

ঈদে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ জুন) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে
উপজেলার সোহাগপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর
উপজেলার মেরাসানি গ্রামের ওবায়দুর রহমান খানের ছেলে রবিউল খান (৫০) ও হুমায়ুন খান
(৪৫)।
এ ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে আরও একজন
আহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার একটি টেলিভিশনের গাড়ি চালক বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি জেলা
সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়,
রবিউল খান ও হুমায়ুন খান ঢাকায় জুতার ব্যবসা করেন। ঈদ উপলক্ষে সকালে তারা তিনজন মিলে
মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আশুগঞ্জের সোহাগপুর এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে
পাঠালে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা আশীষ কুমার বলেন, নিহতদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া
শেষ হলে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ৬৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২। মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি প্রাইভেটকার জব্দ।
সোমবার ১৮ মার্চ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চিওড়া সুজাতপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা সুপন বড়ুয়া (৩০) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২৮ কেজি গাঁজা ও ১ টি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে ১৮ মার্চ রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন নবগ্রাম এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ মনির হোসেন (৪৩) নামক ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও ১ টি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। সুপন বড়ুয়া (৩০) চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানার ফতেহপুর গ্রামের মৃত দুলাল বড়ুয়া এর ছেলে এবং আসামী ২। মোঃ মনির হোসেন (৪৩) কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার কলাকান্দি গ্রামের মৃত জাফর মোল্লা এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে সিঙ্গেল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি । কারণ তিনি তার দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজেই এই ঘোষণা দেন।
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী রকিব সরকার ও একমাত্র ছেলে ফারিশকে নিয়ে বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছিল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। কিন্তু অভিনেত্রীর সেই সংসারেও বেজে ওঠে ভাঙনের সুর। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বসেন মাহি। এবার স্বামীর পদবি মুছে দিলেন এই চিত্রনায়িকা।
২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মাহির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারমীন নিপা থেকে হয়ে ওঠেন মাহিয়া মাহি। এরপর থেকে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেন তিনি। রকিব সরকারকে বিয়ের পর নিজের নাম রেখেছিলেন মাহিয়া মাহি সরকার। তবে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পরই তার নামের সঙ্গে সংযুক্ত ‘সরকার’ পদবি বদলে ফেললেন মাহি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় মাহি জানান, আমরা দুজন মিলেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে ভীষণ সম্মান করি আমি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব।
বর্তমানে চলচ্চিত্রে আগের মতো নিয়মিত নন মাহি। রাজনীতিতেও নিজের শক্ত অবস্থান গড়তে পারেননি। একদিকে দ্বিতীয় সংসারও ভাঙল, অন্যদিকে অভিনেত্রীর ছেলের গায়ের রং নিয়েও রয়েছে নানান সমালোচনা। সব মিলিয়ে মানসিক অবসাদেই যেন ভুগছেন মাহি।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান তিনি। পরে ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কর্তৃক একদিনে ২০ কেজি গাঁজা, ২৫৫ বোতল ফেন্সিডিল, একটি প্রাইভেট কার উদ্ধারসহ মোট ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
আজ ২০/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লার পৃথক দুইটি অভিযানে এসআই(নিঃ)/মোঃ সাইদুর রহমান, এএসআই(নিঃ) আব্দুস সালাম ও সংগীয় ফোর্সসহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে ২০/০৯/২০২৩খ্রিঃ তারিখ বেলা ১১:১৫ ঘটিকায় চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালকাপুর ইউপির সাফুয়া সাকিনস্থ মিরশানি টু সোনাপুর গামী রাস্তার জনৈক আবুল কাশেম এর নির্মাণাধীন বাড়ির সামনে রাস্তার উপর পৌঁছে আসামী মোঃ সোহাগ মিয়া (২৮), পিতা- মোঃ আবুল কাসেম, মাতা- ছায়েরা বেগম, গ্রাম- জগমোহনপুর (সোনা মিয়া মাস্টার বাড়ি), ০১নং ওয়ার্ড, ০৩নং কালিকাপুর ইউনিয়ন, ডাকঘর- নোয়াবাজার, উপজেলা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লাকে একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগসহ আটক করেন। তথায় আশপাশ হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় ধৃত আসামী মোঃ সোহাগ মিয়া (২৮) এর ডান হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বড় বাজারের ব্যাগের ভিতরে রক্ষিত ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) বোতল ফেনসিডিল পেয়ে উদ্ধারপূর্বক ২০/০৯/২৩খ্রিঃ তারিখ বেলা ১১:৫০ ঘটিকায় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-, তারিখ- ২০/০৯/২০২৩; ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৪(গ) রুজু করা হয়।
