

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর মহিলা কলেজের শ্রেণিকক্ষ নম্বর ১০১ । সচরাচর এ কক্ষ
দিনের বেলা শিক্ষার্থীদের সমাগমে থাকে ভরপুর আর দিনশেষে জনমানবহীন।
কিন্তু রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায উক্ত নম্বর কক্ষে গিয়ে দেখা মিলল
এক ভিন্ন চিত্রের ।
কক্ষের মধ্যে বিয়ের মঞ্চ তৈরী করে তাতে বসা বর ও কনে আর মঞ্চের আশপাশের পুরো
অংশ বর ও কনে পক্ষের অতিথিতে পরিপূর্ণ।
কলেজসীমানার ভেতরের মাঠে চলছিলো বরযাত্রী ও কনে পক্ষের অতিথিদের জন্য খাওয়াদাওয়ার
যাবতীয় আয়োজন।
আরিফুল-আঁখি দম্পতির বিয়ে উপলক্ষে ছিল এই আয়োজন।
বর আরিফুল ইসলাম রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শ্যামবাসেরপাড়া গ্রামের মোমিনুল ইসলামের
ছেলে। আর কনে বিরামপুর পৌর শহরের পূর্ব জগন্নাথপুর মহল্লার আজাহার আলীর মেয়ে ফাতেমা
বিনতে আজাহার ওরফে আঁখি। বিয়ে শেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বরযাত্রীরা কনেকে গাড়িতে
করে পীরগঞ্জে রওনা দেন।
কলেজের একাডেমিক ভবনের ১০১ নম্বর কক্ষটি বিয়ের আসরের জন্য ব্যবহার করেন স্থানীয়
একটি পরিবার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ ও মাঠ কেন বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার
করা হয়েছে, এ বিষয়ে বর ও কনে পক্ষের কেউ কোনো কথা বলতে চাননি।
কলেজের ওই শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত বিয়েটি স্থানীয় নিকাহ রেজিস্ট্রার মোখলেছুর রহমান
তিন লাখ টাকা মোহরানায় রেজিস্ট্রি করেন। কনের বাবার বাড়িতে জায়গার সংকুলান না হওয়ায়
বাড়ির পাশের কলেজে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতে পারে বলে ধারণা তাঁর।
এ বিষয়ে বিরামপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মেজবাউল হক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি
জানান, মেয়েটি (কনে) উক্ত কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী। কলেজে ওই মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান
করার জন্য মেয়ের বাবা কলেজের অধ্যক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন। আর এ সময় কলেজে ঈদের ছুটি
থাকাতে বিয়ের জন্য কলেজের মাঠ ও কক্ষটি ব্যবহার
করতে দেওয়া হয়েছে।
তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের আসর বসানোর কোনো নিয়ম আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিরামপুর
মহিলা কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সোহেল রানা বলেন, কলেজের শ্রেণিকক্ষ ও কলেজ চত্বরের ভেতরে বিয়ের
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, এমন তথ্য আমার কাছে নেই। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের
অনুষ্ঠান আয়োজন করার কোনো সুযোগ নেই।
কলেজের শ্রেণিকক্ষে বিয়ের বিষয় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও নুজহাত
তাসনীম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন
করা নীতিগতভাবে ঠিক নয় বলে আমার যত দূর মনে হচ্ছে। কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে
আর বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখব।
মন্তব্য করুন


আগামী রোববার
থেকে শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক
কার্যক্রম শুরু
হতে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা মুহাম্মদ
ইউনূস আগামী
১৮ অগাস্ট
থেকে স্বাভাবিক
শিক্ষা কার্যক্রম
শুরু করার
নির্দেশ দিযেছেন বলে বৃহস্পতিবার
মাধ্যমিক ও
উচ্চশিক্ষা বিভাগের
এক অফিস
আদেশে জানানো
হয়।
এর আগে
গত মঙ্গলবার
প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
বুধবার থেকে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
শ্রেণি কার্যক্রম
পুরোদমে চালুর
নির্দেশনা দিয়েছিল।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দিতে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ।
আগামী ৯ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে শনিবার (৪ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় এনটিআরসিএ।
এতে আরো বলা হয়, আবেদনের পর প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
প্রিলিমিনারিতে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে প্রার্থীদের। এ ধাপে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ২৫ করে মোট ১০০ নম্বর। পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর করে কাটা পড়বে। লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের নির্ধারিত নিজ নিজ বিষয়ের ওপর পরীক্ষা দিতে হবে।
নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে চাকরির সুযোগ পাবেন।
এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে (http://www.ntrca.gov.bd) এ বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে।
আবেদনের ওয়েবসাইট (http://ntrca.teletalk.com.bd)।
মন্তব্য করুন


৪৬তম
বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত
অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৮ জানুয়ারি) পিএসসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩
এর প্রিলিমিনারি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা
থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও
ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে
এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
৪৬তম
বিসিএসে মোট পদ ৩ হাজার ১৪০টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।
এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে।
২৩
সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ৪৬তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়। এ বিসিএসে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন
জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাংকন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু থাকবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের জন্য সময়সূচি প্রকাশ করেছে ।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ক্লাস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সই করা এক পরিপত্রে এ রুটিনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিসের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব দপ্তর চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর জোহরের নামাজের জন্য দুপুর সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।
এদিকে, রমজান উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) থেকে সারা দেশের সব মাদ্রসায় ছুটি শুরুর কথা ছিল। তবে স্কুল-কলেজের পর অবশেষে মাদ্রাসার ছুটির তালিকাও সংশোধন করে সরকার। এতে ১৫ দিন ছুটি কমানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদ্রাসায় ক্লাস-পরীক্ষা চলবে ২১ মার্চ পর্যন্ত। দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলোতেও শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।
মন্তব্য করুন


তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে স্কুল-কলেজ বন্ধ হবে বলে সিদ্ধান্ত জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলে স্কুল-কলেজ বন্ধ হবে বলে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) যে নির্দেশনা দিয়েছিল, সেটির সংশোধনী দেওয়া হচ্ছে।
একইদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানায়, পরিবর্তন এসেছে অধিদপ্তরের জারি করা ওই নির্দেশনায়।
চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সংক্রান্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশোধিত চিঠিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। চলমান এ শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে মর্মে জানা যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যাবে, আঞ্চলিক উপ-পরিচালকেরা সেসব জেলার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেবেন।
মন্তব্য করুন


আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার পাস করেছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন শিক্ষার্থী। গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটি সব বোর্ডের ফলাফলের যে সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে তাতে দেখা যায়, গত বছর ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সেই হিসেবে পাসের হারও কিছুটা কমেছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯২ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় দেশের ১১ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ একসাথে অনলাইন, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে।
এবার ৯ হাজার ১৯৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


এসএসসি পরীক্ষায় বরিশাল
বোর্ডে ৯০ দশমিক ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
মোট
জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৩১১ জন।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
অরুণ কুমার গাইন।
অরুণ কুমার জানান,
বরিশালে এবার মোট পরীক্ষার সংখ্যা ৯১ হাজার ৯৭৯ জন।
এর মধ্যে অংশ গ্রহণ করেছে ৯০ হাজার ১৯৬ জন। পাস করেছে ৮১ হাজার ৩৩৯ জন আর বহিষ্কার
হয়েছে ৪৫ জন।
বিভাগের ৬জেলার মধ্যে এ
বছর ১৪৭৭ টি বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেছে।
এর মধ্যে ২৩১ টি
স্কুলের শিক্ষার্থী শতভাগ পাস করেছে। এছাড়া কেন্দ্র ছিল ১৯০ টি।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুর জেলার বিরামপুর মহিলা কলেজের শ্রেণিকক্ষ নম্বর ১০১ । সচরাচর এ কক্ষ
দিনের বেলা শিক্ষার্থীদের সমাগমে থাকে ভরপুর আর দিনশেষে জনমানবহীন।
কিন্তু রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায উক্ত নম্বর কক্ষে গিয়ে দেখা মিলল
এক ভিন্ন চিত্রের ।
কক্ষের মধ্যে বিয়ের মঞ্চ তৈরী করে তাতে বসা বর ও কনে আর মঞ্চের আশপাশের পুরো
অংশ বর ও কনে পক্ষের অতিথিতে পরিপূর্ণ।
কলেজসীমানার ভেতরের মাঠে চলছিলো বরযাত্রী ও কনে পক্ষের অতিথিদের জন্য খাওয়াদাওয়ার
যাবতীয় আয়োজন।
আরিফুল-আঁখি দম্পতির বিয়ে উপলক্ষে ছিল এই আয়োজন।
বর আরিফুল ইসলাম রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শ্যামবাসেরপাড়া গ্রামের মোমিনুল ইসলামের
ছেলে। আর কনে বিরামপুর পৌর শহরের পূর্ব জগন্নাথপুর মহল্লার আজাহার আলীর মেয়ে ফাতেমা
বিনতে আজাহার ওরফে আঁখি। বিয়ে শেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বরযাত্রীরা কনেকে গাড়িতে
করে পীরগঞ্জে রওনা দেন।
কলেজের একাডেমিক ভবনের ১০১ নম্বর কক্ষটি বিয়ের আসরের জন্য ব্যবহার করেন স্থানীয়
একটি পরিবার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ ও মাঠ কেন বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার
করা হয়েছে, এ বিষয়ে বর ও কনে পক্ষের কেউ কোনো কথা বলতে চাননি।
কলেজের ওই শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত বিয়েটি স্থানীয় নিকাহ রেজিস্ট্রার মোখলেছুর রহমান
তিন লাখ টাকা মোহরানায় রেজিস্ট্রি করেন। কনের বাবার বাড়িতে জায়গার সংকুলান না হওয়ায়
বাড়ির পাশের কলেজে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতে পারে বলে ধারণা তাঁর।
এ বিষয়ে বিরামপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মেজবাউল হক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি
জানান, মেয়েটি (কনে) উক্ত কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী। কলেজে ওই মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান
করার জন্য মেয়ের বাবা কলেজের অধ্যক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন। আর এ সময় কলেজে ঈদের ছুটি
থাকাতে বিয়ের জন্য কলেজের মাঠ ও কক্ষটি ব্যবহার
করতে দেওয়া হয়েছে।
তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের আসর বসানোর কোনো নিয়ম আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিরামপুর
মহিলা কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সোহেল রানা বলেন, কলেজের শ্রেণিকক্ষ ও কলেজ চত্বরের ভেতরে বিয়ের
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, এমন তথ্য আমার কাছে নেই। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের
অনুষ্ঠান আয়োজন করার কোনো সুযোগ নেই।
কলেজের শ্রেণিকক্ষে বিয়ের বিষয় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও নুজহাত
তাসনীম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন
করা নীতিগতভাবে ঠিক নয় বলে আমার যত দূর মনে হচ্ছে। কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে
আর বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখব।
মন্তব্য করুন