

অসহায় বাবা-মায়ের জন্য আট টাকার শাড়ি লুঙ্গীর
হাট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুড়িগ্রামে শতাধিক দুঃস্থ অসহায় বাবা মায়ের জন্য
ভ্রাম্যমান শাড়ি লুঙ্গীর হাটের আয়োজন করে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ফাইট আনটিল লাইট
(ফুল)নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ভ্রাম্যমান এ হাটে আট টাকা দরে একটি শাড়ি,
একটি লুঙ্গি এবং দু' টাকায় একটি ব্লাউজের পিস বিক্রি করা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) কুড়িগ্রাম সদর
উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কুমোরপুর দাখিল উলুম মাদ্রাসা মাঠে নাম মাত্র মূল্যে
এসব শাড়ি,লুঙ্গী বিক্রি করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান,সিনিয়র গণ মাধ্যমকর্মী শফি খান, স্থানীয় ইউপি সদস্য
হামিদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সহকারি আতাউর রহমান ও স্বাস্থ্যকর্মী লেলিনসহ অনেকে।
আট টাকায় শাড়ি পেয়ে বৃদ্ধ আমেনা বেওয়া বলেন, বর্তমানে
বাজারে একটা শাড়ির দাম নিম্নে ৩০০ টাকা। সেই শাড়ি আট টাকায় পেয়ে খুব উপকার হলো।
লুঙ্গী পেয়ে হামিদ মিয়া বলেন, হামার ৬৫ বছর বয়সে
কোন দিন দেহি নাই আট টাহায় এহান(একটা) লুঙ্গি পাওয়া যায়। আইজ সেই আট টাহায় লুঙ্গি
কিনলং। খুব খুশি নাগছে।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব
সাইদুর রহমান বলেন, ফুল দীর্ঘদিন ধরে জেলায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অসহায় বাবা মা কে
নিয়ে কাজ করে আসছে। ফুলের আজকের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
ফাইট আনটিল লাইট ফুল এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল
কাদের বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সামাজিক সংগঠন ফুল শহর গ্রাম ও
প্রত্যান্ত চরাঞ্চলের মানুষ মাঝে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে এক
যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছে। আমরা ত্রানে নয় বিনিময়ে উপহার দিয়ে মানুষের
মানসিকতার পরিবর্তন আনতে চাই।তাই অসহায় বাবা মায়ের কাছে মাত্র ৮ টাকার
বিনিময়ে শাড়ি লুঙ্গি বিক্রি করার ব্যবস্থা করছি।
মন্তব্য করুন


চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট এক লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হজ পালনে সৌদি আরব যান। এসব হজযাত্রী বহন করতে মোট ফ্লাইট পরিচালনা করা হয় ৩২৫টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৫৯টি ফ্লাইটে ৬১ হাজার ১৮০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১১৩টি ফ্লাইটে ৪১ হাজার ৪৬৮ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৫৩টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ২৩৬ জন হজযাত্রী বহন করে।
হজ শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫ হাজার ৭১৮ জন হাজি।
বুধবার রাতে হজযাত্রী বহনকারী এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, হজ অফিসের বরাত দিয়ে হজ পোর্টালে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কলকাতা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা মামলার আরেক আসামিকে নেপাল থেকে গ্রেফতার করেছে ।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, কলকাতা সিআইডি হত্যা মামলাটি তদন্ত করেছে। তাদের কাছে দুজন আসামি আছেন। একজনকে তারা নেপাল থেকে নিয়েছে। আরেকজনকে আগেই গ্রেফতার করেছে।
তবে নেপাল থেকে সিআইডি কোন আসামিকে গ্রেফতার করেছে তার নাম জানাননি ডিএমপি কমিশনার।
সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত দুই দেশ মিলিয়ে মোট পাঁচজন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন বাংলাদেশে। বাকি দুজন কলকাতায়।
বাংলাদেশে গ্রেফতার আসামিরা হলেন আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল
ভূঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমান। ভারতে
গ্রেফতার হয়েছেন জিহাদ হাওলাদার। নেপালে আটক ছিলেন সিয়াম হোসেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, যিনি এতদিন চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে আগামী ২৩ জুন থেকে তিন বছরের জন্য তাকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (১১ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৩ জুন বিকেল থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফকে (সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দেওয়াপূর্বক ওই তারিখ বিকেল থেকে ৩ বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পান।
১৯৯৭-২০০০ মেয়াদে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ছিলেন তার শ্বশুর প্রয়াত মুস্তাফিজুর রহমান।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের মাংস তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) ভোর ৭টার দিকে চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলাম নগর এলাকায় নির্যাতনের একপর্যায়ে ওই নারী জ্ঞান হারালে মৃত ভেবে রাস্তার ওপর ফেলে চলে যান নির্যাতনকারীরা।
এ ঘটনায় শনিবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে র্যাব এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন,গ্রেফতারকৃতরা হলেন প্রধান অভিযুক্ত চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ইসলাম নগর এলাকার মৃত ছৈয়দ হোছন ওরফে বুদু ড্রাইভারের ছেলে আবুল হোছন (৫০), আরিফ পুতিয়া (৪০) ও একই এলাকার আবু তাহেরের স্ত্রী ডলি আক্তার (৩০)।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী নারীর নাম ইসমত আরা বেগম (৩৮)। তিনি চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলাম নগর এলাকার বাসিন্দা। তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে ১১ জুলাই প্রতিবেশী আবুল হোছন, সেলিম, মোহাম্মদ আরিফ পুতিয়া, ডলি আক্তারসহ আরও কয়েকজন তাকে বিবস্ত্র করে নৃশংসভাবে নির্যাতন করেন। এসময় নির্যাতনকারীরা দা, কিরিচ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম ইসমত আরাকে এলোপাতাড়ি কোপান।
নির্যাতনের একপর্যায়ে রান ও শরীরের বিভিন্ন অংশের মাংস তুলে ফেলেন। এতে ওই নারী জ্ঞান হারালে মৃত ভেবে টেনেহিঁচড়ে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে আসেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হলে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৫-৬ জনকে আসামি করে ১৫ জুলাই চকরিয়া থানায় একটি মামলা করেন ভিকটিমের বোন জিন্নাত আরা (৪০)। পরে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত আবুল হোছনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে র্যাব।
র্যাব-১৫ এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুস সালাম চৌধুরী আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন


শনিবার (০১ জুন) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (০২ জুন) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
শনিবার (০১ জুন) রাতে সানারপাড় এলাকার ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: সানারপাড় এলাকার নবী হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০) ও কুমিল্লা জেলার আ. বাতেনের ছেলে কাউছার (২৭)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের জানাযায় সানারপাড় এলাকায় মাদকের বেচাকেনা হবে। এমন খবরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা পলিথিনের মোড়ানো ১০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
আসামিরা পেশাদার মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম নামে ২ নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।
ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম উভয়ে চাচাতো বোন মঙ্গলবার দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে দু’জনে কুমিল্লায় যায় রাত সাড়ে নয়টায় কুমিল্লা থেকে ফিরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়াবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিল এ সময় চট্টগ্রামমুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে এতে ঘটনাস্থলে ছকিনা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেনু বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এদিকে প্রবাসী ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে ফেরার পথে উজিরপুর ইউনিয়নের বেলঘর রাস্তার মাথায় সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুর রশিদ মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় ওই যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ফেনী সদর থানার আলোচিত ও
চাঞ্চ্যলকর স্বামী পরিত্যক্তা নারী ভিক্ষুক’কে গণধর্ষণ মামলার মূলহোতা মেহরাজসহ এজাহারনামীয়
০২ গণধর্ষনকারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
ভুক্তভোগী ভিকটিম স্বামী
পরিত্যক্তা ভিক্ষুক নারী চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। গত ০৪ সেপ্টেম্বর
২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ভিকটিম কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়ন থেকে ভিক্ষা করে
ফেনী সদর উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নে আসলে জৈনক মেহরাজ এর সাথে ভুক্তভোগী ভিকটিমের পরিচয়
হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে মেহরাজ ভিকটিমকে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের
আশ্বাস দিয়ে এবিএম ব্রিক ফিল্ডের শ্রমিকদের শোয়ার কক্ষে নিয়ে যায়। অতঃপর কোনো কিছু
বুঝে উঠার আগেই ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেহরাজ এবং তার অন্যান্য ৭/৮ জন সহযোগী
মিলে পালাক্রামে একাদিকবার জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষণকারীরা ভিকটিমকে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পাশে রেখে পালিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী নির্যাতিত ভিকটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে
প্রেরণ করেন। উক্ত চাঞ্চল্যকর গণধর্ষনের ঘটনাটি ফেনীসহ সাড়াদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি
করে।
উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী ভিকটিম
বাদী হয়ে ০৮ জনকে এজাহারনামীয় এবং ০২/০৩ জনকে অজ্ঞাতনামা করে ফেনী মডেল থানায় একটি
গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৯, তারিখ-০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ধারা- নারী
ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/২০২০) এর ৯(৩)/৩০।
উক্ত অমানবিক, পাশবিক, মস্তিস্ক
বিকৃত ও নিকৃষ্ট চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম
সূত্রে বর্ণিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ব্যাপক
গোয়েন্দা নজরদারি এবং ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। নজরদারীর এক পর্যায়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার এজাহারনামীয় আসামী সালাউদ্দিন ফেনী
জেলার ফেনী মডেল থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুল এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত
তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ
তারিখ বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী সালাউদ্দিন (৩৫), পিতা- মৃত আলী আহম্মদ,
সাং- চরজুবলী, থানা- নোয়াখালী সদর, জেলা- নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী
সালাউদ্দিন এর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম
জানতে পারে যে, গণধর্ষণের মূলহোতা পলাতক আসামী মেহরাজ ফেনী জেলার দাগনভূইয়া থানাধীন
ধীলপুর এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক
দল গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখ বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গণধর্ষণ মামার
মূলহোতা মোঃ মেহরাজ (৩৫), পিতা- মৃত রুহুল আমিন, সাং- ইউনুছপুর ফকিন্নিপাড়া, থানা-
হাতিয়া, জেলা- নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম
হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের
সম্মুখে আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় পলাতক
আসামী এবং তারা পরস্পর যোগসাজশে বর্ণিত ভিক্ষুক নারীকে আর্থিক সহায়তার কথা বলে এবিএম
ব্রিক ফিল্ডে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে বলে স্বীকার করে এবং উক্ত ঘটনার পর হতেই তার
ছদ্মবেশ ধারণ করে ফেনী জেলার বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে করে মর্মে স্বীকার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সাথে সিইসির সাক্ষাত
রাষ্ট্রপতির সাথে সিইসির সাক্ষাতের সময় পিছালো।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সাক্ষাতের সময়সূচি পিছিয়ে আগামী ৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।ওই দিন দুপুর ১২টায় বঙ্গবভনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নৌ-বাহিনীর সাবেক সদস্য রনি মিয়া চার মাস আগে নার্স ফারজানাকে বিয়ে করেন । বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে দাম্পত্য কলহ চলছিল। একদিন স্বামীর ঘর করবে না বলে জানান ফারজানা। এমনকি তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেবে বলেও জানান ফারজানা। ওইদিন রাতের খাওয়া শেষে তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা বললে ফারজানা রাজি হয়ে যান।
এরপর ফারজানাকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে হত্যা করেন তার স্বামী। ফিরে এসে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় স্ত্রী নিখোঁজের জিডি করেন স্বামী। আর এ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এবং স্বামী রনিকে গ্রেফতার করে।
রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে স্ত্রী ফারজানার পুরোনো প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে স্বামী রনি মিয়ার ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়। ফারজানাকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করে। ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফারজানাকে নিয়ে বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে নিয়ে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী রনি মিয়া ফারজানাকে গভীর পানিতে ফেলে দেন। নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় ফারজানা পানির ডুবে যায়। তারপর ঘটনাস্থল থেকে রনি মিয়া চলে আসে এবং আত্মীয়স্বজনদের ফোন দিয়ে বলে যে, ফারজানা ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হয়ে তার সাবেক প্রেমিকের কাছে চলে গেছে। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
পুলিশ সুপার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে রনির রাতে বিভিন্ন অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ফারজানার স্বামী রনির দেওয়া তথ্যগুলো যাচাইকালে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, তার দেওয়া তথ্যগুলো মিথ্যা। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এরপর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রনি মিয়া নিজে্ই তার স্ত্রী ফারজানাকে কীভাবে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে সে ব্যাপারে পুলিশকে তথ্য দেয়।
রিমান্ডে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম বাদীর বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।
মন্তব্য করুন