একইদিনে অপর একটি অভিযানে এসআই(নিঃ)/ মোঃ নজরুল ইসলাম, এএসআই(নিঃ)/ মোঃ ইলিয়াছ ও সংগীয় ফোর্সসহ ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামের দিক হতে আশা ঢাকা অভিমুখী একটি সিলভার রংয়ের প্রাইভেটকার গাড়ী যা ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৮৩৭৪ রেজি নাম্বারের গাড়িটি থামানোর জন্য সংকেত দিলে চালক উক্ত স্থানে গাড়িটি থামালে গাড়ির চালক (১) আসামী মহিবুল্লাহ শেখ(৩৩), পিতা-ইসহাক আলী শেখ, মাতা-মিনারা বেগম, সাং-সাতকাচিমা (সর্দার বাড়ী), থানা- নাজিরপুর, জেলা-পিরোজপুর, ও গাড়ীর ভিতরে চালকের পাশের সিটে বসা আসামী (২) নুরুজ্জামান নুরু(৪৩), পিতা-হান্নান ফকির, মাতা-ছকিনা বেগম, সাং-বয়সা, থানা- গৌরনদী, জেলা-বরিশালকে আটক করেন। তথায় উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় আসামীদ্বয়ের বহনকৃত গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর ভিতরে পিছনের সিটের উপর হতে একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতরে রক্ষিত পলিথিন দ্বারা মোড়ানো ১৬টি পোটলা, প্রতি পোটলায় ০১ কেজি করে (১৬×১)=১৬ কেজি গাঁজা এবং অপর একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর রক্ষিত ১০৫ বোতল ফেনসিডিল, পেয়ে উদ্ধার করেন এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিলভার রংয়ের প্রাইভেটকার গাড়ী যাহার রেজি-নং-ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৮৩৭৪, ২০/০৯/২৩ খ্রিঃ তারিখ ভোর ০৫:৫০ ঘটিকায় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। উল্লেখ্য, একই দিনে হালিম শেখ নামক এক মাদকব্যবসায়ীকে ৪ কেজি গাঁজা সহ আটক করা হয়েছে।
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-২২, তারিখ- ২০/০৯/২০২৩; ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/১৯(গ)/ ১৪(গ)/৩৮ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বরুড়ায় শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর শিশু ইব্রাহিম খলিলের (৭) মরদেহ ঢেকে রাখা হয় কচুপাতা দিয়ে। দ্বিতীয় দিন মরদেহটি মাটিচাপা দেওয়া হয় নির্জন বাড়িতে।
বরুড়া পৌরসভার পাঠানপাড়া এলাকার মাসুদ রানার ছেলে নিহত শিশু ইব্রাহিম।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ইব্রাহিমের চাচাতো ভাই আলআমিন (২৫) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃত আলআমিন জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তার চাচা মাসুদ রানা সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী। সেখানে তাকে চাকরি দেন। কিন্তু পছন্দ না হওয়ায় সে কাজে অপারগতা প্রকাশ করেন। এনিয়ে চাচার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় তার। তাকে থাপ্পড় মারেন তার চাচা। সে দেশে এসে চাচাতো ভাই ইব্রাহিম খলিলকে অপহরণের সুযোগ খুঁজতে থাকেন। বাড়ির বাইরে খেলতে এলে ইব্রাহিমকে খাজা (তেলেভাজা খাবার) খাইয়ে অটোরিকশাযোগে ৫ কিলোমিটার দূরে এগারো গ্রাম নিয়ে আসে। গ্রামের মাঠের একটি নির্জন বাড়ির পাশে নিয়ে গর্তের পানিতে চুবিয়ে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর ওই বাড়িতে মরদেহ কচুপাতা দিয়ে ঢেকে রাখে। পরদিন গিয়ে মাটি খুঁড়ে মরদেহ চাপা দেয়।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্র জানায়, নিখোঁজের দুইদিন পর ৬ সেপ্টেম্বর ইব্রাহিমের মরদেহ ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর ইব্রাহিমের চাচাতো ভাই মো. রিপনের ছেলে আল আমিন পলাতক ছিল। ইব্রাহিমকে অপহরণের বিষয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি দিতেন। আল আমিনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার থানার বাঁশতলা এলাকা থেকে আল আমিনকে গ্রেফতার করে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন জানায়, ঘটনায় অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাকে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


জেলার সিংড়ায় প্রায় ১৪
কেজি গাঁজা ও ১টি মাইক্রোবাসসহ মো. সোলেমান আলী ওরফে ভোলাং (৩৮) ও মো. মাইদুল ইসলাম
(৩২) নামে ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-৫। অভিনব কায়দায় মাইক্রোবাসে রাখা
অতিরিক্ত চাকার ভেতরে এসব গাঁজা বহন করছিলেন তারা।
২৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার
সকাল সাড়ে ১০টায় র্যাব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।
এর আগে, ভোর রাতে
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেলার সিংড়া উপজেলার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের এসআর ফিলিং
স্টেশনের ফুয়েল ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্টের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে আটক করা হয় তাদের।
সোলেমান আলী একই জেলার
নাগেশ্বরী উপজেলার পশ্চিম রামখানা মিস্ত্রীটারী গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক ওরফে
টগরুর ছেলে ও আটককৃত মাইদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর
গ্রামের মো. রুস্তম আলীর ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়েছে, আটককৃত সোলেমান আলী ও মাইদুল ইসলাম পেশায় মাদক কারবারি। তারা
দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদক কেনাবেচা করে আসছিল। ভোর রাতে তারা অভিনব
কায়দায় মাইক্রোবাসে রাখা অতিরিক্ত চাকার ভেতরে ১৩ দশমিক ৯৭৩ কেজি গাঁজা বিক্রয়ের
উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের
ভিত্তিতে জেলার সিংড়া উপজেলার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের এসআর ফিলিং স্টেশনের ফুয়েল
ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্টের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে মাইক্রোবাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয় তাদের।
এ সময় গাঁজা,
মাইক্রোবাস, মোবাইল ফোন ও ৪ হাজার ৫০০ টাকাসহ আটক করা হয় তাদের। অভিযানে নেতৃত্ব
দেন র্যাব-৫, সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্প কোম্পানি উপ-অধিনায়ক ও সহকারী পুলিশ সুপার
মো. নুরল হুদা।
আটককৃতদের প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রয়ের
উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রেখে পরিবহন করছিলেন তারা।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে
সিংড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ১৯(খ)/৪১ ধারায় মামলা
রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেয়ে শিশু জন্ম নেওয়ায় ওই নবজাতককে মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ওই ঘটনাটি ঘটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। বিষয়টি জানাজানি হয় বিকেলে।
নবজাতক রেখে পালিয়ে যাওয়া দম্পতি হলো আলমগীর হোসেন ও পাপিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই নবজাতককে মা-বাবা।
নিজেদের সন্তান হাসপাতালে ফেলে পালানোর বিষয়ে জানা যায়, তিন মেয়ের পর এবার ছেলেসন্তানের আশায় বুক বেঁধেছিলেন এ দম্পতি। ফের কন্যাসন্তান হলে স্ত্রী পাপিয়াকে তালাকের হুমকিও দেন আলমগীর! কিন্তু এবারও কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন পাপিয়া। তাই তারা হাসপাতালে সন্তান রেখেই পালিয়ে গেছেন।
হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, প্রসব বেদনা উঠলে সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে পাপিয়া খাতুনকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানেই কন্যাসন্তান প্রসব করেন পাপিয়া। পরে তাকে ভর্তি করা হয় গাইনি ওয়ার্ডে। কিছুক্ষণ পর নবজাতককে আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামের বিলকিস বানু নামে এক নারীর কাছে রেখে পালিয়ে যান ওই নবজাতকের মা-বাবা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।
পরে নবজাতকটিকে সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মালেকা খাতুনের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা ওই নবজাতকের নাম রাখেন ‘পুষ্প’।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ওই দম্পতি হাসপাতালে যে নাম ও ঠিকানা দিয়েছেন তা যাচাই করা হয়েছে। তারা ভুল তথ্য দিয়েছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও ছবি দেখে ওই নারী ও তার স্বজনদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
নবজাতকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মন্তব্য করুন


কাঁচামরিচ ও আলুর বাজারে অভিযান, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে কুমিল্লা নগরীর চকবাজার ও রাজগঞ্জ এলাকার কাঁচামরিচ ও আলুর বাজারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, ইচ্ছেমাফিক দামে আলু বিক্রি ও দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা না রাখার মতো ভোক্তা অধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়। জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: চকবাজার এলাকার ভাই ভাই বাণিজ্যালয় ৫ হাজার টাকা, রমজানের আলুর আড়ত ১ হাজার টাকা, মিজানের আলুর আড়ত ১ হাজার টাকা। রাজগঞ্জ বাজারের হাসানের আলুর আড়ত ৩ হাজার টাকা এবং মনিরের সবজির দোকান ৫০০ টাকা। অভিযানে ব্যবসায়ীদের ক্রয় ভাউচার ও ক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয় এবং যৌক্তিক মুনাফায় বিক্রি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন, চকবাজার ও রাজগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ
উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানের
অতিথি হিসেবে খাবার খেয়ে ২৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জন
চাঁদপুর সদর হাসপাতালে এবং ২৫ জন লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়) রাত ৯টার পর।
এদের
মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এলাকায় এবং ২৫ জনে বাড়ি রায়পুর উপজেলার
কেরোয়া ইউনিয়নে।
তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ,
১৩ জন নারী ও ৯ জন শিশু রয়েছে।
তারা চাঁদপুরের
ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের
অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে খাবার গ্রহণ করেন। তারা সন্ধ্যার পর থেকে অসুস্থ হতে শুরু
করেন। বমি এবং পাতলা পায়খানা করেন অনেকেই।
রায়পুর উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম জানান, তারা অসুস্থ
হয়েছেন ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়ায়। তবে কোন ধরনের খাদ্যে বিষক্রিয়া ছিল, এ
চিকিৎসক সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি।
রায়পুর উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের
হাসপাতালে ২৫ জন ভর্তি হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর,
তবে অনেকের অবস্থা ভালোর দিকে। ঠিক কোন খাবারের বিষক্রিয়া হয়েছে, সেটা আমরা
নিশ্চিত নই। নমুনা ল্যাবেটরিতে পাঠালে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা
গেছে, একই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে আরও ৩ জন ভর্তি রয়েছেন।
অসুস্থরা ধারণা করছেন, তারা
অসুস্থ হয়েছেন বিয়ে বাড়ির দধি খেয়েই।
জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের
রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির তছলিম পাটওয়ারীর ছেলে মো. মানিকের
সঙ্গে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চর মান্দারী গ্রামের
তফাদার বাড়ির তোফায়েল আহমেদের মেয়ের বিয়ে হয়। শুক্রবার বউ ভাতের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়
রব পক্ষের লোকজন।
বর মানিকের ভাই মো.
মাসুম জানান, আমরা বর পক্ষের প্রায় ২০০ অতিথি নিয়ে কনে বাড়িতে গিয়ে বিয়ের
অনুষ্ঠানের দুপুরের খাবার খাই। বিকেলে চলে আসি। এরপর আমাদের পক্ষের অন্তত ৫০ জন
অতিথির বুমি এবং পাতলা পায়খানা শুরু হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে রায়পুর উপজেলার
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আবার অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্নভাবে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে রুনা লায়লা নামের এক হাজতিকে নির্যাতনের অভিযোগে যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নুর পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টায় তাঁকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেন কারাগারের জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান।
সম্প্রতি নির্যাতিতা হাজতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা লুট করে নেন বলে রুনার ছোট ভাই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ অভিযোগের পর গঠন করা হয় দুটি তদন্ত কমিটি। এর মধ্যেই তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হলো।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ওবায়দুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, কাশিমপুর কারাগারে প্রায় ৪০ মাস ধরে বন্দি আছেন পাপিয়া। ২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পাপিয়াকে জেল বিধি অনুযায়ী ‘রাইটার’ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য ও দুর্গম অঞ্চলের এলাকায় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের যাতায়াত করা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এক পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচন উপলক্ষে পার্বত্য-দুর্গম অঞ্চলে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারের প্রয়োজন হবে। সেসব এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোর নির্বাচনী কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য এবং নির্বাচনী দ্রব্যাদি পাঠাতে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে নির্বাচনের কয়েকদিন পর পর্যন্ত হেলিকপ্টার সার্ভিস প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এবং যে কোনো প্রকার বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সদা সজাগ থাকার জন্য সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বচ্ছন্দে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, সেজন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ভ্রাম্যমাণ ইউনিটগুলো নিবিড় টহলের ব্যবস্থা করবে। উল্লিখিত ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনবোধে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আরো বলা হয়, নির্বাচনের দিন ভোট গণনা শেষ করে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে ফল না পৌঁছানো পর্যন্ত পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন