

ঈদে সবার ঘরেই গরুর মাংসের বাহারি সব পদ তৈরি করা হয়। এর মধ্যে মেজবানি মাংসের স্বাদই যেন ভিন্ন। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই পদ সবারই প্রিয়।
অনেকেই স্বাদ ঠিক রেখে ঘরে মেজবানি মাংস রান্না করতে পারেন না। চাইলেই কিন্তু মাত্র ৬টি উপকরণ দিয়েই তৈরি করে নিতে পারবেন গরুর মাংসের জনপ্রিয় এক পদ মেজবানি মাংস। আজ জানবো গরুর মেজবানি মাংস রান্নার রেসিপি-
** উপকরণ
১. গরুর মাংস ১ কেজি
২. সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ
৩. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
৪. গরম মসলা ১ টেবিল চামচ
৫. কাঁচামরিচ ৮-১০টি।
৬. লবণ স্বাদমতো ও
** যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে গরুর মাংস সামান্য মসলা দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। তারপর সসপ্যানে তেল গরম করে নিতে হবে। তেল গরম হয়ে গেলে এতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে ভেজে নিন।
এরপর সেদ্ধ করা গরুর মাংস দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার একে একে গরম মসলা, লবণ ও কাঁচামরিচ মিশিয়ে নেড়ে দিবেন। হালকা আঁচে এক ঘণ্টা রান্না করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। যেন নিচে লেগে না যায় বারবার নেড়ে দিতে হবে।
নামানোর আগে সামান্য গরম মসলার গুঁড়া ছড়িয়ে দিবেন। আপনার মেজবানি মাংস রান্না হয়ে গেলো। গরম গরম পরিবেশন করুন জিভে জল আনা মেজবানি মাংস।
মন্তব্য করুন


শনিবার গভীররাতে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লেগে তিন শিশুসহ অন্তত ২৫ জন নিহত ও আরও আটজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বাসটি এক্সপ্রেসওয়ের একটি খাম্বায় ধাক্কা খেয়ে উল্টে যাওয়ার পর তাতে আগুন ধরে যায়। বাসটির বেঁচে যাওয়া চালক জানিয়েছেন, একটা চাকা ফেটে যাওয়ার পর বাসটি ছুটে গিয়ে খাম্বায় ধাক্কা খায়।
ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাত প্রায় দেড়টার দিকে পুনের পথে সামৃদ্ধি-মহামার্গ এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটিতে প্রায় ৩৩ জন যাত্রী ছিলেন। ঘটনার সময় তাদের অধিকাংশই ঘুমিয়ে ছিলেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় বুলধানা জেলার পুলিশ সুপার সুনিল কদসানি জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আগুন পুড়ে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাসটির চালকসহ আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে বাস দুর্ঘটনায় হতাহতের এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


দেশ
বা অঞ্চলভেদে খাবারের রয়েছে ভিন্ন রেসিপি। তবে মাটি খাওয়ার কথা শুনেছেন কখনো? তাও
আবার দিনে ১০ ব্যাগেরও বেশি মাটি খাচ্ছেন। আর এই মাটি খাওয়ার জন্য ব্যয় করেছেন
হাজার হাজার টাকা। তবে এই মাটি সাধারণ কোনো মাটি নয়, এ মাটি আসে সুদূর আফ্রিকা
থেকে।
লন্ডনের বাসিন্দা ডাইমন্ড ডিনার মাটি খেতেন তার গর্ভবস্থা
চলাকালীন। ডিনা গর্ভাবস্থায় একদিন খেয়াল করেন ডিটারজেন্টের গন্ধ তার খুব ভালো
লাগছে। এরপর ভেজা মাটির গন্ধও তার খুব ভালো লাগতে শুরু করে এবং তা খাওয়ার ইচ্ছা
জাগে। তখন খাবারের সাথে মাটি ছিল তার প্রধান
খাবার। দিনে ৩০ প্যাকেট পর্যন্ত মাটি খেয়েছেন ডাইমন্ড ডিনার । একেকটি প্যাকেটে ২
গ্রাম মাটি থাকে। মাটি খাওয়ার জন্য প্রায় ৪ হাজার ডলার খরচ করেছেন ।
গর্ভাবস্থায়
নারীদের বিভিন্ন খাবার খাওয়ার উপর আগ্রহ বাড়তে থাকে। কেউ আচার খেতে পছন্দ করেন আবার
কেউ আইসক্রিম, ফাস্টফুড। তবে অনেকেই হয়তো মাটি খাওয়ার কথা জানেন না।
ডায়মন্ড
জানান, তিনি যখন গর্ভবতী ছিলেন তখন মাটি খেতে ভীষণ ইচ্ছা হতো তার। এমনকি দিনে ১০
প্যাকেট পর্যন্ত মাটি খেয়েছেন তিনি। এতে কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়নি তার।
বরং এটি ত্বক ও পেটের জন্য ভালো বলেই মনে করেন ডায়মন্ড।
শুধু
আফ্রিকায় নয় বাংলাদেশেও তৈরি হয় ভোজ্য মাটি। আফ্রিকা এখনো দারিদ্র্যতা নিত্য
সঙ্গী। ক্ষুধা মেটাতেই তারা মাটির বিস্কুট খায়। তবে এখন খাবারের অভাব না থাকলে সেই
অভ্যাস রয়ে গেছে অনেকের।
এই
বিখ্যাত পোড়ামাটির বিস্কুট তৈরি হতো হবিগঞ্জসহ সিলেটের কিছু অঞ্চলে। এঁটেল মাটি
দিয়ে তৈরি এই বিস্কুটের নাম ছিকর। ১৯৭০ থেকে ১৯৯০ সালের দিকে ছিকর হবিগঞ্জ জেলার
বিভিন্ন গ্রামে নিম্নবিত্ত সমাজে প্রচলিত এক বিশেষ খাবার ছিল। তবে শুধু ক্ষুধা
নিবারণের জন্যই নয় বরং এক ধরনের অভ্যাসের বশেই লোকজন ছিকর খেত।
সূত্র:
নিউইয়রক পোস্ট, ডেইলি মেইল
মন্তব্য করুন


ভারতের উড়িষ্যায় ৩টি ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০০ জনের কাছাকাছি। আহত হয়েছেন ৯০০ জনেরও বেশি যাত্রী। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওড়িষার বালেশ্বরের কাছে ঘটে যাওয়া এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে করমণ্ডল এক্সপ্রেক্স ও যশবন্তপুর এক্সপ্রেস এবং একটি পণ্যবাহি ট্রেন।
ওড়িষা সরকারের তথ্য অনুযায়ী ৩ মে শনিবার সকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ২৩৮ জন। আহত হয়েছেন ৯০০ জনেরও বেশি যাত্রী। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক রয়েছে ১০০ জন। এখনও ৫টি বগি থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা যায়নি। আহত ও নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছে, প্রথমে করমণ্ডল এক্সপ্রেসই তীব্র গতিতে গিয়ে ধাক্কা মারে একই লাইনে আগে থেকে চলতে থাকা একটি মালগাড়ির পেছনের দিকে। ২৩টি বগির মধ্যে ১৫টি বগি লাইন থেকে ছিটকে পাশের ডাউন লাইনে ও নর্দমার মধ্যে গিয়ে পড়ে যায়। তখন পাশের সেই লাইন দিয়ে বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস আসছিল ।
শুক্রবার সন্ধ্যার দুর্ঘটনা কবলিত ওই ২ যাত্রীবাহি ট্রেনে বাংলাদেশিরাও ছিলেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার রাতেই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে যান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) ও ২। মোঃ রুবেল (৩০) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মৃত নূরুল হক কারী এর ছেলে এবং ২। মোঃ রুবেল (৩০) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সাত্তার এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২। গত ২৩ জুন শুক্রবার বিকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তান বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মোগলটুলি (উত্তর গাংচর) গ্রামের মৃত ফজলু মিয়া এর ছেলে মোঃ শাজাহান (৪২)।
র্যাব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক ২০ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
অদ্য ২৪/০৭/২৩ খ্রিঃ তারিখ ভোর ০৪:২৫ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন জগমোহনপুর এলাকায় চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর ১। মোঃ কামাল হোসেন (৫২) ও ২। রফিক (৪৫)দ্বয়কে তাদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে মোট ০২টি প্লাষ্টিকের বস্তা সহ আটক করে। আশপাশ হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় ধৃত আসামী ১। মোঃ কামাল হোসেন (৫২) ও ২। রফিক (৪৫) দ্বয়ের হেফাজতে থাকা প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ২০ (বিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হল- ১। মোঃ কামাল হোসেন (৫২), পিতা- মৃত আব্দুল হামিদ, ২। রফিক (৪৫), পিতা- মৃত চাঁন মিয়া, উভয় গ্রাম- জগমোহনপুর, ০৫নং ওয়ার্ড, উজিরপুর ইউপি, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, উল্লেখিত মাদকদ্রব্য গাঁজা ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা হতে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে ঢাকা নিয়ে অধিক মূল্যে বিক্রয়ের জন্য উক্ত স্থানে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিল।
এছাড়াও আসামী মোঃ কামাল হোসেন (৫২) এর বিরুদ্ধে ১৪ টি ও রফিক (৪৫) এর বিরুদ্ধে ০৬ মাদক মামলা সহ অন্যান্য মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে বলে জানা যায়। এই সংক্রান্তে এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং- ৪৯, ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(খ) রুজু করা হয়। মাদক কারবারী, গডফাদারদের গ্রেফতার ও সনাক্তকরণে পুলিশ সুপার, কুমিল্লা নির্দেশনা মোতাবেক অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। তবে এমন
অবস্থায় দেশের দুই বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দিনের তাপমাত্রা
বাড়বে বলেও আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী
৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার ও বুধবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই
সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে
আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, যশোর
ও রাজশাহী জেলা ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ,
পাবনা ও নীলফামারী জেলাসহ খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে
যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ
ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি
ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আর আগামী বুধবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ
অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এরচেয়ে মর্মান্তিক দৃশ্য আর কি হতে পারে ?
এক পরিবারের সবার একইসাথে মৃত্যু,একইসাথে কবর ।
বেলী রোডের অগ্নিকাণ্ডে নিহত এক পরিবারের ৫ সদস্যের জন্য কবর খনন করা হলো ।
তিনি ছিলেন একজন ইতালি প্রবাসী। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বিরিয়ানি খেতে গেলেন বেইলি রোডের 'কাচ্চি ভাই' রেস্টুরেন্টে।
স্বামী স্ত্রী ও তিন সন্তান—পুরো পরিবার সেখানেই আগুনে পুড়ে মারা গেলেন। পুরো পরিবার ওখানেই শেষ।
স্বজনদের ভাষ্যমতে পরিবারের সদস্য তারা ৫ জনই ছিলো । কিছুদিন আগেই তিনি দেশে এসেছেন স্ত্রী সন্তানদের ইতালি নিয়ে যেতে। পুরো পরিবার নিয়ে ইতালি সেটেল হওয়ার প্ল্যান ছিল।
কিন্তু আজ?
আজ তাদের পুরো পরিবারের জন্য কবর খনন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ৫ টি কবর।
এই জীবন কত অনিশ্চিত ।
মন্তব্য করুন


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনা
মোতাবেক কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে আজ সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
এলাকার ফার্মেসীগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ভোক্তা অধিকার
বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়
এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ন্যায্যমূল্যে ঔষধ ও
চিকিৎসা সামগ্রী বিক্রি, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন না করা এবং
মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় না করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়। সহকারী পরিচালক মো:
আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল
হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদায় প্রায় ২০ কেজি ভারতীয় রূপাসহ শাহানাজ খাতুন (৪০) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃত শাহানাজ খাতুন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা বিষ্ণুপুর গ্রামের রুস্তম আলীর স্ত্রী।
২ অক্টোবর সোমবার দুপুরে তাকে আটক করা হয় দামুড়হুদা বিষ্ণুপুর গ্রাম থেকে।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের নির্দেশে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আলমগীর কবীরের নেতৃত্বে থানার এসআই মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপনে সংবাদের ভিত্তিত্বে দুপুরে দামুড়হুদার বিষ্ণুপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারকৃত শাহানাজ খাতুনের ঘরে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে তৈরি বাজারের ব্যাগ থেকে ১৬টি বান্ডেলে ১৯ কেজি ৯৯৮ গ্রাম ভারতীয় রুপা জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
আটক নারীর বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন।
মন্তব্য করুন