনির বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার
আইনগত বিধান নেই। এজন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের
১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া
শেষ করতে ১০-১২ বছর পার হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার
পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে বন্দী রাখা হয়। অথচ অনেকের পরবর্তীতে
সাজা কমে। অনেকে খালাসও পান। রুল শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল।
মন্তব্য করুন


ভোলা প্রতিনিধ:
ভোলার নবাগত জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান এর সাথে লালমোহন উপজেলার জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে লালমোহন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
এসময় এমপি শাওন বলেন, বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে সারা বিশ্বের একটি মর্যাদাশীল জায়গায় স্থান করে নিয়েছে। ২১ বছর পর্যন্ত সামরিক শাসকরা যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছেন এবং হত্যার সুবিধাভোগীরা দেশ পরিচালনা করেছেন তারা এবং তাদের উত্তরসূরীরা বাংলাদেশকে হতদরিদ্র দেশ ছাড়া আর কিছুতে রূপান্তরিত করেননি।
এসময় লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, লালমোহন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম হাওলাদার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসান রিমন সহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার আয়োজনে বঙ্গমাতার জীবনিভিত্তিক আলোচনা সভা, ক্ষুদ্র ঋনের চেক, সেলাই মেশিন বিতরন ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, এসিল্যান্ড ইবনে আল জায়েদ হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুব উল আলম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৃনালীনি কর্মকার, মুক্তিযোদ্ধা জাবের মিয়া, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাসুদুল হাছান ও কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর তালুকদারসহ আরো অনেকে।
এসময় উপকারভোগী, সুধীজন ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে তিনটি চোরাই টিউবওয়েলসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বারাইশ গ্রামের মোঃ কামালের ছেলে মোঃ সাগর ও শুভপুর ইউনিয়নের যশপুর ইঞ্জিনিয়ার বাড়ির মৃত আবদুল কাদেরের ছেলের মোঃ শাহজাহান।
রোববার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা। চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বারাইশ গ্রামের মঞ্জু বেগমের মা ছালমা বেগম শনিবার রাত ১০ ঘটিকায় প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
রোববার ভোরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে উঠে ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন একই গ্রামের সাগর তাদের টিউবওয়েল নিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিক শোর-চিৎকার করলে আশ-পাশের লোকজন এসে টিউবওয়েলটিসহ সাগরকে আটক ও মারধর করে। ঘটনাটি থানায় অবহিত করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সাগরকে হেফাজতে নেয়।
মন্তব্য করুন


গত ২০ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩
ডিগ্রি, মোংলায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি, ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, খুলনায় ৪১ দশমিক
২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানেও মৃদু
থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এখনো যা বিদ্যমান আছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো.
শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আজ (২৫ এপ্রিল) হতে
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি
বাড়তে পারে।
এর
আগের আরও তিনবার তথা গত ৩, ১৯ ও ২২ এপ্রিল তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা
হয়েছিল। তবে প্রথম দুইবার তাপমাত্রা বাড়ার আভাস ছিল।
চলতি
মাসে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। মাঝে অতিতীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেলে বর্তমানে কিছুটা
কমেছে।
২০২৩
সালের ১৬ এপ্রিল আগের ৫৮ বছরের মধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ, ৪০ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি
সেলসিয়াসে।
এর আগে ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ
তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এই রেকর্ড
এখনো ভাঙেনি।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে দুইটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম লণ্ডভণ্ড হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ে শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে চলতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এলাকা বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার পাচুড়িয়া ও বানা ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অসংখ্য গাছপালা ভেঙে এবং উপড়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের উপরে গাছ পড়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে অন্ধকার হয়ে যায় দুটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম।
বানা ইউনিয়নের কঠুরাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসেন জানান, বানা ইউনিয়নের শিরগ্রাম, গড়ানিয়া, পাকুড়িয়া, টাবনী, টোনাপাড়া, শিয়ালদি চরপাড়া, জয়দেবপুর, আউশির হাট, কঠুরাকান্দি, মাজপাড়া, আড়পাড়া গ্রামে ঝড় আঘাত হানে। ঝড়ে কাচাঁ-আধাপাকা ঘরবাড়ি, গাছপালা, পেঁয়াজ, রসুন, মশুরি, ধনিয়া, ধান, গমসহ কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গ্রামগুলোতে বিদ্যুত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে।
পাচুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আমিনুর রহমান বলেন, ঝড়ে আমার ঘরবাড়ি, ফসলি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও যুগীবরাট, ভাটপাড়া, চাদড়া, পাচুড়িয়া, দেউলি, চরনারানদিয়া, ধুলজুড়ি, চরভাটপাড়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহিদুল হাসান জাহিদ বলেন, বুধবার রাত একটার দিকে ঘূর্ণিঝড়ে দুই ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক কাঁচাপাকা বাড়িঘর ও কয়েকশ গাছপালা উপড়ে যায়। বিস্তীর্ণ জমির ফসল বিনষ্ট হয়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেন। ঘটনাস্থলে পোঁছে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুত সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব জোনাল অফিসের এজিএম ফাহিম হাসান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সেখানে কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের তাঁর ছিড়ে গেছে, কয়েকটি খুঁটি ভেঙ্গে অনেকগুলো আঁকাবাঁকা হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমীন ইয়াছমীনের মোবাইল নম্বারে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন