

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার ১নং সাচার ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে খাদ্য অধিদপ্তরের সহায়তায় ৬শত ৩৩ জন উপকারভোগী সদস্যদের মাঝে সরকারী ন্যায্য মূল্যের চাউল বিতরন করা হয়েছে।
শনি ও রবিরার দুইদিন ধরে ট্যাগ অফিসার মো: মোশারফ হোসেনের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ন পরিবেশে ৬শত ৩৩ জন উপকারভোগী সদস্যদের দু’মাসের ৬০ কেজি করে চাউল বিতরন করা হয়।
এ সময় ডিলার নিমাই সরকার ও ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মরক্কোর
মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার
ছাড়িয়েছে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।
দেশটির
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে ১০ সেপ্টেম্বর রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসি
বলছে, রিখটার স্কেল ৬ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর। বহুলোক
রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। খাদ্য, পানীয়সহ একটু বিশ্রামের অভাবে দিশেহারা
হাজার হাজার মানুষ।
মরক্কোর
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যের বরাতে সিএনএন বলছে, ভূমিকম্পে এখন
পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২ হাজার ১২ জন। আর আহত হয়েছেন ২ হাজার ৫৯ জন মানুষ। এর মধ্যে ১৪০০
জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।
হতাহতের
সংখ্যা বেশি হয়েছেন মারাক্কেশের দক্ষিণে অবস্থিত প্রদেশগুলোতে। আল-হাউজ, মারাক্কাশ,
ওয়ারজাজেট, আজিলাল, চিচাউয়া এবং তারউদান্ত প্রদেশ এবং পৌরসভাগুলিতে হতাহতের সংখ্যা
বেশি।
এমন
পরিস্থিতিতে রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ দেশটিতে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন এবং বেঁচে
যাওয়াদের আশ্রয়, খাবার ও অন্যান্য সাহায্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
৮
সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ভূকম্পনটি হয়।
মন্তব্য করুন


ভাই-বোনের সম্পর্ককে মজবুত করতে রাখইর থালায় রাখি, মিষ্টি, প্রদীপ, সিঁদুর, লাল সুতো, ধান ও দূর্বা দিয়ে সাজিয়ে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়।
বুধবার (৩০ আগস্ট ২০২৩) সন্ধ্যায় সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন বাসা-বাড়ীতে এ উৎসবটি পালিত হয়। জানা যায়- রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি ভাই-বোনদের পবিত্র সম্পর্কের এক নিবিড় উদযাপন। তবে বর্তমানে শুধুই ভাই-বোনদের মধ্যে এই উৎসব সীমাবদ্ধ নেই। জাতি বর্ণ ধর্ম র্নিবিশেষে পারষ্পারিক সৌহার্দ্য-সৌভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির জন্যেও রাখি পূর্ণিমা পালিত হয় থাকে। রাখি পূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে ঝুলন পূর্ণিমা শুরু হয় এবং রাখি পূর্ণিমার সাতদিন পর জন্মাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের এই দুই লীলার মাঝে শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে রাখি পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় বলে এর আরেক নাম শ্রাবণী পূর্ণিমা। এই দিনটির জন্য প্রত্যেক ভাইবোন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। বোন ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দেয় আর ভাই বোনকে রক্ষার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়। এই ভাবেই এই অনুষ্ঠিত যুগের পর যুগ ধরে পালিত হয়ে আসছে। রাখি বন্ধন মূলত বিহারী সংস্কৃতি হলেও পরবর্তীকালে এই অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পরে।
এদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতেও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার এভাবেই রাখি বন্ধনের মাধ্যমে তাঁর ছোটভাই অরন্য সরকার প্রিন্সের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। তদ্রুপ ভাইও বোনের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐদিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়ে বিশেষ খাবার দাবার ও উপহার এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে। এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
রাখি বন্ধনের নেপথ্যের ইতিহাস থেকে জানা যায়- সুদূর অতীতকাল থেকেই পুরুষদের বিপদ থেকে রক্ষা করার প্রতীক হিসেবে তাঁর কব্জিতে সুতো বেঁধে দিতেন মহিলারা। পুরাণ মতে- দেবতা ও রাক্ষসদের যুদ্ধে দেবতারা তখন প্রায় পরাজয়ের মুখে, দেবরাজ ইন্দ্র তখন তাঁর গুরু বৃহস্পতির সাহায্য চান। বৃহস্পতির পরামর্শ মতো শ্রাবণ পূর্ণিমায় ইন্দ্রের স্ত্রী সচী একটি মন্ত্রপূত রাখির ইন্দ্রের হাতে বেঁধে দেন। তারপরই যুদ্ধে জয়লাভ করেন দেবতারা। একবার কৃষ্ণের আঙুল কেটে গেলে দ্রোপদী তাঁর গায়ের কাপড় ছিঁড়ে তা বেঁধে দিয়েছিলেন কৃষ্ণের আঙুলে। বদলে কৃষ্ণ কথা দেন, যে কোনও বিপদেই তিনি দ্রৌপদীকে রক্ষা করবেন। শ্রাবণ মাসের এই শুভ পূর্ণিমা তিথিতে বোন ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধবে ভাইয়ের মঙ্গল কামনায়। রাখি বন্ধনের একটি শুভ মুহূর্ত প্রতি বছর থাকে। আর এই তিথির মধ্যে রাখি বন্ধনের একটা শুভ সময় থাকে। এই সময়ের মধ্যে রাখি বন্ধন করলে সেটি শুভ বলে মানা হয়। বাঙালিরা ভাই-বোনের সম্পর্ককে মজবুত করতে এই বিশেষ দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। রাখি বন্ধনের এই পবিত্র দিনে বোন বা দিদিরা তাঁদের ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় হাতে রাখি বাঁধেন। রাখি বন্ধন হল ভাই ও বোনের মধ্যে এক প্রীতিবন্ধন আর শুধু তাই নয়, এই রাখি বন্ধন উৎসব এখন বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসার প্রতীক। রক্ষা বন্ধন উৎসবে ভাইবোনের মধ্যকার স্বর্গীয় সম্পর্ক উদযাপন করা হয়। বোনেরা তাদের ভাইদের হাতের কব্জিতে সুন্দর সুন্দর পবিত্র সূতা বেঁধে দেয় যা ‘নিরাপত্তা ও রক্ষা বন্ধন’ চিহ্ন হিসেবে প্রকাশিত। তারা তাদের ভাইদের মঙ্গল কামনা করে এবং ভাইয়েরা বোনদের রক্ষা করা প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐ দিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়, বিশেষ খাবার দাবারের ও উপহারের ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে। এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
আরো জানা যায়- সুভদ্রা কৃষ্ণের ছোট বোন, কৃষ্ণ সুভদ্রাকে অত্যন্ত ভালবাসতেন। তবে আপন বোন না হয়েও দ্রৌপদী ছিলেন কৃষ্ণের অতীব স্নেহভাজন। একদিন সুভদ্রা কিছুটা অভিমান ভরে কৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন এর কারন। উত্তরে কৃষ্ণ বললেন যথা সময়ে এর কারণ তুমি বুঝতে পারবে। এর কিছুদিন পর শ্রীকৃষ্ণের হাত কেটে রক্ত পড়ছিল, তা দেখে সুভদ্রা রক্ত বন্ধের জন্য কাপড় খুঁজছিলেন, কিন্তু মন মত পাতলা সাধারন কাপড় পাচ্ছিলেন না, এর মাঝে দ্রৌপদী সেখানে আসলেন, দেখে বিন্দুমাত্র দেরি না করে সাথে সাথে নিজের মুল্যবান রেশম শাড়ি ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাত বেধে দিলেন, কিছুক্ষন পর রক্তপাত বন্ধ হল। তখন শ্রীকৃষ্ণ বোন সুভদ্রাকে ডেকে বললেন এখন বুঝতে পেরেছ কেন আমি দ্রৌপদীকে এত স্নেহ করি? সুভদ্রা বুঝতে পারল ভক্তি ও পবিত্র ভালবাসা, শ্রদ্ধা কি জিনিস! দাদা কৃষ্ণের চেয়ে মুল্যবান বস্ত্র নিজের কাছে বেশি প্রিয় এটা ভেবে সুভদ্রা দারুন লজ্জিত হলেন। কোন বোন তার ভাইয়ের কোনোরূপ কষ্ট, অমঙ্গল সহ্য করতে পারে না। ভাইয়ের কষ্ট দূরের জন্য সে সর্বত্তম চেষ্টা করে। অন্যদিকে ভাই ও তার বোনকে পৃথিবীতে সর্বাধিক স্নেহ করে, সারাজীবন তাকে রক্ষা করে থাকে, যেরকম শ্রীকৃৃষ্ণ দ্রৌপদীকে রাজসভায় চরম কলঙ্ক থেকে রক্ষা করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।
ভরা পর্যটন মৌসুমের পাশাপাশি আজ বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারির সরকারি ছুটি। বৃহস্পতিবার একদিন বিরতি দিয়ে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এজন্য কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজে ঠাঁই নেই বললেই চলে। হোটেলে রুম না পেয়ে ব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে অনেক পর্যটক সৈকতে বা হোটেলের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি জানান, কক্সবাজার সৈকতের নিকটবর্তী ৫ শতাধিক হোটেলে-মোটেলে কোনো রুম খালি নেই। হোটেলের কক্ষ খালি না পেয়ে অনেকে ছুটছেন শহরের দিকে।পর্যটন মৌসুমে বিনোদনপ্রেমিদের চাপ বাড়ায় প্রতিটি স্পটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে টুরিস্ট পুলিশ।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিওনের অধিনায়ক আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশ তৎপর আছে। পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
পতেঙ্গা থানার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর শিশু অপহরণ ও মুক্তিপন আদায় মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
পলাতক আসামি শামিম মাহমুদ বাপ্পীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
অপহৃত
শিশু (ভুক্তভোগী) অপহরণের এক মাস পূর্বে উক্ত মামলার আসামী আসমা ও শামিম মাহমুদ বাপ্পি স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর পিতা: হাবিবুর
রহমান এর বাসায় সাবলেট হিসাবে ভাড়া নেয়। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ৭ টায় হাবিবুর রহমানের
৭ মাস বয়সী শিশুকে শামীম মাহমুদ তার সাজানো স্ত্রী আসমা এবং অপরাপর সহযোগীদের সহায়তায়
কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে শামীম মাহমুদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অপহৃত শিশুর
পিতার কাছে মুক্তিপন হিসাবে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। অপহৃত শিশুর পিতা-মাতা নিরুপায়
হয়ে প্রাথমিকভাবে বিকাশের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা পাঠায় এবং বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা
থানা পুলিশকে অবহিত করে।
পরবর্তীতে
পতেঙ্গা থানা পুলিশের প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম জেলার কর্ণেল হাট এলাকা থেকে মূল অপহরণকারী
শামিম মাহমুদ বাপ্পিকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত আসামী শামিম মাহমুদের তথ্য মতে একই
এলাকা থেকে অপহরণের সাথে সম্পৃক্ত আরো দুজন আসামী আলাউদ্দিন ও তার পাতানো স্ত্রী আসমা
বেগমেকে আটক এবং অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। অপহৃত শিশু উদ্ধার পরবর্তী সময়ে
ভিকটিমের পিতা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা থানায় শামিম মাহমুদ
বাপ্পিকে মুল আসামী এবং তার স্ত্রী আসমা বেগম ও আলাউদ্দিনের নাম উল্লেখ করে একটি অপহরণ
মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৪(০৯)১৬; ধারা-৭/৮;২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন
ও দমন আইন (সংশোধিত ২০০৩)। মামলা রুজুর ৬ মাস পর আসামী জামিনে বের হয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে
চলে যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় আদালতে হাজিরা না দেওয়ার আসামীর অনুপস্থিতে বিজ্ঞ আদালত
পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী শামিম মাহমুদ বাপ্পিকে
যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত
প্রদান করে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, উক্ত পলাতক আসামি শামিম মাহমুদ বাপ্পি চট্টগ্রাম
মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড সংলগ্ন খালপাড় এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের
ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-৩, ঢাকা এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ১৮ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী শামিম মাহমুদ
বাপ্পিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: শামিম মাহমুদ বাপ্পি (৩৪), পিতা- আব্দুল
মান্নান , সাং-দক্ষিণ করিমপুর, থানা- দাগনভূইয়া, জেলা- ফেনী।
গ্রেফতারকৃত
আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চীনের আনহুই প্রদেশে ২০১৪ সালে হার্ট
অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপর তিনি কোমায় চলে যান। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাস
ছিল, তার জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। আর সেই বিশ্বাস, মনের প্রবল
জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় দীর্ঘ ১০ বছর পর কোমা থেকে স্বামীকে ফিরে পেলেন সান হংশিয়া
নামের ওই নারী।
এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায়
বসে আছেন সান হংশিয়া। গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা স্বামীকে দিচ্ছিলেন ওই
নারী। এসব শুনে কোমা থেকে জেগে ওঠা ওই ব্যক্তির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
গণমাধ্যমকে সান বলেন, যদিও আমি অনেক
ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী
কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন
সান। তিনি বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি
তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
সান আরও বলেন, তার কাছে অগ্রাধিকার
ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই
ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক
সমস্যা হয়েছিল। শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তার জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া
ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।
তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।
সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়েও বেশি। ওর
সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
মন্তব্য করুন


‘টাইটানিক’
সিনেমায় নায়িকা কেট উইন্সলেট সমুদ্রে ভেসে ছিলেন বড় একটি কাঠের টুকরার সহায়তায়। এবার
সে কাঠের টুকরাটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলারে।
যুক্তরাষ্ট্রের
টেক্সাসের ডালাসভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ অকশন এ নিলামের আয়োজন করে। কাঠের
বড় এই টুকরোকে কেবল একটি দরজা বলা হলেও নিলামে এটিকে বাস্তবিকভাবে টাইটানিকের প্রথম
শ্রেণির লাউঞ্জের প্রবেশ দরজার ফ্রেমের একটি অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
সিনেমাটিতে
উইন্সলেটের পরা পোশাকটিও নিলামে ১ লাখ ২৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছ ঘাট এলাকা থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করেছে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড।
রোববার (৭ জুলাই) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড এর যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে এসব জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
এসব তথ্য জানান, অভিযানে অংশ নেওয়া চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। এবং জেলিযুক্ত চিংড়ি মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। চিংড়ির মালিকানা কেউ দাবি না করায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অভিযানেউপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী মো. জামিল হোসেন, কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনের চিফ পেটি অফিসার এম. শফিকুল ইসলামসহ কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জ জেলার
সোনারগাঁও এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি চক্রে
জড়িত এক দম্পতিকে আটক করেছে র্যাব-৩।
আটককৃতরা হলো: চক্রের
হোতা আব্দুল করিম (৫৫) এবং তার স্ত্রী ও অন্যতম সহযোগী সেলিনা বেগম ওরফে শিউলি
(৪০)।
অভিযানে
তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা, ১৭ কেজি ৫শত গ্রাম শুকনা বরই ও ৩৮ হাজার ৬শত ৪০
টাকা উদ্ধার করা হয়।
২৩ আগস্ট বুধবার দুপুরে
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এলাকা থেকে আটক করা হয় তাদের।
র্যাব-৩ এর স্টাফ
অফিসার (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা হক বলেন, আটককৃতদের প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত আব্দুল করিম একজন মাদক কারবারি সিন্ডিকেটের হোতা।
তারা দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর বেশে এক জায়গা থেকে অন্যত্র ভ্রমণ করার আড়ালে
চক্রের অন্যান্য সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশে বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও গৃহস্থালির
প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির নামে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বড় বড় মাদকের
চালান নিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিল।
র্যাব-৩ এর স্টাফ
অফিসার (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা হক জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে আটককৃতদের বিরুদ্ধে।
মন্তব্য করুন


ঈদে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ জুন) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে
উপজেলার সোহাগপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর
উপজেলার মেরাসানি গ্রামের ওবায়দুর রহমান খানের ছেলে রবিউল খান (৫০) ও হুমায়ুন খান
(৪৫)।
এ ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে আরও একজন
আহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার একটি টেলিভিশনের গাড়ি চালক বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি জেলা
সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়,
রবিউল খান ও হুমায়ুন খান ঢাকায় জুতার ব্যবসা করেন। ঈদ উপলক্ষে সকালে তারা তিনজন মিলে
মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আশুগঞ্জের সোহাগপুর এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে
পাঠালে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা আশীষ কুমার বলেন, নিহতদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া
শেষ হলে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


ভোটের আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশ আসছে কমনওয়েলথের প্রি অ্যাসেসমেন্ট দল । আর এরপরেই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পর্যবেক্ষকও পাঠাতে পারে কমনওয়েলথ।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এ সপ্তাহের শুরুতে কমনওয়েলথের এই চিঠি পেয়ে সিইসি জবাবও দিয়েছেন ।
সংস্থাটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করে। এ নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে কমনওয়েলথের একটা প্রি অ্যাসেসমেন্ট টিম পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন তাদের পরিচালক (ইলেকশন মনিটরিং), একটা বার্তাও পাঠানো হয়।
আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমনওয়েলথ ছোট পরিসরের পর্যবেক্ষক দলও নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসবে বলে আশা করেন সিইসি।
তিনি বলেন, প্রি অ্যাসেসমেন্ট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচনের সময়ও তাদের একটা দল আসবে আশা করছি আমরা।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদন চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।ঢাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনের কাছে আবেদন আহ্বানের বিষয়টি অবহিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সংবাদ মাধ্যমের জন্য আবেদন জানানোর আহ্বান করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন